কেশবপুর সংবাদদাতা :
যশোরের কেশবপুর পৌর এলাকার কসাইখানায় জবাই করা একটি ছাগলের পেটে দুটি বাচ্চা পাওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে কেশবপুর পৌরসভার কসাইখানায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবদিয়া গ্রামের বাসিন্দা মতিউর রহমান ও তার সহযোগীরা কসাইখানায় একটি ছাগল জবাই করেন।
জবাইয়ের পর ছাগলটির পেট কাটার সময় ভেতরে দুটি বাচ্চা পাওয়া যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
এ সময় স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে সরে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন কেশবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুর রহমান শেখ।
একই সঙ্গে সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারাও উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাংস বিক্রির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়।
এ ঘটনায় ওই মাংস বিক্রেতার দোকানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে কেশবপুর পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান। একইভাবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যথাযথ স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নিয়মনীতি অনুসরণ না করে পশু জবাই এবং মাংস বিক্রি করা হলে জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তারা কসাইখানায় পশু জবাইয়ের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
