Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • যারা উপহার দিলেন যশোরবাসীকে কিশোর গ্যাং
  • পপুলার মেডিকেল সার্ভিসেস অ্যান্ড হসপিটালের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়
  • প্রেসক্লাব যশোরের নির্বাচনে অধিকাংশ পদই প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন
  • লোহাগড়ায় মাদক বিক্রিতে বাধা : মহিলাসহ ৬ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম
  • চৌগাছায় ৩১ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক
  • নড়াইলে ৬ মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকার : শিক্ষক গ্রেফতার
  • মারপিট, ভাংচুরসহ মামলা দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে পাইকগাছায় মানববন্ধন
  • আশাশুনিতে বিষ দিয়ে ঘেরের মাছ নিধন
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Monday, September 7
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

যারা উপহার দিলেন যশোরবাসীকে কিশোর গ্যাং

banglarbhoreBy banglarbhoreSeptember 6, 2026No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোরের র‌্যাব ও পুলিশের দেয়া তথ্যানুযায়ী, যশোর শহর ও এর আশেপাশে ৪০ থেকে ৫০টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। এদের প্রতিটি গ্রুপে সদস্য থাকে গড়ে ৮ থেকে ১৬ জন। যাদের বয়স সাধারণত ১৪ থেকে ২১ বছরের মধ্যে। শহরের পালবাড়ি, ধর্মতলা, শংকরপুর, বেজপাড়া, রায়পাড়া তুলোতলা, ষষ্টিতলা, খড়কি, রেলগেট, চাঁচড়া, বারান্দিপাড়া, মণিহার, নীলগঞ্জ, বকচর, উপশহর এবং শহরতলীর মুড়লী খাঁপাড়া, হামিদপুর, শেখহাটি এবং পুলেরহাট এলাকায় এদের অপতৎপরতা বেশি।

স্থানীয়দের মতে, কিশোর গ্যাং-এর অপতৎপরতা একদম হঠাৎ করে শুরু হয়নি। গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ধীরে ধীরে বর্তমানের ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। যশোরে অনেক আগে থেকেই এলাকাভিত্তিক ‘বড় ভাই’ বা রাজনৈতিক ক্যাডারদের ছোট ছোট অনুসারী দল ছিল। তবে ২০১২ সালের পর থেকে স্মার্টফোন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে কিশোররা নিজেদের ছোট ছোট গ্রুপে সংগঠিত করতে শুরু করে। সে সময় তাদের মূল কাজ ছিল বাইক নিয়ে মহড়া দেয়া, মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা এবং তুচ্ছ বিষয়ে নিজেরা নিজেরা মারামারি করা। রাজধানীর উত্তরায় ২০১৭ সালে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে আদনান কবির হত্যাকাণ্ডের পর যখন ‘কিশোর গ্যাং’ শব্দটির ব্যাপক পরিচিতি পায়, তখন যশোরের বিভিন্ন এলাকাতেও কিশোররা গ্যাং কালচারে উৎসাহিত হয়। কিশোর গ্যাংগুলো এখন শুধুমাত্র ছোটখাটো ঝগড়া বা ইভটিজিং-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; তারা জড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ সব অপরাধে।

প্রশাসনসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, যশোরে ২০২৩ সালে অর্ধ শতাধিক, ২০২৪ সালে একশ’রও বেশি, ২০২৫ সালে ৬০ টি, ২০২৬ সালের ৫ মাসে ২০ টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের বেশিরভাগের সাথেই কিশোর গ্যাং এর সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে প্রশাসনের তরফে প্রেস ব্রিফিংসহ বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে জানানো হয়েছে। এছাড়া চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ধর্ষণসহ অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বেশিরভাগই কিশোর গ্যাং এর সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত হচ্ছে বলেও তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

শহরের এম এম আলী রোডে পিতার রেখে যাওয়া জামান ফার্মেসি নামে একটি ওষুধের দোকান চালাতে চালাতে ২০০৩ সালে আওয়ামী লীগের খাতায় নাম লেখান শাহিন চাকলাদার। ওই বছরই তিনি জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য হন। শুরু করেন ঠিকাদারি ব্যবসা। সবাইকে হতবাক করে দিয়ে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের পরের কমিটির সাধারণ সম্পাদকের পদ বাগিয়ে নেন। ঠিকাদারি ব্যবসা আর রাজনীতি উভয় অঙ্গনে আধিপত্য বিস্তারে তিনি সন্ত্রাসী লালন পালন শুরু করেন। সেই সময় পেশিশক্তি নির্ভর রাজনীতিক শাহিন চাকলাদারের স্থানীয় প্রশাসনের ওপর বিরাট প্রভাব ছিল। কোন অপরাধী ধরা পড়লে তিনি অল্প সময়ের মধ্যে বের করে আনতেন। এই ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’ কিশোরদের আরও বেপরোয়া করে তুলেছিল। যা যশোরের সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ এবং কিশোরদের অপরাধের পথে ঠেলে দিয়েছিল।

