Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • ইরান–হিজবুল্লাহর সাড়াশি হামলা: ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলে আহত ১৪০, মৃত্যু বেড়ে ১০
  • শামীমের দেয়া উপহার পেয়ে খুশি শ্রমজীবীরা
  • ইরান যুদ্ধ: মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য হারাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
  • যশোরে ডিবির অভিযানে মাদক সেবনের দায়ে ৪ যুবককে সাজা
  • যশোরে জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্তে বিজিবির টহল ও তল্লাশি
  • যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজা ও ফেনসিডিল আটক
  • বিচারহীনতার প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন ও মশাল মিছিল
  • পাইকগাছায় ওলামাদলের সদস্য সচিবকে পিটিয়ে জখম
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
শনিবার, মার্চ ৭
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

যে গ্রামে কোটি কোটি টাকার সবজি চাষ হয়

banglarbhoreBy banglarbhoreডিসেম্বর ২৯, ২০২৩No Comments
Facebook Twitter WhatsApp
Share
Facebook Twitter LinkedIn

শ্যামনগর প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার হাটছালা গ্রামে এক সময় শুধু বর্ষা মৌসুমে ধান উৎপাদন হতো। লবণাক্ততার কারণে বছরের অন্যান্য মৌসুমে ফসল হতো না এখানকার মাটিতে।
দিনমজুরি দিয়েই সংসার চালাতেন স্থানীয়রা। কিন্তু এখন দিন বদলেছে। হাটছালা গ্রামেই সারা বছর ফলে নানা ধরনের শাক-সবজি। এতেই ভাগ্য ঘুরেছে অন্তত ১০০ পরিবারের। বছরে তাদের উৎপাদিত সবজির মূল্য প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা।
যদিও সেচের পানির সংকট রয়েছে তাদের। এ সংকট দূর করা সম্ভব হলে আরও ভালো ফসল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে এখানে।
হাটছালা গ্রামের চাষিরা উৎপাদিত ফসল বিক্রি করেন স্থানীয় নকিপুর, বালিয়াডাঙ্গা ও মৌতলা বাজারে। পরে সেখান থেকেই এসব সবজি চলে যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
প্রচণ্ড লবণাক্ততার মধ্যেও হাটছালা গ্রামে প্রায় ৩০ বছর আগে শাক-সবজির চাষাবাদ শুরু করেছিলেন স্থানীয় মনোতোষ মণ্ডল (৬০)। বাড়ির আঙ্গিনায় বারোমাসি সবজির চাষ থেকে ধীরে ধীরে পুরো গ্রামই এখন সবুজে ভরে উঠেছে। ক্ষতিকর কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার ছাড়াই হাটছালা গ্রামে উৎপাদিত হচ্ছে সবজি।
একসময় ফেরি করে হাতের শাঁখা-পলা বিক্রেতা মনোতোষ সবজি চাষ করেই ঘুরিয়েছেন ভাগ্যের চাকা। এখন তিনি ৮০ শতাংশ জমির মালিক।
এক সময় হাটছালায গ্রামে সনাতন পদ্ধতিতে সবজি চাষ হলেও এখন আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষাবাদ করছেন কৃষকেরা।
ওই গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, অনেক কৃষক গ্রিনহাউজ পদ্ধতির আদলে নিজস্ব পদ্ধতিতে চাষাবাদ করছেন। প্লাস্টিকের স্বচ্ছ আবরণ দিয়ে ঢেকে সেখানে বোম্বাই মরিচ, টমেটো, কাঁচা মরিচ, গাজর, লালশাক, বাটিশাক, পালংশাক, ফুলকপি বাঁধাকপিসহ বিভিন্ন শাক-সবজিতে ভরে উঠেছে ফসলের ক্ষেত।
