মণিরামপুর সংবাদদাতা
যশোরের মণিরামপুরে প্রায় ৩০ বছর আগে স্থাপিত শহিদ মিনার ভেঙে ওয়াশরুম করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কুশোরীকোনা-কামিনীডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই মাঠে স্থাপিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে আসছে। এতে করে আসন্ন মহান একুশে ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে আশংকার সৃষ্টি হয়েছে।
তবে প্রধান শিক্ষকের দাবি মাঠে পানি জমে থাকায় জায়গা সংকটে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বরাদ্দকৃত এই ওয়াশব্লক করা হয়েছে। আগামী শহিদ দিবসের আগেই তিনি নতুন করে শহিদ মিনার নির্মাণ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
জানা যায়, উপজেলার কামিনীডাঙ্গা গ্রামের একই মাঠে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় রয়েছে। এই মাঠে প্রায় ৩০ বছর আগে নির্মিত শহিদ মিনারে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহিদ দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন করে আসছে শিক্ষার্থীরা।
মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কামরুজ্জামান জানান, নিষেধ করার পরও প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ কর্ণপাত করেননি। তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ বলেন, মাঠে পানি থাকায় জায়গা সংকটে ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকদের মতামতের ভিত্তিতে শহিদ মিনার ভেঙে ওয়াশব্লক করা হচ্ছে। অচিরেই নতুন করে একটি শহিদ মিনার করা হবে বলে তিনি জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশাত তামান্না বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিরোনাম:
- জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া যশোর সদর উপজেলা পর্যায় সম্পন্ন
- সালমান শাহ’র মৃত্যুবার্ষিকীতে যশোরে ভক্তদের মানববন্ধন, হত্যার বিচার দাবি
- জমির হারি না দেওয়ায় মামলা দিয়েছি বললেন- বাদী রুহুল আমিন
- শিক্ষকদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষণ
- লাইসেন্স নবায়ন বাদেই চলছে যশোর পপুলার মেডিকেল সার্ভিসেস অ্যান্ড হসপিটাল
- প্রেসক্লাব যশোরের নির্বাচন ১৫ পদে ২৭ মনোনয়ন বিক্রি
- পৈত্রিক ভিটা নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি
- স্থানীয় চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও সহজ অর্থায়নের দাবি যশোরে