এদিকে সবাইকে আবার অবাক করিয়ে ২০১৪ সালের নির্বাচনে হঠাৎ উড়ে এসে জুড়ে বসার মত যশোর-৩ (সদর) আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন আরেক ব্যবসায়ী কাজী নাবিল আহমেদ। ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনেও তিনি আওয়ামী লীগের এমপি ছিলেন। এরপর তিনি হয়ে ওঠেন শাহিন চাকলাদারের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। ঠিকাদারি ব্যবসা আর রাজনীতি উভয় অঙ্গনে আধিপত্য বিস্তারে শাহিন চাকলাদার পুরোপুরি সন্ত্রাস নির্ভর হয়ে পড়েন। শাহিন চাকলাদারের সাথে সন্ত্রাসীদের সমন্বয়ের কাজ করতেন যশোর পৌরসভার দুইজন সাবেক কাউন্সিলর ও ইউনিয়ন পরিষদের একজন চেয়ারম্যান, যারা সবাই আওয়ামী লীগ নেতা। বসে ছিলেন না কাজী নাবিল আহমেদও। শাহিন চাকলাদারের সাথে টেক্কা দিয়ে রাজনীতিতে টিকে থাকতে তিনিও হয়ে পড়েন সন্ত্রাস নির্ভর। গড়ে তোলেন পাল্টা সন্ত্রাসী বাহিনী, যার বেশিরভাগ ছিল কিশোর।

অপ্রতিরোধ্য শাহীন চাকলাদার ২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক মারা গেলে সেখানে উপনির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন।

এই দুই রাজনীতিবিদ কাম ব্যবসায়ীর লালিত পালিত সন্ত্রাসীরা উভয়ে তাদের দল ভারি করতে কিশোরদের দলে টানা শুরু করে। ২০১৭-২০১৮ সালের দিকে কিশোর সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠতে শুরু করে। মূলত যশোরের এ কিশোর গ্যাং শাহিন চাকলাদার ও কাজী নাবিলের সন্ত্রাস নির্ভর রাজনীতির ফসল। যা বর্তমানে যশোরবাসীর জান-মাল, মান-সম্মানের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যশোরের সচেতন মহলের অভিমত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গত অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ওই দুই বিতর্কিত এমপিসহ জেলা আওয়ামী লীগের প্রথম সারির সব নেতা এমনকি নেতা গোছের সব লোকও গা ঢাকা দিয়ে আছেন।

কিন্তু ‘বড় ভাই’ শূন্য হয়নি কিশোর গ্যাংসহ বহুমুখী অপরাধী সন্ত্রাসীরা। শুধু ‘বড় ভাই’ পরিবর্তন হয়েছে মাত্র। ‘বড় ভাই’ এবং রাজনীতিবিদরা তাদের কাজ হাসিলের জন্য সন্ত্রাসী অর্থাৎ কিশোর গ্যাং সদস্যদের ব্যবহার, তাদেরকে সেল্টার এবং প্রশাসনিক ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে থাকে। যে কারণে তারা প্রশাসনকে থোড়াই কেয়ার করে। বিভিন্ন সময় চরম ঝুঁকি নিয়ে প্রশাসন তাদেরকে আটক করলেও কদিন পরে তাদেরকে জামিনে বের করে আনা হয়। বেরিয়ে তারা আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়।

যশোর জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান বুলু বলেন, ‘কিশোর গ্যাং যশোরবাসীকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। প্রায় প্রত্যেক পাড়ায় একটি করে গ্যাং আছে, তারা কোনো না কোনো রাজনৈতিক নেতার অনুকূলে ছত্রছায়ায় লালিত পালিত হচ্ছে। কোনো কোনো জায়গায় এরা পুলিশের সোর্স হিসেবেও কাজ করে। ফলে এরা অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। তাদের যদি নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ না নেয়া হয় তাহলে আমরা যশোরবাসী শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারবো না।’

সম্প্রতি যশোরে অনুষ্ঠিত মতিবিনিময় সভায় খুলনা রেঞ্জের উপ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খুলনা বিভাগের প্রতিটি জেলার পুলিশ সুপারকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে কিশোর গ্যাং দমনে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, নিয়মিত অভিযান এবং অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, কিশোর গ্যাং সমাজের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে। এ চক্রকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোনোভাবেই তাদের ছাড় দেয়া হবে না।

যশোর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মিরাজুল ইসলাম বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার পেছনে পরিবার, সামাজিক পরিবেশ ও মাদকের প্রভাবও রয়েছে। তাই শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে তাদের অপরাধ থেকে দূরে রাখতে হবে। কিশোর গ্যাংয়ের নামে কেউ সন্ত্রাস, মাদক, ছিনতাই বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যশোর জেলাকে কিশোর গ্যাংমুক্ত করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, ‘অতীতে অপরাধীরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পরিচালিত হলেও বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হস্তক্ষেপ নেই, যা প্রশাসনের কাজকে সহজ করে দিয়েছে।’

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    পপুলার মেডিকেল সার্ভিসেস অ্যান্ড হসপিটালের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

    September 6, 2026

    প্রেসক্লাব যশোরের নির্বাচনে অধিকাংশ পদই প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন

    September 6, 2026

    লোহাগড়ায় মাদক বিক্রিতে বাধা : মহিলাসহ ৬ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম

    September 6, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : ডিডি এনএসআই (অব.) মুফাজ্জেল হোসেন

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.