Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • যশোরে পৃথক ঘটনায় তিন নারী-পুরুষ আহত
  • বাজারদর মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে যাওয়ার শংকা যশোরের বিক্রেতাদের
  • আফসার আলী শুধু একটি নাম নয় : ইতিহাস, চেতনা আর প্রেরণার উৎস
  • শার্শায় শহিদ ও রেজাউল পক্ষের বোমা-গুলির ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
  • গুপ্ত আর সুপ্ত এক হয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে চুড়ামনকাঠি হাট সভায় : প্রতিমন্ত্রী অমিত
  • যশোরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল
  • যশোর পৌরসভার ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা-ড্রেনেজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন প্রতিমন্ত্রী অমিতের
  • কোটচাঁদপুর গৃহবধূর আত্মহত্যা নিয়ে রহস্য
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Saturday, September 26
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

বাজারদর মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে যাওয়ার শংকা যশোরের বিক্রেতাদের

banglarbhoreBy banglarbhoreSeptember 26, 2026No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

কাজী নূর :
জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলাফল ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে গোটা অর্থনীতিতে। বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দাম। ইতোমধ্যে বেড়েছে পরিবহন খরচ।

যা গোটা বাজার ব্যবস্থাকে শংকা তৈরি করতে পারে। ব্যবসায়ীরা আশংকা করছেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষদের নাগালের বাইরে চলে যাবে নিত্যপণ্যের বাজার। জ্বালানী তেলের বর্ধিত মূল্য পণ্য বিক্রির মাধ্যমে তা ভোক্তার উপরে ওপর চেপে বসবে।

শুক্রবার সকালে যশোরের হাজী মোহাম্মদ মহসিন রোড বড়বাজার ঘুরে মিলেছে এসব তথ্য। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নিত্যপণ্যের বাজার অস্থিতিশীল না হলেও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ কাজ করছে। বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ পণ্যের ওপর যোগ হবে এবং স্বাভাবিকভাবে তা ভোক্তার উপরেই বর্তায়।

কালীবাড়ী রোড বাজার ও নিচের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে মানভেদে বেগুন কেজি প্রতি সর্বোচ্চ ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পুইশাক ৩০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, আমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ঢেড়স ৪০ থেকে ৬০ টাকা, সবুজ শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শষা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরমুখি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুরলতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কুশি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাঁচা কলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, কাকরোল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ওল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, ডাটা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মানকচু ৫০ টাকা ও লাউ পিস হিসেবে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া আগাম শীতকালীন সবজি ফুলকপি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, শিম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, বাধাকপি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, মুলা ৩০ থেকে ৫০ টাকা, মিচুরি ৮০ টাকা, জলপাই ৮০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

সবজি বিক্রেতা জাহিদ হাসান পরশ বলেন, আমরা বাড়তি পরিবহন খরচে পণ্য বাজারে আনছি ঠিকই। কিন্তু খুচরা পর্যায়ে তার প্রভাব এখনো পড়েনি। এ সপ্তাহ গেলে বাড়তি পরিবহন খরচ মালের সাথে যোগ হবে।

এর বিপরীতে ভোক্তা বলছেন লিটারে বেড়েছে ২০ টাকা। কিন্তু অনেক পণ্যে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে বিক্রেতা ব্যক্তিগতভাবে অতিরিক্ত লাভবান হচ্ছে আর গোটা জাতির উপরে চাপ বাড়ছে।

এ সময় কথা অ্যাড. আরিফুল ইসলাম শান্তির সঙ্গে তিনি বাংলার ভোরকে বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব যে পড়েনি তা নয়। কারণ আমাদের জীবনের সবকিছুর সঙ্গে জ্বালানী তেল সম্পর্কযুক্ত। তাই বাজারে সবকিছুর দাম দাম এটা স্বাভাবিক এবং ভোক্তাদের সেটি মেনে নেয়ার বিকল্প নেই। তবে সরকারকে বাজার তদারকি করতে হবে যেন, বাজার অস্থিতিশীল না হয়ে যায়।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে ৩ কেজি সাইজের রুই কেজি প্রতি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, আড়াই কেজি সাইজের কাতলা ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, নাইলোটিকা ২২০ টাকা, ভেটকি ৮৫০ টাকা, বেলে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, পুঁটি ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা, টেংরা ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, চাপলে ৪০০ টাকা, কৈ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙাশ ১৮০ থেকে ৩০০ টাকা, পারশে ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা, আইড় ৭০০ টাকা, পাবদা ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা, বাগদা চিংড়ি ৮০০ টাকা, হরিণা চিংড়ি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা ও চাকা চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

