বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরে গত দুইদিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি। মেঘ আর কুয়াশায় একাকার প্রকৃতিতে শনিবার সকাল থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। থেমে থেমে চলে সন্ধ্যা পর্যন্তও। এতে বেড়ে যায় শীতের তীব্রতা। যশোর বিমানবাহিনীর নিয়ন্ত্রনাধীন আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে যশোরে এক মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টি বেশি না হলেও কুয়াশা, মেঘ, বৃষ্টি ও শীতে যশোরে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রোববার থেকে মেঘ-বৃষ্টির এই অবস্থার উন্নতি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। বৃষ্টি কেটে গেলে ফের রাতের তাপমাত্রা কমে জেঁকে বসতে পারে শীত।
আবহাওয়া অধিদফতর পূর্বেই জানিয়েছিল, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ফেইনজালের প্রভাবে দেশের তিন বিভাগে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। সকালের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে সেই পূর্বাভাস যেন ঠিক ঠিক মিলে যায়। এতে সকাল থেকেই দুর্ভোগে পড়েছে শ্রমজীবী, চাকরিজীবী মানুষেরা। শীতে নিম্নআয়ের মানুষ পড়েছেন সংকটে। পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা কষ্টে দিনযাপন করছেন।
শহরের ঈদগা মোড়ে আব্দুর রহিম নামে এক রিকসা চালক বলেন, ‘কয়েক সপ্তাহ থেকে শীত পড়া শুরু করেছে। এর মধ্যে গত দুইদিন ধরে রোদের দেখা দেয়। এরমধ্যে শনিবার দিনভর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে শীত জেঁকে বসেছে। ভোগন্তিও বেড়েছে। শীত আর বৃষ্টিতে মানুষ বাইরে বের হচ্ছে কম। আয় রোজগারও কম হচ্ছে।’
এদিকে শীত জেঁকে বসাতে হাসপাতালগুলোতে বাড়তে শুরু করেছে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। যশোর জেনারেল হাসপাতালের বর্হিবিভাগ থেকে শিশু ও বয়স্কদের ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎ’সার সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ। একই সাথে ভর্তির রোগীর সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে।