মহেশপুর সংবাদদাতা :
মহেশপুরের ফতেপুর বাঁওড়ের জমির মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শওকত আলীর বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার ফতেপুর বাঁওড়ের বেড়েরমাঠ অংশের লাখ টাকা মুল্যের ৩টি মেহগনি গাছ কাটেন তিনি। পরে অভিযোগ পেয়ে ইউএনও সাজ্জাদ হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করেন।
জানা গেছে, ফতেপুর বাঁওড়ের বেড়েরমাঠ অংশে বাঁওড়ের জমিতে ১০ লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ৫০ টি মেহগনি গাছ রয়েছে। এসব গাছের বয়স ৩০ বছরেরও বেশি। বাঁওড়ের পার্শ্ববর্তী জমির মালিক শওকত আলী শুক্রবার সকালে লোকজন নিয়ে ওই গাছ গুলি কাটা শুরু করেন। এ সময় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউএনও গাছ কাটা বন্ধ করেন।
বেড়েরমাঠ গ্রামের নুর আলী বলেন, এর আগেও ৪-৫ বার ওই গাছ গুলো কাটার চেষ্টা করেছিলেন শওকত আলী। গাছগুলো বাঁওড়ের সরকারি জমিতে। শওকত আলীর জমির সীমানা গাছগুলো থেকে আরো ১৫-২০ হাত পরে।
শওকত আলী বলেন, গাছ গুলো আমি নিজে জমি কিনে লাগিয়েছি। আমি ৩টা গাছ কাটার পরে ইউএনও সাহেব এসে কাটা বন্ধ করে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ইউএনও সাজ্জাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করেছি। শওকত আলী গাছ গুলি নিজেদের দাবি করছেন। বাঁওড়ের সীমান্ত নির্ধারণের পর বিষয়টি সমাধান হবে। যদি গাছগুলো বাঁওড়ের সরকারি জমিতে হয় তাহলে শওকত আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

