Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • মেয়ের বান্ধবী খুব খারাপ জিজ্ঞাসাবাদের দাবি মায়ের
  • বেশি দামে আগাম শীতকালীন সবজি, খুশি ব্যবসায়ীরা
  • ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহারের উদ্যোগ চালকদের আয় বাড়ার সম্ভাবনা : প্রতিমন্ত্রী অমিত
  • যশোরে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ৪৮ ফ্ল্যাটের ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
  • একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে নির্বাক বাবা-মা দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় তাজমিন
  • সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী অমিত
  • ইসলামী যুব আন্দোলনের যশোরের সভাপতি খাইরুল বাশার ও সম্পাদক আব্দুল আউয়াল
  • স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি স্বামীর
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Saturday, October 10
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

মণিরামপুরের ১৭ ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই ওষুধ, জনবল সংকট

banglarbhoreBy banglarbhoreMarch 9, 2025No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

# তিন মাস ধরে বিনামূল্যের ওষুধ সরবরাহ বন্ধ
# এপ্রিল বা মে মাসের আগে ওষুধের সংকট কাটছে
# কেন্দ্রে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নেই ১৬টির

বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ১৭ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে তিন মাস ধরে বিনামূল্যের ওষুধ সরবরাহ বন্ধ। এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে নামমাত্র মৌখিক পরামর্শ নিয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে রোগীদের। এর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সঙ্গী জনবল সংকটও চরম আকার ধারণ করেছে। ফলে দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেয়ার সরকারি প্রকল্পের সুফল মিলছে না রোগীদের। সম্প্রতি মণিরামপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গিয়ে ওষুধ না থাকার তথ্য মেলে। এরপর রোহিতা, ঢাকুরিয়া ও খানপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে খোঁজ নিয়ে একই তথ্য পাওয়া যায়।

উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো জন্মনিয়ন্ত্রণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং বয়ঃসন্ধিকালীন সেবা (কিশোর প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা) নিয়ে কাজ করে। জন্মনিয়ন্ত্রণ মূল কাজ হলেও কোনো কেন্দ্রে থেকে জন্মনিয়ন্ত্রণের খাবার কোনো বড়ি রোগীরা সরবরাহ পাচ্ছেন না। আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম, কৃমিনাশক, প্যারাসিটামল, মেট্রোনিডাজল, পেন্টোনিক্স-২০, হিস্টাসিনসহ ২৮ ধরনের ওষুধ সরবরাহ করার কথা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো থেকে। প্রতি মাসে ওষুধের যে চাহিদা পাঠানো হয়, তার তুলনায় বরাদ্দ কম আসে। এক বছর ধরে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ হয় না। এর মধ্যে গত নভেম্বরে কিছু ওষুধ এসেছিল। এরপর থেকে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

মণিরামপুর সদর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক (এফডব্লিউভি) শ্রাবন্তী দাস বলেন, ‘কৃমিনাশক বড়ি ছাড়া কোনো ওষুধ নেই। ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও চলতি ফেব্রুয়ারিতে কোনো ওষুধ বরাদ্দ পাইনি।’
শ্রাবন্তী দাস আরও বলেন, ‘যখন ওষুধ দেয়া হতো, তখন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রতিদিন ৩০-৪০ রোগী আসতেন। চাহিদার তুলনায় কম বরাদ্দ পাওয়ায় এক মাসের বরাদ্দের ওষুধ দুই সপ্তাহের মধ্যে শেষ হয়ে যেত। এখন ওষুধ আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি রোগীরা জেনে গেছেন। এ জন্য সেবা নিতে লোকজন কম আসেন। যারা আসেন তাদের রোগ সম্পর্কে মৌখিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। কোনো ওষুধ দিতে পারছি না।’

রোহিতা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক রিনা পারভেজ বলেন, ‘নভেম্বরের পর আর ওষুধ আসেনি। ওষুধ না থাকায় রোগীরাও এখন আর আসেন না। অন্তঃসত্ত্বা নারীরা এলে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করি। বাকি সময় অলস বসে কাটাতে হচ্ছে।’
এদিকে শুধু ওষুধ নয়, জনবল সংকটও চরমে পৌঁছেছে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে রোগীর পরামর্শ ও ওষুধ সরবরাহ দেওয়ার জন্য একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক (এফডব্লিউভি) ও একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) কাজ করে থাকেন। উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মধ্যে হরিহরনগর, মশ্মিমনগর, দূর্বাডাঙ্গা ও মনোহরপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই দুই পদে লোকবল শূন্য। অন্য কেন্দ্রগুলোতে এফডব্লিউভি থাকলেও রোহিতা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র বাদে কোনো কেন্দ্রে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) নেই।ওষুধ সরবরাহ বন্ধ ও জনবল সংকটের বিষয়ে জানতে গত রোববার দপ্তরে গিয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানাকে পাওয়া যায়নি।

ওই দপ্তরের উপজেলা মেডিকেল অফিসার সুদীপ্ত সেন বলেন, গত নভেম্বরের পর আর ওষুধ আসেনি। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। এপ্রিল অথবা মে মাসের মধ্যে ওষুধ আসার সম্ভাবনা আছে। এর মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নিশাত তামান্নার সঙ্গে কথা বলে কিছু ওষুধ কেনার চেষ্টা করা হবে।
সুদীপ্ত সেন বলেন, আমাদের ১৭টি উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) পদের বিপরীতে শুধু রোহিতা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজনের পদায়ন আছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতে এই পদে লোকবল শূন্য। এ ছাড়া উপজেলার হরিহরনগর, মশ্মিমনগর, দুর্বাডাঙ্গা ও মনোহরপুর এই চারটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক পদও শূন্য রয়েছে। অন্য কেন্দ্র থেকে সপ্তাহে দুই দিন এফডব্লিউভি ও সেকমো পাঠিয়ে কেন্দ্রগুলো সচল রাখা হয়েছে।

মণিরামপুর
Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    মেয়ের বান্ধবী খুব খারাপ জিজ্ঞাসাবাদের দাবি মায়ের

    October 9, 2026

    বেশি দামে আগাম শীতকালীন সবজি, খুশি ব্যবসায়ীরা

    October 9, 2026

    ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহারের উদ্যোগ চালকদের আয় বাড়ার সম্ভাবনা : প্রতিমন্ত্রী অমিত

    October 9, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.