বাংলার ভোর প্রতিবেদক
দিনব্যাপি নানা আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের সূবর্ণজয়ন্তী ‘জাগরণের ৫০ বছর’। দিনটি উপলক্ষে বুধবার সকাল থেকে যশোর শহরের মুজিব সড়কে সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। যা চলে রাত পর্যন্ত।

‘জাগরণের ৫০ বছর’ শীর্ষক ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের দুই পর্বের এ আয়োজনে সকালে ছিলো-পাঁচ শতাধিক নানা শ্রেণী পেশার মানুষের অংশগ্রহণে জাগরণ শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম।

জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আজাদুল কবির আরজু। এর আগে ৫০ জন সংগীত শিল্পীর অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীতের সাথে অতিথিদের জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ৫০ জন সুবিধাভোগীর মাধ্যমে ৫০টি কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে জাগরণ জয়যাত্রার শুভ সূচনা হয়।

পরে সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের বরেণ্য ২৫ জন ও উদীয়মান ২৫ জন চিত্রশিল্পীর অংশগ্রহণে দিনব্যাপি চিত্রজাগরণ আর্টক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

একই সময়ে ৫০ শিশু শিক্ষার্থীকে জাগরণের উদ্দীপনামূলক গল্প শোনান ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তি। বিকেলে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন কার্যালয়ের পার্শ্ববর্তী মাঠে অনুষ্ঠিত হয় জাগরণ সমাবেশ।

অনুষ্ঠানে জাগরণের ৫০ বছর শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, প্রান্তিক সুবিধাভোগী ৫ জনের জীবনকথা, সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, আর্টক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী প্রখ্যাত ২৫ জন চিত্রশিল্পী, যশোরের বিশিষ্টজন, সংস্থার সাবেক ও বর্তমান সাধারণ পরিষদ সদস্য এবং ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে কর্মরত স্টাফ ও তাদের স্ত্রী/মা’কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সরকারি এমএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আফসার আলী, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের উপনির্বাহী পরিচালক মেরীনা আখতার, সাবেক উপপরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রব, টিএমএসএস’র নির্বাহী উপদেষ্টা খায়রুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মনিরুজ্জামান, ওয়ালটনের সিনিয়ার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আহমেদ তানভির প্রমুখ। অতিথি ও সুধীবৃন্দের বক্তব্য শেষে সন্ধ্যায় জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের কমিউনিটি স্কুলের শিশু শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নৃত্যানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া ব্যঞ্জণ থিয়েটারের নাটিকা ‘যশস্বী আর্যপুত্র, সঙ্গীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
শেষ পর্বে ৫০টি আতসবাজির বিচ্ছুরণ ঘটানো হয়।

Share.
Exit mobile version