জীবননগর সংবাদদাতা
প্রবাসী নাজমুল হোসেনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ তুলেছে তার পরিবার। এসব তথ্য প্রচার করে নাজমুলকে সামাজিকভাবে হেয় ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি পরিবারের।
বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল হোসেনের চাচা রেজাউল হোসেন সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে রেজাউল হোসেন বলেন, তার ভাতিজা নাজমুল হোসেন বর্তমানে প্রবাসে রয়েছেন।
নাজমুলের মাধ্যমে আরিফ, ওমি, মিরাজ ও সুজনসহ কয়েকজন বিদেশে যান। বিদেশে যাওয়ার পর আরিফ অসুস্থ হয়ে পড়লে নাজমুল নিজ উদ্যোগে তার টিকিটের ব্যবস্থা করে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।
তিনি আরও বলেন, ওমি বিদেশে যাওয়ার পর প্রায় আড়াই মাসের মধ্যে গাড়ির লাইসেন্স করতে পারেননি। পরে ওমি নিজেই মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেখানে চলে যান। এরপর তার কর্মস্থল বা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নাজমুলের কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।
রেজাউল হোসেনের দাবি, ওমির কাছে নাজমুলের প্রায় দুই লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। ওই টাকা পরিশোধ না করার বিষয়কে কেন্দ্র করে নাজমুলকে নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও পত্রপত্রিকায় মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, মিরাজ ও সুজনও একই মাধ্যমে বিদেশে গিয়েছিলেন এবং তারা সেখানে কাজ পেয়েছেন। কিন্তু ওমি পরবর্তীতে নিজের সিদ্ধান্তে মালিকের কাছে চলে যাওয়ার পর তার বিষয়ে নাজমুলের কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না।
রেজাউল হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের পাশাপাশি নাজমুলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগসহ বিভিন্নভাবে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে নাজমুল ও তার পরিবারের সদস্যরা সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, তারা কারও বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে কোনো বিরোধে যেতে চান না। প্রকৃত ঘটনা যাচাইয়ের মাধ্যমে সত্যটি সামনে আসুক—এটাই তাদের প্রত্যাশা।
