বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও সংগীতানুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে সংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত জেলা শহর যশোরে রোববার পালিত হয়েছে বিশ্ব সংগীত দিবস। ‘সংগীত হোক বিশ্বজয়ের মন্ত্র’ এই প্রতিপাদ্যকেই সামনে রেখে বাংলাদেশ সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ মধুমতি অঞ্চল এর আয়োজন করে।
বিকেল ঠিক পাঁচ টায় বের হয় শোভাযাত্রা। নৃত্য বিতান কার্যালয় প্রাঙ্গন থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে সংক্ষিপ্ত পথপ্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেফমতে গিয়ে শেষ হয়।
পরে একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন। আয়োজন সংগঠন সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ মধুমতি অঞ্চলের সভাপতি সাংস্কৃতিকজন হারুন অর রশিপদর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট যশোরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দিপংকর দাস রতন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড মাহামুদ হাসান বুলু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুলকরিম সোহেল। আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন রফিকুল ইসলাম রফিক। শেষে রড সঙ্গীতানুষ্ঠান। প্রায় দুই ঘন্টার অনুষ্ঠানে সমন্বয় পরিষদভুক্ত ২০ সংগঠনের শতাধিক শিল্পী সংগীত পরিবেশন করে।
শুরুতে সুরধুনী সংগীত নিকেতনের শিল্পীরা সমবেত কন্ঠে পরিবেশন করে নজরুল সংগীত, রিমি রিম ঝিম রিম ঝিম নামিলো দেয়া…।
বাবা দিবস উপলক্ষে তির্যক যশোরের শিল্পী অনুপম দাস পরিবেশন করে ব্যান্ড শিল্পী জেমস এর বাবা নিয়ে সংগীত ‘ছেলে আমার বড়ো হবে মাকে বলত সে কথা.. ।
গানটি সকলের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। বর্ষা নিয়ে গানগুলোও সকলের ভালো লেগেছে।
গোটা অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র, নজরুল, লালন, হাসন, লোক ও ফোক সংগীত পরিবেশিত হয়। সংগীত পরিবেশন করে কিংশুক সংগীত শিক্ষা কেন্দ্র, উৎকর্ষ যশোর, মাইকেল সঙ্গীত একাডেমি, সপ্তসুর সংগীত ও চিত্রকর্ম শিক্ষালয়, শিল্পাঙ্গন, সুরবিতান সংগীত একাডেমি, উদীচী যশোর, তির্যক, শেকড়, সৃষ্টিশীল সংগীত একাডেমি, ভবেরহাট, স্পন্দন, চাঁদের হাট, স্বরলিপি, পুনশ্চ, সুর নিকেতন ও বাউলিয়া সংঘ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কাজী শাহেদ নওয়াজ।

