Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • এক স্বপ্নপথিকের গল্প
  • নতুন ড্রেস-ব্যাগ নিয়ে স্কুলে যাবে যশোরের দুইশ’ শিক্ষার্থী
  • চৌগাছায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু
  • সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেগা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিত
  • কোটচাঁদপুরে সরকারি ওয়াকফ পুকুরের মাটি বিক্রির অভিযোগে মামলা
  • শ্যামনগরে ৪১ বোতল বিদেশি মদসহ কারবারি আটক
  • খুলনা বিভাগীয় বিএনসিসি এক্স-ক্যাডেট মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
  • ঘুসের টাকাসহ আটক যশোরের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কারাগারে
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
শুক্রবার, জানুয়ারি ৯
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
কৃষি

কুমড়ো বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত জীবননগরের নারীরা

banglarbhoreBy banglarbhoreনভেম্বর ২০, ২০২৫No Comments
Facebook Twitter WhatsApp
Workflow: {}
Share
Facebook Twitter LinkedIn

এম আই মুকুল, জীবননগর
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় শীত মৌসুম এলেই প্রতিটি গ্রামের নারীরা খাবারে বাড়তি স্বাদ আনতে কুমড়ো বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করেন। তারই রেস ধরে এ বছর প্রকৃতিতে শীত জেঁকে বসায় জীবননগরের প্রতিটি গ্রামে কুমড়ো বড়ি তৈরির যেন ধুম পড়েছে। এতে করে গ্রামের নারীদের কর্মব্যস্ততা বেড়ে গেছে বহুগুণ।

জীবননগর উপজেলার শত শত নারী কুমড়ো বড়ি তৈরির কাজে জড়িত রয়েছেন। শীতের আগমনের সাথে সাথে কুমড়ো বড়ি তৈরির ব্যস্ততা বেড়েছে তাদের। অগ্রহায়ণ মাস থেকে ফাল্গুন এই ৪ মাস কুমড়ো বড়ি তৈরির ধুম পড়ে যায়।

শীতকাল কুমড়ো বড়ি তৈরির ভরা মৌসুম। এ সময় গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে কম বেশি কুমড়ো বড়ি তৈরি করা হয়। কেউ কেউ পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাকিটা বাজারে বিক্রি করেন। শীতে কুমড়ো বড়ির চাহিদা থাকে বেশি। আর গ্রামাঞ্চলের নারীরা বাড়তি আয়ের আশায়ও অনেকে কুমড়ো বড়ি তৈরি করেন।

কুমড়ো বড়ি তৈরির প্রধান উপকরণ মাসকলাইয়ের ডাল আর চালকুমড়া। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি মাসকলাই ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা আর চাল কুমড়া ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সাইজ হিসেবে চালকুমড়া ৭০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে কেনা যায়। ৫ কেজি চালকুমড়ার সঙ্গে ২ কেজি মাসকলাইয়ের মিশ্রণে কুমড়ো বড়ি ভাল হয়।

প্রথমে মাসকলাই রোদে শুকিয়ে যাতায় ভেঙে পরিস্কার করে বা আস্ত কলাই পানিতে ভিজিয়ে রেখে খোসা ছাড়িয়ে নেয়া হয়। প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা মাসকলাই পানিতে ভেজাতে হয়। তারপর ঢেঁকি বা শিল-পাটায় পিষে নিয়ে কুমড়ো বড়ির মিশ্রণ তৈরি করা হয়।

তবে, আধুনিকতার যুগে অনেকেই মেশিনে মাড়াই করে মাসকলাই বাঙানোর পাশাপাশি কুমড়ার মিহি করছেন। এরপর দুইটির মিশ্রণে কুমড়ো বড়ির উপকরণ তৈরি করা হয়।

রৌদ্রোজ্জ্বল ফাঁকা স্থান, বাড়ির আঙ্গিনা, ছাদ বা খোলা জায়গায় ভোর থেকে বড়ি তৈরি শুরু হয়। পাতলা কাপড়ে সারি সারি বড়ি বসানো হয়। কুমড়ো বড়ি বসানোর পর দুই-তিন দিন একটানা রোদে শুকানো হয়। সূর্যের আলো কম হলে ৩-৪ দিন পর্যন্ত শুকাতে সময় লেগে যায়। শুকানোর পর কাপড় থেকে বড়ি উঠিয়ে পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়। গ্রামের পিছিয়ে পড়া অনেক মেয়েরা নিজেদের ভাগ্যোন্নয়নে শ্রম দিয়ে অনেক বছর ধরে এ কুমড়ো বড়ি তৈরির কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। উপজেলার কাঁটাপোল গ্রামের প্রায় ৩০-৪০টি পরিবার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কুমড়ো বড়ি তৈরি করেন।

ওই গ্রামের নারী অনিতা রানি বলেন, কুমড়ো বড়ি ব্যবসায়ী পরিবারগুলো প্রথম অবস্থায় তেমন স্বচ্ছল ছিল না। এখন অনেকেই কুমড়ো বড়ির ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ৫ কেজি কুমড়ার সঙ্গে দুই কেজি মাসকলাইয়ের কুমড়ো বড়ি ভালো তৈরি হয়। আগে মাসকলাই পানিতে ভিজিয়ে পরিষ্কার করা, আর ঢেঁকিতে বা পাটায় বেটে বড়ি তৈরি করতে প্রচুর পরিশ্রম হতো, সেই সঙ্গে অনেক সময় লাগতো। এখন খোসা ছাড়ানো মাসকলাই বাজারে কিনতে পাওয়া যায়।

মাসকলাই পানিতে ভিজিয়ে মেশিনের সাহায্যে মাড়াই করে অল্প সময়ে বড়ি তৈরির মিশ্রণ তৈরি করা যায়। এতে করে অল্প সময় প্রচুর পরিমাণ কুমড়ো বড়ি তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। এক কেজি কুমড়ো বড়ি তৈরি করতে প্রায় ১২০ টাকা মতো খরচ হয়। যা বাজারে ২০০ থেকে আড়াইশ টাকা দরে বিক্রি হয়। এতে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি আয় করা সম্ভব হচ্ছে।
জীবননগর উপজেলার কুমড়ো বড়ির ব্যবসায়ী মাজেদুর রহমান বলেন, এখানকার কুমড়ো বড়ি খুব সুস্বাদু হওয়ায় এ অঞ্চলের বড়ি এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। বিশেষ করে ঢাকায় এর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

তিনি আরো জানান, এটি সারা বছরজুড়ে তৈরি করা সম্ভব। কিন্তু শীতকালে এর কদর বেশি হয়। কারণ, শীতের সময় রান্না করে খেতে বেশ মজা লাগে। কৈ মাছ, শিং মাছ ও শৈল মাছের সাথে রান্না করলে সে তরকারির স্বাদই বদলে যায়।

জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, শীত মৌসুমে গ্রামের নারীরা কুমড়ো বড়ি তৈরি করে বাড়তি আয় করছেন। গ্রামীণ নারীরা উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তারা নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।

কুমড়ো বড়ি তৈরি জীবননগর নারী
Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

এক স্বপ্নপথিকের গল্প

জানুয়ারি ৯, ২০২৬

নতুন ড্রেস-ব্যাগ নিয়ে স্কুলে যাবে যশোরের দুইশ’ শিক্ষার্থী

জানুয়ারি ৯, ২০২৬

চৌগাছায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু

জানুয়ারি ৯, ২০২৬

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : ডিডি এনএসআই (অব.) মুফাজ্জেল হোসেন

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.