Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • যশোরে পাঁচ শতাধিক রোগীর মাঝে ফল বিতরণ
  • মিথ্যা মামলায় ব্যবসায়ী আটকের অভিযোগে যশোরে সংবাদ সম্মেলন
  • খালেদা জিয়া আগামী প্রজন্মের জন্য মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন : নার্গিস বেগম
  • মনিরামপুরে যুব, ছাত্র ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
  • মণিরামপুরে নিহত ছাত্রদল নেতা শিমুল গাজীর স্মরণসভা
  • যশোরে ৭৪টি অবৈধ কাঠের চুল্লি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিল প্রশাসন
  • সুন্দরবনে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ রোধে পাইকগাছায় অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা
  • সাতক্ষীরার নলতায় কম্বল বিতরণ
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
সোমবার, জানুয়ারি ১২
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রতারিত রোগী, স্বাস্থ্য বিভাগ নির্বিকার

banglarbhoreBy banglarbhoreসেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫Updated:সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৫No Comments
Facebook Twitter WhatsApp
Share
Facebook Twitter LinkedIn

♦ কোন ধরনের লাইসেন্স নবায়ন নেই

♦ মালিকানা জবর দখলের অভিযোগ

বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বেহালদশা। স্যাঁতসেতে আর নোংরা পরিবেশ, অদক্ষ জনবল আর লাইসেন্স বিহীন এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি বছরের পর বছর অবৈধভাবে ব্যবসা করে গেলেও তা দেখার যেন কেউ নেই। প্রতিষ্ঠানটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে রীতিমতো প্রতারণায় নেমেছে। প্যাথলজিক্যাল টেস্ট, এক্স-রে, ইসিজি, ইকো, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, সিবিসি, আরবিএস, সিরাম ক্রিয়েটিনাইন, এমআরআই, সিটি স্ক্যান থেকে শুরু করে সব ধরনের মেডিকেল টেস্ট করছে। কিন্তু এসবই হচ্ছে কাগজে কলমে। যার গ্রহণযোগ্যতার মান জিরো। প্রতিনিয়িত মানুষ এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নানারকম প্যাথলজিক্যাল টেস্টের নামে হয়রানি ও প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

যশোর ২৫০ বেড জেনারেল হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনের ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট দিয়ে দেদারছে এরকম প্রতারণা করলেও জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ নির্বিকার। অভিযোগ উঠেছে, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের বড় কর্তাকে নিয়মিত মাসোহারা দিয়ে দিব্যি জেলার সব অবৈধ ক্লিনিক ও প্যাথলজিক্যাল সেন্টার মানুষ ঠকানোর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি প্যাথলজিতে ব্যবহার্য বর্জ্য ফেলা হচ্ছে পাশের ভৈরব নদে। যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ।

