বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়ার অভিযোগে ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সংগঠন। বুধবার যশোর জেলা ছাত্রদল ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল পৃথকভাবে এ নোটিশ জারি করে।
নোটিশপ্রাপ্তরা হলেন, যশোর নগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুমন আহমেদ এবং যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য হামিদুর রহমান রাজীব।
জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাহ নেওয়াজ ইমরান স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, গত ৯ জুন সন্ধ্যা ৭টার দিকে যশোর শহরের পশ্চিম বারান্দীপাড়া এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত দায়িত্ব পালনের সময় তাদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে সুমন আহমেদের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে।
এসব ঘটনায় সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করছে জেলা ছাত্রদল। এ কারণে কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি ও সদস্যসচিব শাহ নেওয়াজ ইমরানের কাছে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও দপ্তরের দায়িত্বে থাকা শামীম আখতার স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, একই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এ বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল ও সদস্যসচিব রাজিদুর রহমান সাগরের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে রাজীবকে।
দলীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর যশোর সদর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক নুরুন্নবী একজন কনস্টেবলকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মিত তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করছিলেন।
এ সময় সুমন আহমেদ ও হামিদুর রহমান রাজীবকে তল্লাশির জন্য ডাকলে তারা নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় দেন। পরে তল্লাশি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।
কিছুক্ষণ পর আরও ২০-২৫ জন নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে তারা ওই দুই নেতার পক্ষে কথা বলেন এবং পরে সুমন ও রাজীবকে নিয়ে চলে যান। যা সংগঠনের নেতৃবৃন্দর নজরে আসায় তাদেরকে শোকজ করা হয়।