হাটছালা গ্রামের কৃষক প্রদীপ মণ্ডল জানান, দুই বিঘা জমিতে ফুলকপি, ওলকপি, লালশাক, টমেটো, পালংশাক, বাঁধাকপিসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করেছেন তিনি। গত বছর শীত মৌসুমে সবজি বিক্রি করে আয় করেন প্রায় তিন লাখ টাকা। এ বছর আরও বেশি লাভের আশা করছেন তিনি।
একই গ্রামের কৃষক অনুরুপা মণ্ডল জানান, এক সময় গ্রামগুলোয় নারীরা এতো কাজ করতেন না। তখন সামান্য ধান আবাদ হতো। সে সময় প্রায় প্রতিটি ঘরেই অভাব ছিল। এখন পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও মাঠে কাজ করেন। এ কারণে ১২ মাস সবজি চাষ হয়। এতে অভাবও ঘুচে গেছে এ গ্রামের চাষিদের।
একই এলাকার অনুপ কুমার মণ্ডল জানান, কৃষাণ-কিষাণিরা সমানতালে কৃষি কাজ করছেন। নারীরা ক্ষেত সামলে সংসারের রান্নাসহ ছেলে-মেয়েদের দেখাশোনার দায়িত্বও পালন করেন। ফসল সংগ্রহ, বাজারজাতকরণ এবং নতুন নতুন সবজি ক্ষেত তৈরিসহ অন্য কাজে ব্যস্ত থাকেন পুরুষরা।
কৃষক মনোতোষ বলেন, সবজি চাষের জন্য খুব বেশি জমির প্রয়োজন হয় না। তুলনামূলকভাবে মূলধনও কম লাগে। পরিশ্রমও অনেক কম। তবে যত্নে ত্রুটি করা যাবে না। কম সময়েই সবজি বিক্রির উপযোগী হয়ে ওঠে। প্রায় প্রতিদিনই বাজারে সবজি বিক্রি করা যায়। পরিবারের চাহিদাও মেটানো সম্ভব। এছাড়া চলতি মৌসুমে সবজির দামও বেশ ভালো। সব মিলিয়ে সবজি চাষকেই আমরা লাভজনক মনে করছি। সবজি চাষ করে ভালো আছে অন্তত ১০০ পরিবার।
তবে তিনি আরও জানান, জমিতে সেচের পানি নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় থাকেন গ্রামের কৃষকরা। বৃষ্টির পানিই একমাত্র ভরসা। বৃর্ষা মৌসুমে ক্ষেতের পাশে পুকুর কেটে সংরক্ষণ করে রাখা বৃষ্টির পানিতেই সবজি চাষ করা হয়। তবে তাতে চাহিদা মেটে না। এজন্য বেশি দামে পাশের গ্রাম থেকে সেচের পানি কিনে সবজি চাষ করেন তারা।
মনোতোষের মত অন্যান্য কৃষকের দাবি, সেচের পানির ব্যবস্থা করা হোক। তাহলে এ গ্রামে আরো ভালো ফসল হবে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, তাদের উৎপাদিত শাক-সবজি উপজেলার চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে। পদ্মা সেতুর কারণে এখন গ্রাম ঘুরে পাইকাররা ক্ষেত থেকে সবজি সংগ্রহ করে চালান করেন বড় বড় বাজারে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের (বর্তমান শ্যামনগর পৌরসভা) হাটছালা গ্রামে দেশি সবজি ছাড়াও লবণসহনশীল আলু চাষ হচ্ছে। প্রতি বছর প্রায় এক হাজার ৩৮৪ মেট্রিক টন সবজি উৎপাদিত হয় হাটছালা গ্রামে। যার আর্থিক মূল্য প্রায় পাঁচ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আমরা এখানকার কৃষকদের কারিগরি সহায়তা দিচ্ছি।

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

শামীমের দেয়া উপহার পেয়ে খুশি শ্রমজীবীরা

মার্চ ৬, ২০২৬

যশোরে ডিবির অভিযানে মাদক সেবনের দায়ে ৪ যুবককে সাজা

মার্চ ৬, ২০২৬

যশোরে জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্তে বিজিবির টহল ও তল্লাশি

মার্চ ৬, ২০২৬

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.