Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • মেয়ের বান্ধবী খুব খারাপ জিজ্ঞাসাবাদের দাবি মায়ের
  • বেশি দামে আগাম শীতকালীন সবজি, খুশি ব্যবসায়ীরা
  • ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহারের উদ্যোগ চালকদের আয় বাড়ার সম্ভাবনা : প্রতিমন্ত্রী অমিত
  • যশোরে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ৪৮ ফ্ল্যাটের ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
  • একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে নির্বাক বাবা-মা দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় তাজমিন
  • সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী অমিত
  • ইসলামী যুব আন্দোলনের যশোরের সভাপতি খাইরুল বাশার ও সম্পাদক আব্দুল আউয়াল
  • স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি স্বামীর
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Friday, October 9
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

বেশি দামে আগাম শীতকালীন সবজি, খুশি ব্যবসায়ীরা

banglarbhoreBy banglarbhoreOctober 9, 2026No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

কাজী নূর ও কামরুজ্জামান টিটু
শুক্রবার সকালে যশোরের হাজী মোহাম্মদ মহসিন রোডের বড়বাজার ও ঘোপ বউবাজার সরেজমিনে ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে মানভেদে প্রতি কেজি ফুলকপি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, মূলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শিম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, পালংশাক ৯০ থেকে ১২০ টাকা, মিচুড়ি ১২০ টাকা, টমেটো ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং মেটে আলু ১০০ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতা বাবলু শেখ জানান, তিনি বাঘারপাড়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। তাঁর এলাকার অধিকাংশ মাঠজুড়ে এখন শোভা পাচ্ছে আগাম শীতকালীন সবজি। সেই সঙ্গে তাঁর উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের সবজির পাইকারি মোকাম ভাটারামতলা ও পুলেরহাট বাজারে আগাম শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে। কারণ, এই মুহূর্তে আগাম সবজির প্রতি ভোক্তাদের চাহিদা অনেক বেশি। স্বাদেও রয়েছে নতুনত্ব।

আরেক বিক্রেতা চুড়ামনকাটি এলাকার বাসিন্দা ইন্তাজ আলী বলেন, আব্দুলপুর, শলুয়া, বিজয়নগর, লাউখালি ও কাশিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মাঠে এখন আগাম শীতকালীন সবজি চাষ হচ্ছে। এসব সবজি বাজারে তুলেই কৃষকের মুখে হাসি ফুটছে।

ইন্তাজ আলী আরও বলেন, গত বছর এ মৌসুমে বৃষ্টির কারণে কৃষকের অনেক ক্ষতি হয়েছিল। তবে এবার মনে হচ্ছে, আল্লাহ রহমত করেছেন। আবহাওয়া বিরূপ না হলে এবার আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করে কৃষকেরা লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা করছেন তিনি।

আরেক বিক্রেতা মারুফ হাসান বলেন, মৌসুমি সবজির তুলনায় আগাম শীতকালীন সবজি বেশি কিনছেন ক্রেতারা। যার যেমন সামর্থ্য, তিনি সেই পরিমাণেই কিনছেন।

শহরের মাওলানা মোহাম্মদ আলী সড়কের বাসিন্দা শেখ ওয়ালিউল ইসলাম বলেন, পূর্ণ শীতের চেয়ে এখন শীতকালীন সবজি খেতে বেশি মজা। তবে দাম বেশি হওয়ায় অল্প করে কিনেছেন তিনি।

ঘোপ বউবাজারের বাসিন্দা মরিয়ম বেগম বলেন, তিনি বউবাজার থেকে নিয়মিত বাজার করেন। আজ ১০০ টাকা কেজি দরে ফুলকপি কিনেছেন। তিনি জানান, এ বাজারে দূরদূরান্ত থেকে বিক্রেতারা সাইকেলে করে সবজি নিয়ে আসেন। দুপুরের মধ্যেই সবজি বিক্রি শেষ করে তাঁরা বাড়ি ফিরে যান।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি কলা মানভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কচুর মুখী ৩০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ঝিঙে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১২০ টাকা, কাকরোল ৮০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ৩০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ওল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ধুন্দল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, উচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কুশি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, সবুজ শাক ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং মানকচু ৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া আকারভেদে প্রতিটি লাউ ২০ থেকে ৩০ টাকা এবং চালকুমড়ো ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

