Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • পাইকগাছায় ‘স্থানীয় সরকার বাজেট প্রণয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
  • মণিরামপুরে সরকারি সহায়তার চেক বিতরণ
  • দুর্গাপূজায় নাশকতার চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা: এসআরবি
  • দুই সন্তানসহ যশোরের দম্পতির মৃত্যু ডিএনএ পরীক্ষার দাবি পরিবারের
  • মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান বিদেশি অস্ত্র-গুলি ও মাদক উদ্ধার
  • বায়সা মন্দির পরিদর্শনে আবুল হোসেন আজাদ
  • সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে বাকশিস নবনির্বাচিতদের মতবিনিময়
  • মুরিয়ায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে শারদীয় দূর্গাৎসব
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Monday, October 19
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
বাংলাদেশ

কোস্ট গার্ডকে ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

banglarbhoreBy banglarbhoreMarch 11, 2024No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

বাংলার ভোর ডেস্ক

সরকার একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে (বিসিজি) অতি-আধুনিক স্মার্ট প্রযুক্তি, জাহাজ ও হেলিকপ্টার দিয়ে সজ্জিত করে একটি আধুনিক ও ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপান্তরিত করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সকালে ঢাকার আগারগাঁওয়ে কোস্ট গার্ড সদরদপ্তরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং কোস্ট গার্ড দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ পিছিয়ে থাকবে না। বাহিনীতে আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক জাহাজ, হেলিকপ্টার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে কোস্ট গার্ড একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার সক্ষমতা অর্জন করবে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমি দুটি হেলিকপ্টার উইংসহ এভিয়েশন উইং গঠনের নীতিগত অনুমোদন প্রদান করেছি যা সংযোজনের মাধ্যমে কোস্ট গার্ডকে ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

কোস্ট গার্ডকে আধুনিক ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে খুব শিগগিরই এই বাহিনীতে উন্নত প্রযুক্তির জাহাজ, মেরিটাইম সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম, হোভারক্রাফট ও দ্রুতগতিসম্পন্ন বোট যুক্ত হতে যাচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, পাশাপাশি সমুদ্র নির্ভর পেশায় নিয়োজিত জনসাধারণের ও নৌ পথের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ডের গভীর সমুদ্রে টহল উপযোগী আরও চারটি ওপিভি, দুটি মেরিটাইম ভার্সন হেলিকপ্টার সংগ্রহের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে ভি-স্যাটনেট কমিউনিকেশন সিস্টেম এবং ছয়টি স্টেশন ও আউটপোস্ট এবং তাদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পেরও উদ্বোধন করেন।
তিনি জানান, ভি-স্যাটনেট কমিউনিকেশন সিস্টেমের অন্তর্ভুক্তি কোস্ট গার্ডকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সঙ্গে সংযুক্ত করবে এবং যোগাযোগ ও অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

গত ১৫ বছরে চারটি অফশোর প্যাট্রল ভেসেলসহ বিভিন্ন আকারের ১৬টি জাহাজ ও ১৩৮টি বোট কোস্ট গার্ড বহরে সংযোজিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গভীর সমুদ্রে কোস্ট গার্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ এর সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য আজ কোস্ট গার্ডের নবসংযোজিত ভি-স্যাটনেট সিস্টেম ও ঢাকা জোন, পূর্ব জোন এবং দক্ষিণ জোনের বিভিন্ন ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জন্য নয়টি প্রতিস্থাপক জাহাজ নির্মাণের লক্ষ্যে একটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ১৯৯৫ সালে স্বল্প পরিসরে যাত্রা শুরু করে দীর্ঘ ২৯ বছরে আজ একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠেছে।

তিনি জানান, ১৯৯৪ সালে জাতীয় সংসদের তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগের আনীত বিলের কারণেই ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড’ একটি আধা-সামরিক বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এরপর ১৯৯৬ সালে গঠিত আওয়ামী লীগ সরকার কোস্ট গার্ডের বিভিন্ন জোনের জন্য ভূমি বরাদ্দ, অবকাঠামো নির্মাণ এবং নতুন নতুন জলযান সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের অগ্রযাত্রায় বিশেষ অবদান রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের উপকূলীয় এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোস্ট গার্ডের স্টেশন ও আউটপোস্টগুলোতে কোস্টাল ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টারসহ বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন আকারের জলযান নির্মাণ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কোস্ট গার্ডের জোনসমূহে কর্মরত সদস্যদের বাসস্থান, ব্যারাক ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পটুয়াখালী অঞ্চলে নিজস্ব প্রশিক্ষণ বেইস তৈরির মাধ্যমে কোস্ট গার্ডের জনবলের প্রশিক্ষণ সক্ষমতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা পরবর্তী সময়ে তিনি নিজেই ‘বিসিজি বেইস অগ্রযাত্রা’ নামে কমিশন করেছেন।

পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জন্য ইনশোর প্যাট্রল ভেসেল, ফ্লোটিং ক্রেন, টাগ বোট এবং বিভিন্ন ধরনের হাইস্পিড বোট তৈরি করা হয়েছে। এ বাহিনীর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় একটি ডকইয়ার্ড নির্মাণ করা হয়েছে।

আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন জাহাজ ও সরঞ্জামের অন্তর্ভুক্তি কোস্ট গার্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এ বাহিনীর অধিকতর সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে— এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, সুনীল অর্থনীতি ও সমুদ্রে নিরাপত্তা প্রদানের জন্য কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়নে রূপকল্প ২০৩০ ও ২০৪১ অনুযায়ী বর্তমান জনবল ধাপে ধাপে বৃদ্ধি করে ১৫ হাজার জন করার পরিকল্পনাও তার সরকারের রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সমুদ্র সম্পদের ওপর দেশের জনগণের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে ‘দি টেরিটেরিয়াল ওয়াটার্স এন্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট’ প্রণয়ন করেন। যদিও জাতিসংঘ এই আইন প্রণয়ন করে ১৯৮২ সালে। তবে, ’৭৫ পরবর্তী জিয়া, এরশাদ এবং খালেদা জিয়ার সরকারগুলো এই আইন বাস্তবায়নের কোন উদ্যোগই গ্রহণ করেনি। ’৯৬ সালে দীর্ঘ ২১ বছর পর সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ আবার এনিয়ে কাজ শুরু করে এবং সমুদ্রে আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়।

তিনি বলেন, তার সরকার বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া পররাষ্ট্রনীতির পথ অনুসরণ করেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে প্রতিবেশি ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়ে বিশাল সমুদ্র এলাকায় দেশের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।

স্থলভাগে সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের দৃষ্টিও এখন সমুদ্র অঞ্চলের দিকে একথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমুদ্রপথে আমাদের শতকরা ৯০ ভাগ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে এবং সুনীল অর্থনীতির বিশাল ভাণ্ডার মজুত রয়েছে এই বঙ্গোপসাগরে। এই সম্পদের অন্বেষণ, আহরণ এবং সংরক্ষণ আমাদের দায়িত্ব।”

তিনি বলেন, “এই সমুদ্রসীমায় আমাদের যে বিশাল সম্পদ রয়েছে সেই সমুদ্র সম্পদ যাতে আমাদের অর্থনীতিতে কাজে লাগে সেজন্য ‘ব্লু ইকোনমি’ নীতি বাস্তবায়ন করছে সরকার। তাছাড়া সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটও আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি। কারণ গবেষণাটা একান্তভাবে দরকার।”

মৎস গবেষণায় তার সরকার জাহাজের ব্যবস্থা করেছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সার্বিক সমুদ্র গবেষণার জন্য জাহাজ সংগ্রহের পদক্ষেপও সরকার নিচ্ছে এবং পর্যটন শিল্পকেও গড়ে তুলছে।

তিনি বলেন, “দীর্ঘ ৮০ মাইল বালুকাময় সমুদ্র সৈকত আমাদের রয়েছে, যা অন্য কারও নেই। কাজেই সেটাকে ব্যাপকভাবে কাজে লাগিয়ে পর্যটন শিল্পকে আরও উন্নত ও আকর্ষণীয় করাই সরকারের লক্ষ্য।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানটা এমন যেখানে আমরা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের একটি সেতুবন্ধন রচনা করতে পারি। সেভাবেই আমাদের দেশকে আমরা গড়ে তুলতে চাই। সে ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটা আমাদের একান্তভাবে দরকার।

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মানুষের জানমাল রক্ষা করা, গভীর সমুদ্রে যারা যান, মৎস আহরণে বা অন্যান্য কাজে তাদের নিরাপত্তা দেয়া, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যাসহ দেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষেত্রেও আমি মনে করি এই বাহিনী যথাযথ অবদান রাখতে পারবে।

কোস্ট গার্ডের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের বন্ধু হিসেবেই নিজেদের দায়িত্ব পালন করবেন। নিজেদের আস্থা অর্জনের মধ্যদিয়ে।

সরকার আধুনিক স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকেও আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান নির্ভর করে গড়ে তুলছে এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আত্মমর্যাদা ও আত্মসম্মান নিয়ে বিশ্বে মাথা উঁচু করেই চলতে চাই। সেজন্য দেশের প্রতি ইঞ্চি অনাবাদি জমিকে চাষের আওতায় এনে সার্বিক উৎপাদন বাড়ানোর জন্যও তিনি তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি আমরা। সেই বিজয়ের পতাকা সমুন্নত রেখেই দেশকে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দারিদ্র্যের হার হ্রাসসহ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি সরকার বাস্তবায়ন করছে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে আর একটি মানুষও ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না, সকলেরই মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করা হবে। ডেল্টা পরিকল্পনা -২১০০’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে জলবায়ুর অভিঘাত মোকাবেলা করে আগামী প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যত নিশ্চিত করারও পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে বলে জানান সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাবে এবং ২০৪১ সাল নাগাদ জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলব।
প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বর্তমান ও সাবেক কোস্ট গার্ড সদস্যদের অবদান ও সাহসিকতার জন্য তাদের মাঝে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পদক, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড (সেবা) পদক, রাষ্ট্রপতি কোস্ট গার্ড পদক এবং রাষ্ট্রপতি কোস্ট গার্ড (সেবা) পদক প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মীর এরশাদ আলী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি সুসজ্জিত চৌকষ দল প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে এবং রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়।

নবসংযোজিত কোস্ট গার্ড ভি-স্যাটনেট সিস্টেমের ওপর অনুষ্ঠানে একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়। প্রধানমন্ত্রী পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপভোগ করেন। বাসস।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    পাইকগাছায় ‘স্থানীয় সরকার বাজেট প্রণয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    October 19, 2026

    মণিরামপুরে সরকারি সহায়তার চেক বিতরণ

    October 19, 2026

    দুর্গাপূজায় নাশকতার চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা: এসআরবি

    October 19, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.