Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • বাবার লাশ বারান্দায় : জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মারামারি
  • মুন্সি মেহেরুল্লাহ রেল স্টেশন পুনরায় চালুর দাবিতে চুড়ামনকাটিতে মানববন্ধন
  • শহরকে যানজট মুক্ত করতে যশোর পৌরসভার সমন্বিত অভিযান
  • চৌগাছায় শ্বশুরবাড়ির ছাদে প্রবাসফেরত যুবকের মরদেহ
  • মাগুরায় অসহায় ও দুস্থদের অর্থ সহায়তার চেক প্রদান
  • মসজিদের সম্মানির তালিকায় অনিয়ম : কেশবপুরে জামায়াতের দুই নেতাকে অব্যাহতি
  • তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি
  • ৮ ডিসেম্বর থেকে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Monday, August 24
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

 সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন

৬ বছর পর এমএম কলেজে ফিরল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
banglarbhoreBy banglarbhoreFebruary 21, 2025No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

বাংলার ভোর প্রতিবেদক

অবশেষে কেন্দ্রেই ফিরে গেল যশোরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। ছয় বছর পর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজে অবস্থিত শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যদিয়ে কেন্দ্রীয় মিনারের স্বীকৃতি ফিরে পেল। এদিন রাত ১২টা ১ মিনিটে জেলা প্রশাসনের পক্ষে জেলা প্রশাসক আজহারুল ইসলাম শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার নূর ই আলম সিদ্দিকী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জেলা বিএনপিসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনীতিক, সাংবাদিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এদিন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ সমাবেত হন এমএম কলেজ প্রাঙ্গণে।


কলেজ ও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, যশোরের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন মহাবিদ্যালয়, যেটি এমএম কলেজ নামেই সুপরিচিত। ১৯৪১ সালে ‘যশোর কলেজ’ নামে প্রতিষ্ঠিত এবং ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ হয় ‘মাইকেল মধুসূদন কলেজ’। ১৯৬৮ সালের পয়লা মে প্রতিষ্ঠানটি সরকারি হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারি এমএম কলেজে স্থাপিত শহীদ মিনারে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করে আসছিলেন। টানা দেড় দশক আওয়ামী দুঃশাসনের সময় রাজনৈতিক ক্ষমতার ঘোরপ্যাঁচে দুই কোটি টাকা ব্যায়ে ২০১৮ সালে যশোর পৌরসভার তৎকালীন মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু শহরের শহীদ মসিয়ূর রহমান সড়কের পাশে (ফাতেমা হাসপাতালের সামনে) অপ্রশস্ত একটি স্থানে নতুন একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করেন, যার নাম দেন ‘কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার’। অথচ সেখানে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই।

পৌরসভার মেয়র তৎকালীন প্রভাবশালী নেতা হওয়াতে সেই সময় কেউ খুশি হয়নি। কিন্তু তাদের ভয়ে কেউ কার্যকর প্রতিবাদও করতে পারেনি।

বিএনপি ও কয়েকটি বাম দল ছাড়া অন্যরা নতুন শহীদ মিনারে যেতে বাধ্য হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুরনো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি ওঠে। এমন প্রেক্ষাপটে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন প্রস্তুতি কমিটির’ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এই সভায় সিদ্ধান্ত হয়, যশোরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বলতে এমএম কলেজের শহীদ মিনারকে বোঝাবে। এই শহীদ মিনারেই এবার ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। একই সাথে পৌরসভার অর্থায়নে নির্মিত শহীন মিনারটি সাদা কাপড়ে ঘিরে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।


দীর্ঘ ছয় বছর পর যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজে অবস্থিত শহীদ মিনার কেন্দ্রীয় স্বীকৃতি ফিরে পাওয়াতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে কলেজটির শিক্ষক শিক্ষার্থী ও যশোরবাসী। তারা বলছেন, শহরের শহীদ মসিয়ূর রহমান সড়কের পাশে অপ্রশস্ত একটি স্থানে শহীদ মিনার নির্মাণ হওয়াতে স্বাচ্ছন্দ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করা যেত না। মানুষের ঢলে নানা বিড়ম্বনাতে পড়তে হতো। এখন বৃহৎ ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ফিরে আসায় স্বস্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারছেন।

একুশের প্রথম প্রহরে সরেজনিমে এম এম কলেজে দেখা গেছে, ভাষাশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে হাতে ফুল, কালো ব্যাজ ধারণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে আপামর জনতা। একুশের প্রথম প্রহর থেকে এ শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়। হাজারো মানুষকে শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনার অভিমুখে যেতে দেখা গেছে। জিলা স্কুল মোড় থেকে এম এম কলেজের দক্ষিনগেট পর্যন্ত দীঘ সারি। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত পুরো এলাকা লোকে লোকারণ্য। হাতে ফুল নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে ধীরগতিতে এগিয়ে চলেছেন। খালি পায়ে একে একে তারা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রাঙ্গণে বেজে চলেছে একুশের গান। মহান একুশ উপলক্ষে এমএম কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়।


শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিচার বিভাগ, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর জেলা বিএনপি, নগর বিএনপি, সদর উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, যশোর জেলা পরিষদ, যশোর পৌরসভা, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের অধ্যক্ষ, সিভিল সার্জন, যশোর চেম্বার অব কমার্স, প্রেসক্লাব যশোর, যশোর সংবাদপত্র পরিয়দ, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর, যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন, দৈনিক বাংলার ভোর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাসদ, যশোর ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, পরিবহণ সংস্থা শ্রমিক ইউনিয়ন, বাম গণতান্ত্রিক জোটসহ বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, ‘শহীদ মসিয়ূর রহমান সড়কে নির্মিত শহীদ মিনারে আমরা কোনোদিনই যাইনি। এমএম কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থিত শহীদ মিনারকেই আমরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মানি। আমাদের দল বরাবরই দাবি করে আসছিল এই শহীদ মিনারেই যেন শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হয়। সেখানে এখন পর্যন্ত আমাদের পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী, বিপ্লবী যুবমৈত্রীসহ বিভিন্ন সংগঠন ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছে।’

এমএম কলেজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বস্তরের
Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

Related Posts

বাবার লাশ বারান্দায় : জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মারামারি

August 24, 2026

মুন্সি মেহেরুল্লাহ রেল স্টেশন পুনরায় চালুর দাবিতে চুড়ামনকাটিতে মানববন্ধন

August 24, 2026

শহরকে যানজট মুক্ত করতে যশোর পৌরসভার সমন্বিত অভিযান

August 24, 2026
Leave A Reply Cancel Reply

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : ডিডি এনএসআই (অব.) মুফাজ্জেল হোসেন

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.