বিক্রেতা ফসিয়ার রহমান বলেন, শুক্রবার এমনিতেই বেচাকেনা ভালো হয়। তবে মৌসুমি সবজির তুলনায় আগাম শীতকালীন সবজির চাহিদা বেশি।

শহরের বারান্দী নাথপাড়ার বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ বলেন, মৌসুমি সবজির দাম কম, আর শীতকালীন সবজির দাম অনেক বেশি। সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে। তখন কিনবেন তিনি।

মুদিপণ্যের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেল ২০৮ থেকে ২১০ টাকা, সরিষার তেল ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, পাম তেল ১৮৮ থেকে ১৯০ টাকা, সুপার তেল ১৯৫ থেকে ১৯৮ টাকা, পোলাও চাল ১৪০ থেকে ২৩০ টাকা, আটা ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, ময়দা ৬২ থেকে ৭০ টাকা, ছোলার ডাল ১০০ থেকে ১১০ টাকা, বুটের ডাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, মসুর ডাল ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, মুগ ডাল ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, সাদা চিনি ১১০ টাকা, লাল চিনি ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, রসুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং আদা ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বায়জিদ স্টোরের স্বত্বাধিকারী জুয়েল হোসেন বলেন, বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ভোজ্যতেলের দাম বাড়তে পারে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ১ থেকে দেড় কেজি ওজনের রুই প্রতি কেজি ২৮০ টাকা, ৩ থেকে সাড়ে ৩ কেজি ওজনের রুই ৪২০ টাকা, আড়াই কেজি ওজনের কাতলা ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা, ৪ থেকে সাড়ে ৪ কেজি ওজনের কাতলা ৪৫০ টাকা, নাইলোটিকা ১৮০ থেকে ২৭০ টাকা, কৈ ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, বেলে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, পুঁটি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, টেংরা ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, চাপলে ৪০০ টাকা, পাঙাশ ১৮০ থেকে ৩০০ টাকা, চাকা চিংড়ি ৮০০ টাকা, বাগদা চিংড়ি ৮০০ টাকা, হরিণা চিংড়ি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, পাবদা ৩৮০ থেকে ৫০০ টাকা, পোয়া ৪০০ টাকা, ভেটকি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা এবং পারশে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

শহরের চৌরাস্তা এলাকার বাসিন্দা আকরাম হোসেন বলেন, মাছের দাম অনেক বেশি। তাই মাছের পরিবর্তে মুরগি কেনাই শ্রেয়।

বিক্রেতা অরিন্দম বিশ্বাস বলেন, বাজারে ইলিশ নেই। তবে অন্যান্য মাছের বেচাকেনার ধুম পড়েছে। এদিন আড়তে বেশি দামে মাছ কিনতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

নাসির ব্রয়লার হাউসের স্বত্বাধিকারী শাকিল আহমেদ বলেন, মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে এবং বেচাকেনাও ভালো।

চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি বাসমতি চাল ৭৭ থেকে ৮৩ টাকা, আটাশ ৫৩ থেকে ৫৫ টাকা, নূরজাহান ৫০ টাকা, সুপার মিনিকেট ৫৬ থেকে ৬২ টাকা, মিনিকেট ৫৭ থেকে ৬০ টাকা, নাজিরশাল ৯২ থেকে ৯৫ টাকা, কাজললতা ৫৪ টাকা, বিল আমন ৬০ টাকা, স্বর্ণা ৫০ থেকে ৫৩ টাকা এবং মোটা চাল ৬১ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাল বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান নিউ মাকালী ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী অভিজিৎ ভৌমিক বলেন, সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে।

ডিমের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি হালি লাল ডিম ৪৪ থেকে ৪৮ টাকা, সাদা ডিম ৪৪ টাকা এবং হাঁসের ডিম ৬৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া দেশি মুরগির ডিমের হালি ৭২ টাকা এবং কোয়েল পাখির ডিম প্রতিটি ১২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিম বিক্রেতা শহীদুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। পরিবহন খরচ বাড়ার কারণে দাম কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    মেয়ের বান্ধবী খুব খারাপ জিজ্ঞাসাবাদের দাবি মায়ের

    October 9, 2026

    ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহারের উদ্যোগ চালকদের আয় বাড়ার সম্ভাবনা : প্রতিমন্ত্রী অমিত

    October 9, 2026

    যশোরে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ৪৮ ফ্ল্যাটের ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

    October 9, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.