বাংলার ভোর প্রতিবেদক
প্রায় দেড় যুগ পর যশোরের পাড়া-মহল্লা-ওলি-গলি ছাড়িয়ে রাজপথে ফিরেছে নির্বাচনী উৎসবের আমেজ। দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে বৃহস্পতিবার ঢাক-ঢোল, স্লোগান আর মিছিলের তালে মুখর হয়ে ওঠে পুরো জেলা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দলীয় পতাকা হাতে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পদচারণায় যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসন পরিণত হয় নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে। এ উৎসবে সবার সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয় সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে শিশু-কিশোর-আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা।
বৃহস্পতিবার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর প্রথম দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট, আমার বাংলাদেশ পার্টি, বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ সকলে পৃথকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা, পথসভা ও গণসংযোগ কার্যক্রম চালায়। ফলে, নির্বাচনী আমেজে উৎসবের রূপ নেয় যশোর শহর ছাড়িয়ে পুরো জেলা।

পিতার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি অমিতের
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণার প্রথম দিনেই যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ধানের শীষের পক্ষে শহরের ওলিগলি থেকে শুরু করে গ্রাম, পাড়ামহল্লা সবখানে উন্নয়নের ধারা ফিরিয়ে আনতে এবং শান্তি সম্প্রীতিময় নতুন যশোর গড়তে ধানের শীষের প্রতি আকুণ্ঠ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। ভোটররা অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের কাছে পিতা প্রয়াত তরিকুল ইসলামের মতো উন্নয়নের ধারা রক্ষা এবং শান্তি সম্প্রীতিময় বৈষম্যহীন সমাজ চেয়েছেন। অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও নির্বাচিত হলে ভোটারদের প্রতিশ্রুতি পূরণের আশ্বাস দেন। পিতা তরিকুল ইসলামকে আপনারা (ভোটাররা) চারবার ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন ও উন্নয়নের সুযোগ দিয়েছেন। আমাকে সেই সুযোগ দিলে পিতার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনবো।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রচারণার প্রথম দিনে সদর উপজেলার আরবপুর ইউয়িনে দিনব্যাপি প্রচার-প্রচারণা চালান। এ সময় তিনি ভোটারদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও পথসভায় বক্তব্য দেন। এ সময় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এই যশোরকে আগামী দিনে এমন একটি ফুলের বাগান হিসেবে গড়ে তুলবো যে বাগানে সকল প্রকার ফুল ফুটবে। এখানে ধর্মীয় কিংবা রাজনৈতিক কোন বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কারও মধ্যে বিবেধ বিভাজন থাকবে না। ধনী-গরীব কিংবা বর্ণ বৈষম্য থাকবে না।
এই যশোর হবে, ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক সম্প্রীতির তীর্থভূমি। কোন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই যশোরের হবে না। যে যদি আমার সন্তান কিংবা দলের কোন কর্মীর যদি জনগণের প্রতিপক্ষে হওয়ার চেষ্টা করে তার জায়গা এই যশোরের আলো বাতাসে হবে না, তার ঠিকানা হবে কারাগারের চার দেয়ালের মধ্যে। আমরা মানুষের জন্য রাজনীতি করি। অতীতে যেমন তাদের সকল দুঃখ, কষ্টে পাশে ছিলাম আগামীতেও থাকবো।
সুজলপুর দাসপাড়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিএনপি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। আমার প্রয়াত পিতা তরিকুল ইসলাম এই যশোরের কবর স্থানের যেমন উন্নয়ন করেছেন, ঠিক একই ভাবে শ্মশানের উন্নয়ন করেছেন। একই ভাবে মসজিদের যেমন উন্নয়ন করেছেন, ঠিক তেমনই মন্দির ও কিংবা গির্জার উন্নয়ন করেছেন। উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনি কখনো বৈষম্য করেননি। আমিও তার সন্তান হিসেবে আপনাদের কথা দিচ্ছি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে কবরস্থান, শ্মশান, মসজিদ, মন্দির কিংবা গির্জার উন্নয়নে ক্ষেত্রে কোন বৈষম্য থাকবে না।
