বাংলার ভোর প্রতিবেদক
মাঘের শেষ সন্ধ্যায় যশোরে পৃথক স্থানে ছিল বসন্ত উৎসব। ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নিতে বাসন্তী রঙে সেজে তরুণ তরুণী মেতেছিল উৎসবে। বিকেল থেকে শুরু করে সাড়ে সাতটার মধ্যেই শেষ হয়ে যায় সব আয়োজন।
যশোর পৌর উদ্যানে বরাবরের মতোই এবারও উদীচী যশোর মেতে ওঠে আগমনী বসন্ত উৎসবে। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে এই উৎসবের অনুষ্ঠানের ডালিতে ছিল সংগীত, নৃত্য আর আবৃত্তি।
বসন্ত রাগে বসন্তের বন্দনা দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু। সমবেত কন্ঠে ‘মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে’ সকলের হৃদয়কে নাড়িয়ে দেয়।
বসন্ত-ফাল্গুন নিয়ে রচিত ভালো লাগার সব গানগুলো দিয়েই সাজানো ছিল অনুষ্ঠানের ডালা। ছেলে মেয়ে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় দুইশত শিল্পী অংশ নেয় এই অনুষ্ঠানে।
ছোটদের পরিবেশনায় বৃন্দ আবৃত্তি ও ভালো লাগার মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। উদীচীর এই আয়োজনকে ঘিরে পৌর পার্কে হাজারো তরুণ তরুণী ছেলে বুড়ো সকলেই ছিল মাতোয়ারা।
অপরদিকে টাউন হল ময়দানে  পুনশ্চ যশোরের অনুষ্ঠানমালা। বিকেল গড়ানোর সাথে সাথেই ময়দানে রওশন আলী মঞ্চের শতাব্দিবৃক্ষ তলে পুতুল পুতুল সোনামনি সৃষ্টি, সম্পূর্ণা, তাসফিয়া, সাত্যকি, অর্ঘ্য, আদর্শিনী, স্নিগ্ধা, অদ্রিজা, প্রিয়ন্তী ও গীতিকা সমবেত কন্ঠে পরিবেশন করে সংগীত ‘আহা কি  আনন্দ আকাশে বাতাসে..। পুনশ্চের অনুষ্ঠানের ডালিতেও ছিল সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি। শতাধিক শিল্পী অংশ নেয় গোটা অনুষ্ঠানে।  তবে শিশু শিল্পীদের উপস্থিতি ছিল বেশি। দ্বৈত সংগীত ও সমবেত সঙ্গীত এবং নৃত্য  সকলকে মাতিয়ে দিয়েছে। শুরুতেই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পান্না দে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

Share.
Leave A Reply Cancel Reply
Exit mobile version