বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
সিডও সনদের ২ ও ১৬.১(গ) ধারায় বাংলাদেশের সংরক্ষণ প্রত্যাহার করে নারীর নাগরিক ও সম্পদ-সম্পত্তিতে সমান অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ যশোর জেলা শাখার নেতৃবুন্দ। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ যশোর জেলা কার্যালয়ে সিডও দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।
জেলা শাখার আন্দোলন উপ-পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির সহসভাপতি রোজিনা রহমান। বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হাবিবা শেফা, জেলা কমিটির সহসভাপতি বীথিকা সরকার, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সুলতানা রহমান জলি,ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক খুরশীদা জাহান খান, অর্থ সম্পাদক উম্মে মাকসুদা মাসু, লিগ্যাল এইড সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুন নাহার কনা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদস্য তহমিনা সুলতানা, জেলা কমিটির সদস্য সোনিয়া আক্তার জলি ও উম্মে সালমাসহ অন্যরা।
বক্তারা বলেন, নারীর পূর্ণাঙ্গ অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠায় সিডও সনদের ২ ও ১৬.১(গ) ধারা থেকে বাংলাদেশের সংরক্ষণ অবিলম্বে প্রত্যাহার করা জরুরি। সিডও সনদের ২ নম্বর ধারায় নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আইন ও নীতি পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। আর ১৬.১(গ) ধারায় বিয়ে ও বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে সিডও সনদে স্বাক্ষর করলেও ওই দুই ধারায় সংরক্ষণ এখনো বহাল রয়েছে।
সম্পত্তিতে সমঅধিকার নিশ্চিত না হলে নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়। নারীর নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় পারিবারিক ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত আইনে সমতা প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন।
তারা বলেন,“সিডও সনদের ২ ও ১৬.১(গ) ধারার সংরক্ষণ প্রত্যাহার এখন সময়ের দাবি।” নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র-সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
সিডও সনদের পূর্ণ অনুমোদন ও বাস্তবায়নকে তারা নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।
