রামপাল সংবাদদাতা
রামপালে সাবেক আ.লীগ নেতা পার্থ প্রতিম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ জমি জবরদখলে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এদিকে, প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার পরও জমি ফিরে না পেয়ে ভুক্তভোগী মুরারি মোহন দেবনাথ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগী মুরারী মোহন দেবনাথ প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বরাবর লিখিত অভিযোগে জানান, উপজেলার হুড়কা গ্রামের বাসিন্দা ইউনিয়ন আ.লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পার্থ প্রতিম বিশ্বাস জোরপূর্বক প্রায় ৯.৬০ একর জমি জবরদখলে নেয়।
এর মধ্যে দেড় একর জমি বুঝে পেলেও বাকি জমি দীর্ঘ ১৫ বছর জবরদখলে রেখেছে। সেই প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জমির মালিকানায় নির্ধারণে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে নির্দেশ তিনি উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দ্রুত পার্থকে জমি বুঝিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেও পার্থ জমি বুঝে দেননি। বরং ওই আ.লীগ নেতা (বর্তমানে একটি ইসলামপন্থী দলের হিন্দু শাখার নেতা) জমি বুঝে না দিয়ে বিভিন্ন প্রকার মামলা মকদ্দমা করে হয়রানির করে আসছে।
এমনকি বাদীর ফসলীয় জমিতে অবৈধ মিনি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করেছেন। এতে মুরারি মোহনের প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে এ বিষয়ে রামপাল সদর জামায়াতের সেক্রেটারি শেরওয়ান শেখ শালিস বৈঠক করে জমি ছেড়ে দিতে বললেও পার্থ জমি ছাড়েনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পার্থ প্রতিম বিশ্বাস জানায়, মুরারি মোহন সম্পত্তি পাবেন, কিন্তু যতটুকু দাবী করছেন ততটা পাবেন না। তবে যতটুকু পাবেন সেটুকুও কেন দিচ্ছে না ? জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, তাকে ডাকা হলে তিনি জমি বুঝিয়ে দেবে মর্মে সময় চেয়ে পরবর্তীতে আর হাজির হননি।