মাছ বিক্রেতা বিশ্বদেব বিশ্বাস বলেন, বছরে এ সময়ে ইলিশের চাপে স্বাদু পানির মাছের বিক্রি কিছুটা হ্রাস পায়। এবার ভিন্ন বাজার। স্বাদু পানির মাছের সরবরাহ ভালো বিক্রিও ভালো।

কথা হয় পাইপপট্টির বাসিন্দা শহিদুল আলম খোকনের সঙ্গে। তিনি বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় আজ মাছের দাম কম মনে হচ্ছে।

ইলিশের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ১ কেজি সাইজের ইলিশ মানভেদে ২৫০০ থেকে ২৮০০ টাকা, ৯০০ গ্রাম সাইজের ইলিশ ২০০০ টাকা, ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম সাইজের ইলিশ ১৪০০ টাকা ও ২৫০ গ্রাম সাইজের ইলিশ ৭০০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

ইলিশ বিক্রেতা এরশাদ আলী বলেন, বাজার থেকে ভারতীয় ইলিশ বিতাড়িত হওয়ায় চিন্তামুক্ত হয়েছি। গত কয়েকদিনে ভয়ে অনেকে মাছ কিনতে পারেনি।

আপনাদের মাধ্যমে ভোক্তাদের বাজারে আসার আহবান জানাই। আরো জানাই আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে সরকারি নির্দেশে ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে।

গরীবশাহ সড়কের বাসিন্দা নাজিম আহমেদ বলেন, বাজারে ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। দাম কিছুটা কমেছে সত্য।

মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, সোনালি ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা ও লেয়ার ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকা বিক্রি হয়েছে।
সাদ্দাম ব্রয়লার হাউজের স্বত্বাধিকারী সাদ্দাম মোল্লা বলেন, খামারী কথা অনুযায়ী আগামী সপ্তাহে মুরগির দাম বৃদ্ধির আশংকা রয়েছে।

চালের বাজার চাউল চান্নী ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে বাসমতি চাল কেজি প্রতি ৭৬ থেকে ৮০ টাকা, আটাশ ৫২ থেকে ৫৫ টাকা, সুবর্ণলতা ৫৫ টাকা, নূরজাহান ৫০ টাকা, নাজিরশাল ৯৫ টাকা, বিল আমন ৬০ টাকা, মিনিকেট ৫৫ থেকে ৬০ টাকা ও পাইজাম ৪৯ টাকা বিক্রি হয়েছে।

চাল বিক্রেতা নিউ মা কালী ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী অভিজিৎ ভৌমিক বলেন, দাম বৃদ্ধি আশংকা রয়েছে, কারণ তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

মুদিপণ্যের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে খোলা সয়াবিন তেল কেজি প্রতি ২০৬ থেকে ২০৭ টাকা, সরিষার তেল ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, পাম তেল থেকে ১৮৬ থেকে ১৯০ টাকা, সুপার তেল ১৯৫ টাকা, পোলাও চাল ১৪০ থেকে ২৩০ টাকা, আটা ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, ময়দা ৬২ থেকে ৬৮ টাকা, ছোলার ডাল ১০০ থেকে ১১০ টাকা, বুটের ডাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, মুগ ডাল ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, মসুরির ডাল ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, সাদা চিনি ১১০ টাকা, লাল চিনি ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, রসুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা ও আদা ১৯০ থেকে ২১০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

মুদিপণ্য বিক্রেতা হিমু স্টোরের স্বত্বাধিকারী গোপাল চন্দ্র ঘোষ বলেন, বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। তবে বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধি বলে গেছে যে, তাদের পণ্যের দাম বাড়বে।

ডিমের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে হালি প্রতি লাল ডিম ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, সাদা ডিম ৪২ থেকে ৪৬ টাকা বিক্রি হয়েছে।

ডিম বিক্রেতা শহীদুল ইসলাম বলেন, সাতক্ষীরা এবং পাবনা থেকে ডিম আসছে। পরিবহন খরচ যেহেতু বৃদ্ধি পেয়েছে ডিমের উপর সেটি যোগ হবে।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    যশোরে পৃথক ঘটনায় তিন নারী-পুরুষ আহত

    September 26, 2026

    আফসার আলী শুধু একটি নাম নয় : ইতিহাস, চেতনা আর প্রেরণার উৎস

    September 26, 2026

    শার্শায় শহিদ ও রেজাউল পক্ষের বোমা-গুলির ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ

    September 25, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.