শার্শা সংবাদদাতা
বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩৭ নম্বর শেড থেকে নিখোঁজ হওয়া ১৯ প্যাকেজ ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার বিকেলে বন্দর ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শেডের ভেতরে পুরোনো নিলামের মালামালের আড়ালে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ মার্চ মিথ্যা ঘোষণায় ভারত থেকে আমদানিকৃত একটি চালানে বেকিং পাউডারের আঁড়ালে বিপুল পরিমাণ শাড়ি, থ্রি-পিস, বেবিওয়্যার ও প্রসাধনী জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত ১০৮ প্যাকেজ পণ্য বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডে রাখা হয়েছিল। গত ২ জুন পুনরায় ইনভেন্টরি করতে গিয়ে কাস্টমস কর্মকর্তারা ১৯টি প্যাকেজ কম পান। এ ঘটনায় কাস্টমসের পক্ষ থেকে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ঈদুল আজহার ছুটির আগে পণ্যগুলো পাচারের উদ্দেশ্যে পুরোনো নিলামের মালের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, তবে সুযোগ না পাওয়ায় বন্দর থেকে বের করা সম্ভব হয়নি।
সোমবার অন্য একটি চালানের ইনভেন্টরি করার সময় পণ্যগুলোর সন্ধান মেলে। জব্দকৃত এই চালানের আমদানিকারক যশোরের ‘সাফা ইমপেক্স’ এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ছিল বেনাপোলের ‘মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজ’। এই চালানের মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য এনে ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানান, উদ্ধার হওয়া ১৯ প্যাকেজ আগের জব্দকৃত চালানেরই অংশ। এ ঘটনায় কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার তৌফিকুর রহমান জানান, উদ্ধারকৃত পণ্য গণনা ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে।