আরবপুর ইউনিয়নে গণসংযোগ চলাকালে তিনি মুক্তেশ্বরী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে তরুন প্রজন্মের নাগরিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি তরুণদের স্বপ্ন দেখান। তিনি বলেন, আগামী দিনে বিএনপি সরকার গঠন করলে, চাকরি পাওয়ার জন্য দল করা লাগবে না। কোন একটি টাকা ঘুষ কিংবা চা খাওয়ানো লাগবে না। মেধা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী সকলে চাকরি পাবে আমরা সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই। দেশকে নতুনভাবে গড়তে এবং দেশের চিত্র পাল্টাতে তরুণদের সুস্থ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
তরুণদের মতো ব্যবসায়ীদের শঙ্কামুক্ত ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। পুুলেরহাট বাজারে ব্যবসায়িদের সাথে অনুষ্ঠিত অপর এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, বিগত সরকার আপনাদের পাশে ছিল না। একটি অনিরাপদ পরিবেশের মধ্য দিয়ে আপনার ব্যবসা করেছেন। কিন্তু আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি আপনাদের স্বার্থ কোন ভাবে ক্ষুণ্ন হবে না।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পাকদিয়া মন্ডপপাড়া গেলে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উলুধ ধ্বনী ও ফুল ছিটিয়ে তাকে বরণ করে নেন। তার গণসংযোগের পুরো সময় জুড়ে ভোটাররা ফুল ছিটিয়ে, ধানের শীষের তোড়া তুলে দিয়ে বরণ করে আবেগ আপ্লুত হয়ে অমিতকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। ধর্মতলা কদমতলা মোড়ে নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য দেয়ার মধ্য দিয়ে গণসংযোগ শুরু হয়। এরপর ভেকুটিয়া বকুলতলা বাজার, ভেকুটিয়া কলোনী বাজার, বাঁশবাড়িয়া বাজার মোড়, বালিয়া ভেকুটিয়া শ্মশানপাড়া, শহীদ মোড়, বালিয়া ভেকুটিয়া বাজার, চাঁদপুর,পতেঙ্গালী আমতলা বাজার, রঘুরামপুর, নিমতলা দুর্গাপুর, ধোপাখোলা, মালঞ্চী বাজার, মন্ডলগাতী, খোলাডাঙা গাজীর বাজার এলাকায় নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য রাখেন এবং ভোটারদের সাথে গণসংযোগ করেন।
পথসভায় বক্তব্য রাখেন এবং গণসংযোগে অংশ নেন জেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সিরাজুল ইসলাম, আবু সাইদ, সদর উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আজম, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আঞ্জুরুল হক খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, আশরাফুজ্জামান মিঠু, আরবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খায়রুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যান ফ্রন্ট যশোর জেলা শাখার সদস্য সচিব নির্মল কুমার বিট, সুজলপুর পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি শিপন কুমার দাস, সনাতন ধমীয় নেতা আশোক কুমার দাসপমুখ।

মানুষের অধিকার রক্ষা করবো : আব্দুল কাদের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যশোর-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল কাদেরের নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান থেকে এক বিশাল প্রচার মিছিল শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে খুলনা বাসস্টান্ডে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলের পূর্বে দুপুর থেকে সদর উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে ঈদগাহ মোড়ে সমবেত হতে থাকেন। বিকেলে প্রার্থী আব্দুল কাদের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে বর্ণাঢ্য প্রচার মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করার সময় নেতাকর্মীরা প্রার্থীর পক্ষে স্লোগান দেন এবং লিফলেট বিতরণ করে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।
ঈদগাহ ময়দানে মিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী যশোর জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক নূর-ই-আলী নূর আল মামুন। বক্তৃতা করেন যশোর-৩ আসনের ১০ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী আব্দুল কাদের, জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী, সহকারী সেক্রেটারি গোলাম কুদ্দুস, প্রচার সেক্রেটারি মুহাম্মদ শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস, সদর উপজেলা আমির অধ্যাপক আশরাফ আলী,শহরের ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলনা ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।
মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল কাদের বলেন, মানুষের অধিকার রক্ষা ও এলাকার উন্নয়নের লক্ষ্যেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। মানুষের ভালোবাসায় যদি আমরা নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে নিশ্চয়ই এই সদর উপজেলাবাসীর উন্নয়ন, সামাজিক পরিবেশকে উন্নত করা হবে। এখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে উন্নত, আমাদের আত্মসামাজিক ব্যবস্থাকে আরও উন্নত এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বৃদ্ধি করা হবে। মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। এই বিষয়গুলোকে আমরা সবচেয়ে গুরুত্ব সহকারে দেখবো এবং কৃষকদের যে সমস্যা সেগুলো সমাধান করার চেষ্টা করবো। ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

যশোরে লাঙলের প্রচারণা শুরু
যশোর-৩ (সদর) আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে জাতীয় পার্টি। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা জাতীয় পার্টির কার্যালয় থেকে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে মিছিলের মাধ্যমে প্রচারণায় নামেন জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী খবির গাজী।
প্রচারণা শুরুর আগে দলীয় কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে খবির গাজী বলেন, আমরা নির্বাচনে নেমেছি বিজয়ের জন্য। জনগণের সেবা করার মানসিকতা নিয়েই আমি মাঠে আছি। আমার সাধ্যমতো আমি ভোটারদের কল্যাণে কাজ করে যাবো। আপনারা সুসংগঠিত হয়ে পাড়ায়-পাড়ায়, মহল্লায়-মহল্লায় লাঙল প্রতীকের বার্তা পৌঁছে দিন।
নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করে তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী মাঠে কাজ করতে গিয়ে যার যা প্রয়োজন আমাকে জানাবেন। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এই লড়াইয়ে জিততে চাই।
আলোচনা সভা শেষে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় প্রার্থীর পক্ষে লিফলেট বিতরণ ও ভোট প্রার্থনা করা হয়।
প্রথম দিনের এই প্রচারণায় খবির গাজীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম সরু, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহাবুব আলম বাচ্চু, জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আজিজুর রহমান আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম, সদস্য সচিব মুফতি ফিরোজ শাহ্, দপ্তর সম্পাদক মনিরুজ্জামান হিরন, সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিয়ার রহমান, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আব্বাস আলী মোল্যা, যুবসংহতির সম্পাদক ইদ্রিস আলীসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রচারণা শুরু রাশেদের
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যশোরে সম্মুখসমরে নেতৃত্ব দেয়া রাশদে খান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে কাস্তে প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনে তিনি তার ভক্ত সমর্থকদের পাশাপাশি সামাজিক সাংস্কৃতিক ও জুলাই আন্দোলনের ছাত্র নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদমিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন সিপিবির অ্যাড. আমিনুর রহমান হিরু, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের মাহবুবুর রহমান মজনু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হারুনর রশীদ, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লিগের জিল্লুর রহমান ভিটু, বাম নেতা আব্দুর রহিম, উদীচী যশোরের রিয়াদ আহমেদ প্রমুখ।

চশমা প্রতীকের গণসংযোগ অনুষ্ঠিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃহস্পতিবার বিকেলে যশোর বড়বাজার এলাকায় যশোর-৩ সংসদীয় আসনের জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) মনোনীত “চশমা” প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নিজামদ্দিন অমিত হ্যান্ডবিল বিতরণের মধ্যদিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন।
এ সময় দলের জেলা শাখার সহ-সাধারন সম্পাদক খন্দকার জাহিদ হাসান, জেলা শাখার নেতা সিরাজুল ইসলাম, সুশান্ত সরকার, সৌরভ বিশ্বাস, আমিনুর ইসলাম, রিয়াজ হোসেন, রাজু মোল্লা, হাসসন চৌধুরী, শেখ সিফাত হোসেন, শেখ রিফাত হোসেন, মীর হারুন আর রশিদ, মোহাম্মদ বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

