সাতক্ষীরা সংবাদদাতা
আমরা ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজ ও সিণ্ডিকেটের অস্তিত্ব থাকবে না। যারা কালো টাকার দিকে হাত বাড়াবে, তাদের প্রতিহত করা হবে। একটি দল একদিকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলাছে, অন্যদিকে নারীদের অসম্মান করেছে। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সাতক্ষীরা জেলা জামাতের আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামাতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আরো বলেন, আমরা ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করব। কোনো আধিপত্যের কাছে মাথা নত করব না। অতীতে যারা জুলুমের শিকার হয়েছেন, তাদের মধ্যে অনেকে জালিমের ভূমিকা পালন করছেন। যুবসমাজকে ভাতা দিয়ে ছোট করতে চাই না। তাদের দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলেতে চাই। সর্বোপরি তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সাতক্ষীরার মানুষ ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে থাকায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় এখানে কোন উন্নয়ন হয়নি। সাতক্ষীরা ছিল সবচেয়ে অবহেলিত জেলা। সাতক্ষীরাকে দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে ২০১৫ সালে সাতক্ষীরায় সফরের স্মৃতিচারণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে এসেছিলেন। “যে মায়েরা সন্তান হারিয়েছেন, যে শিশুরা বাবাকে হারিয়ে কষ্টে আছে তাদের চোখের পানি আমি দেখেছি,” স্মৃতিচারণ করেন তিনি। তিনি ভারতকে ইঙ্গিত ও আইসিসির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহবান জানিয়ে বলেন, আমরা প্রতিবেশীদেরকে বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই। তবে কাউকে প্রভু হিসেবে আসতে দেয়া হবে না বলে হুশিয়ার উচ্চারণ করেন তিনি।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ আসনের প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ আসনের প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।

Share.
Exit mobile version