৮ জন শেয়ার হোল্ডারকে নিয়ে ২০১৪ সালে স্বল্প পরিসরে ব্যবসা শুরু করে যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টার। পর্যায়ক্রমে পরিসর বৃদ্ধি পায়। গোলাম সরোয়ার নামে একজন ব্যবসায়ী উদ্যোগ নিয়ে এই সেন্টারটি শুরু করেন। সে সময় ডা. মোজাম্মেল হককে চেয়ারম্যান এবং গোলাম সরোয়ারকে এমডি করে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। বাকি শেয়ার হোল্ডারগণ ছিলেন নাসিমা সুলতানা স্বপন, ডা. ফারজানা আজাদ, নাসরিন সুলতানা রিনা, খোদেজা জাহাঙ্গীর, সাইদুর রহমান, সারমিন আক্তার ফারুক ও মাসুদ পারভেজ। শুরুতে প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে তা কয়েক দফা বাড়িয়ে ৫ লাখ ২০ হাজার করা হয়। পরবর্তীতে আরো কয়েক দফা শেয়ার বৃদ্ধি করে তা বিক্রির মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা বাজার থেকে তুলে নেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব শেয়ার হোল্ডারদের অর্থ দিয়ে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটির কোন জয়েন্ট স্টক কোম্পানির লাইসেন্স নেই। কেবলমাত্র যশোর পৌরসভা থেকে যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নামে একটি ট্রেড লাইসেন্স নং-০১৪৮৫ নিয়ে প্যাথলজিক্যাল টেস্টের ব্যবসা শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় অন্যান্য লাইসেন্স সংগ্রহ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সব লাইসেন্স আর নবায়ন করা হয়নি। রাজনৈতিক দলের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে ব্যবহার করে বছরের পর বছর এই প্রতিষ্ঠানটি কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইচ্ছা মতো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, জুলাই অভ্যুত্থানে পতিত স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতন হলে এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা মঞ্জুর রশীদ স্বপন পালিয়ে যান। প্রতিষ্ঠানের এমডি গোলাম সরোয়ারও গা ঢাকা দেন। একপর্যায়ে একটি শেয়ারের ৫০ শতাংশের মালিকানার অধিকার নিয়ে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তার ও ড্যাব নেতা অহিদুজ্জামান আজাদ চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি বর্তমানে চলছে হাওয়ার ওপর। বর্তমানে এই সেন্টারটির কোন বৈধ লাইসেন্স নেই। নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। ফায়ারের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর। ডায়াগনস্টিক সেন্টারের হেলথ লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২২ সালের ৩০ জুন। ২০২৩ সালের পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে কোন আয়কর রিটার্ণ দাখিল করেনি। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কমিশনের অনুমোদনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৩ সালে। নেই কোন আরসিও লাইসেন্স প্রাপ্ত রেডিওলিস্ট। নেই কোন লাইসেন্সধারী পাস করা প্যাথলজিস্ট। নেই কোন বৈধ লাইসেন্সধারী সনোলজিস্ট। নেই কোন পাস করা ডিগ্রিধারী প্যাথলজিক্যাল স্টাফ। একজন অদক্ষ কোয়াক স্টাফ দিয়ে রোগীদের শরীর থেকে ব্লাডের স্যাম্পল কালেকশন করা হচ্ছে। নেই কোন সিটিজেন চার্টার। ইচ্ছা মতো রোগীদের কাছ থেকে টেস্টের নামে অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলেও রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। কিন্তু এসব অভিযোগ আমলে নিচ্ছেন না কর্তৃপক্ষ। এক অজানা ক্ষমতার বলে বলিয়ান ডাক্তার অহিদুজ্জামান আজাদ এসব অনিয়ম আর দুর্নীতিকে নিয়মে পরিণত করে দিব্বি চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটি।

অভিযোগ রয়েছে একাধিক দালাল আর কমিশন ভোগী গ্রাম্য কোয়াক ডাক্তারের মাধ্যমে রোগীদের জোগাড় করা হয়। যশোর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ওয়ার্ডে এসব দালালরা সক্রিয় থাকে রোগী কালেকশনে। তার পর নানা কৌশলে রোগীদের এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে আসার পর শুরু হয় নানা রকমের ব্যবসা আর অর্থ আয় করার কলাকৌশল।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সরেজমিনে এই প্রতিবেদক ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে গেলে চোখে পড়ে সর্বত্রই অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা আর পরিস্কার পরিচ্ছন্নহীনতার ছাপ। ক্লিনিকের সব ময়লা অবর্জনা ফেলা হচ্ছে পাশেই ভৈরব নদে। স্যাঁতসেতে পরিবেশে গাদাগাদি করে বসে আছেন রোগী আর দালালরা। রিসিপশনের পাশে একটি ছোট্ট টেবিল চেয়ার নিয়ে বসে আছেন ম্যানেজার ফারুক হোসেন। সাংবাদিক পরিচয় শুনেই তিনি তেলেবেগুনে জ¦লে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি কোন তথ্য না দিয়েই মুখটি ঘুরিয়ে নেন। পাল্টা প্রশ্ন করলে তিনি জোর গলায় বলেন, সাংঘাতিকদের আমরা চিনি। যান আমাদের চেয়ারম্যান ডাক্তার অহিদুজ্জামান আজাদের সাথে কথা বলেন। আমি কোন তথ্য দিতে আপনার কাছে বাধ্য নই।

এ বিষয়ে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেয়ারম্যান ডা. অহিদুজ্জামান আজাদ বলেন, আমি তো যশোর আড়াইশ’ বেড হাসপাতালে রোগী দেখছি। কোন কথা থাকলে হাসপাতালের ডক্টরস রুমে আসেন। একপর্যায়ে ক্লিনিক সম্পর্কিত নানা অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বললে তিনি বিষয়টি নিয়ে বেশি নাড়াচাড়া করতে নিষেধ করেন।

এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির এমডি গোলাম সরোয়ারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমাকে তো আজাদ ও ফারুক জোর করে ক্লিনিক থেকে বের করে দিয়েছে। আমার রুমটি দখল করে নিয়েছে ডাক্তার আজাদ। গত ৭/৮ মাস আমি প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছি না। প্রতিষ্ঠানের কোন আয় ব্যয়ের হিসাব শেয়ার হোল্ডারদের দেয়া হচ্ছে না। ইসলামী ব্যাংক যশোর শাখায় ক্লিনিকের নামে খোলা হিসাবে কোন লেনদেন না করে সব টাকা চেয়ারম্যান ডাক্তার আজাদ ব্যক্তিগতভাবে হজম করছে।

তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানে ডাক্তার আজাদের কোন শেয়ার ছিলো না। একটি শেয়ারের ৫০ শতাংশের মালিক আমার ছোট বোন আনোয়ারা নাসরিন আর বাকি ৫০ শতাংশের মালিক ডাক্তার আজাদের স্ত্রী ডা. ফারজানা পারভীন। অথচ জুলাই বিপ্লবের পর রাতারাতি ডাক্তার আজাদ ম্যানেজার ফারুক হোসেনের সাথে হাত মিলিয়ে ক্লিনিকটি দখল করে নিয়ে চেয়ারম্যান বনে গেছেন।

ক্লিনিকের অপর শেয়ার হোল্ডার খোদেজা পারভিনের স্বামী ও পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার স্ত্রী একজন শেয়ার হোল্ডার। তার কারণে আমি ক্লিনিকের একজন ডাইরেক্টর। কিন্তু গত প্রায় এক বছর ধরে আমি ওই ক্লিনিকে যাই না। সেখানে যাওয়ার কোন পরিবেশ নেই। আমার ছোট ভাই ফারুক ডাক্তার আজাদের সাথে মিলে পুরো ক্লিনিকটি ধ্বংসের চক্রান্তে মেতেছে। আয় ব্যয়ের কোন হিসাব নেই। শেয়ার হোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দিচ্ছে না। ব্যাংক হিসাবে কোন টাকা জমা পড়ছে না। সব আয় ইনকাম ক্লিনিকের চেয়ারম্যান ডাক্তার আজাদ আর ম্যানেজার ফারুক ভাগ বাটোয়ারা করে নিচ্ছে।

আমার বড় ভাই ক্লিনিকের এমডি গোলাম সরোয়ারকে পর্যন্ত এমডির পদ থেকে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ও নিয়মবহির্ভুত ভাবে অপসারণ করা হয়েছে। অন্যান্য শেয়ার হোল্ডারদের সেখানে কোন স্থান নেই। ক্লিনিকের লাইসেন্সসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও অদক্ষজনবল সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এসবই চেয়ারম্যান, এমডি আর ম্যানেজারের দেখার বিষয়। আমরা শেয়ার হোল্ডারগণ এসব বিষয়ে কিছুই জানিনা।

যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও বর্জ ব্যবস্থাপনার সরকারী নিয়ম কানুন অগ্রাহ্য করা প্রসঙ্গে জেলার সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদুর রহমানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এই সব অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে আপনারা লেখেন। আমাকে তথ্য দেন। জেলা প্রশাসক মহোদয়কে বলেন। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এসব অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমার তো পুলিশ নেই, ম্যাজিস্ট্রেট নেই। ডিসি স্যার যদি উদ্যোগ নেন তাহলে জেলার সর্বত্র ব্যাঙের ছাতার মতো যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসব অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সব বন্ধ করে দেয়া সম্ভব। লাইসেন্সবিহীন মানহীন এসব অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এতো দিন কিভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, কিভাবে মানুষের সাথে প্রতারণা করে তাদেরকে পরীক্ষা নিরীক্ষার নামে প্রতারনা করে অর্থ বাণিজ্য করছে-? এরকম প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি তো অফিসিয়াল কাজে ঢাকায় অবস্থান করছি। যশোরে এসে এসব বিষয় গুলো দেখবো।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে যশোর ড্যাবের একজন নেতা বলেন, একজন ডাক্তার সরকারি চাকরিরত অবস্থায় কিভাবে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকের চেয়ারম্যান হতে পারে! এটা তো সরকারি চাকরিবিধির চরম লংঘন। সিভিল সার্জন সব জেনেও কেন এবং কি কারণে এসব অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না তা রহস্যজনক।

ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রতারিত যশোর রোগী স্বাস্থ্য বিভাগ
Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

যশোরে পাঁচ শতাধিক রোগীর মাঝে ফল বিতরণ

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

মিথ্যা মামলায় ব্যবসায়ী আটকের অভিযোগে যশোরে সংবাদ সম্মেলন

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

খালেদা জিয়া আগামী প্রজন্মের জন্য মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন : নার্গিস বেগম

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : ডিডি এনএসআই (অব.) মুফাজ্জেল হোসেন

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.