বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট ইসলাম প্রচারক, সমাজসংস্কারক ও চিন্তাবিদ মুন্সী মেহেরুল্লাহর জীবন ও কর্ম নিয়ে গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গবেষক আলো আরজুমান বানুকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামে অবস্থিত মুন্সী মেহেরুল্লাহ জীবনী গবেষণা ফাউন্ডেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (আইইআর) সহকারী অধ্যাপক ও গবেষক আলো আরজুমান বানু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাজী নজরুল ইসলাম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, সাংবাদিক ও কলামিস্ট মশিউল আজম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মুন্সী মেহেরুল্লাহ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মেহের মহব্বত, যশোর সরকারি মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক নাসিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের যশোর আঞ্চলিক পরিচালক শেখ সোহেল আহমেদ, শংকরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নজরুল ইসলাম বুলবুল এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যশোর জেলা বায়তুল মালবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মুনির আক্তার।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মুন্সী মেহেরুল্লাহ শুধু ধর্মপ্রচারক ছিলেন না, তিনি সমাজের কুসংস্কার, অন্যায় ও অসংগতির বিরুদ্ধেও সোচ্চার ছিলেন। ধর্মীয় জাগরণ, সমাজসংস্কার ও চিন্তাচর্চায় তাঁর অবদান ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার জীবন, দর্শন ও কর্ম সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
বক্তারা আরও বলেন, ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের জীবন ও কর্ম সংরক্ষণ এবং গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা জরুরি। এ ক্ষেত্রে মুন্সী মেহেরুল্লাহ জীবনী গবেষণা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে মুন্সী মেহেরুল্লাহর জীবন, চিন্তাধারা, কর্ম ও সমাজসংস্কারে তার অবদান নিয়ে গবেষণায় ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে গবেষক আলো আরজুমান বানুর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন আয়োজকেরা। এ সময় উপস্থিত অতিথি ও ফাউন্ডেশনের সদস্যরা তাকে অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, সাংবাদিক, গবেষক, ফাউন্ডেশনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
