মহেশপুর সংবাদদাতা
মহেশপুরে পূর্ব শত্রুতায় কোদাল দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করা গৃহবধূ জোসনা আক্তার মারা গেছেন। আহত হওয়ার আট দিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়। জোসনা আক্তার উপজেলার নেপা ঘোষপুরের ফারুক হোসেনের স্ত্রী। নিহতের আড়াই ও বার বছরের দুটি সন্তান রয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোসনা আক্তারকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী প্রতিবেশী শহিদুল ইসলাম, তার ছেলে শাহিন ও স্ত্রী শাহিনা খাতুনকে আসামি করে মামলা করেছেন। তবে ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছেন।
জানা গেছে, ঘটনার দিন দুপুরে জোসনা আক্তার বাড়ির পাশের শ্যালো মেশিনে গোসল করতে গেলে শহিদুল ইসলাম হাতে থাকা কোদাল দিয়ে সজোরে মাথায় কোপ দেন। এ সময় জোসনা আক্তার মাটিতে পড়ে গেলে শহিদুল ইসলাম মাথায় পর পর আরো দুটি কোপ দেন।
আহতের ডাক চিৎকারে পরিবারের লোকজন এগিয়ে আসলে শহিদুল ইসলাম পালিয়ে যান। পরে পরিবারের লোকজন জোসনা আক্তারকে উদ্ধার করে প্রথমে মহেশপুর, পরে যশোর সদর হাসপাতাল ও সর্বশেষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় নিহতের স্বামী বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তবে আসামিদের আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।

