বাংলার ভোর প্রতিবেদক
জ্ঞানের বিশাল জগতে প্রবেশ করতে চাইলে বই পড়তে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান। শুক্রবার সকালে যশোরের পশ্চিম বারান্দী রোডে দ্যোতনা সাহিত্য পরিষদ কার্যালয়ে কবি বাগবুল মাহবুব রচিত ‘জলসাঘরে জলছবি’ গ্রন্থের আলোচনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, বই হচ্ছে জ্ঞানের ভাণ্ডার।
অর্থাৎ বইয়ের সঙ্গে যার সম্পর্ক যত বেশি, তার জ্ঞানের ভাণ্ডারও তত বেশি সমৃদ্ধ। নিয়মিত পড়ার মাধ্যমে শব্দভাণ্ডার এবং কল্পনাশক্তি উন্নত হয়। কাজেই এর মাধ্যমে একজন ভালো পাঠক একজন ভালো লেখক হয়ে ওঠতে পারেন। লেখকের ভাষাগত জ্ঞান, শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হবে। লেখার দক্ষতাও বৃদ্ধি পাবে।
নবীন লেখকদের উদ্দেশ্যে ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, লেখার মধ্যে স্মরণীয় আবেদন সৃষ্টি করুন। নইলে পাঠক আপনাকে কেন মনে রাখবে, অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবেন! সৃষ্টি যদি কালের আঘাত অতিক্রম করতে পারে তবেই ইতিহাসের পাতায় আপনার নাম লেখা থাকবে। তাই লেখার পাশাপাশি অন্য লেখকের বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে। আজ পর্যন্ত বই পড়ে কেউ ঠকেনি। বাংলায় একটা প্রবাদ রয়েছে, ‘যতই পড়িবে, ততই শিখিবে।’
কবি অধ্যক্ষ ড. শাহনাজ পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপশহর ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক সহকারী অধ্যাপক নার্গিস খন্দকার, কবি ও গবেষক অ্যাড. জিএম মুছা, এমএ কাসেম অমিয়, রেবেকা টপি, গাজী শহিদুল ইসলাম, রাবেয়া খানম ও নাট্য ব্যক্তিত্ব আনিসুজ্জামান পিন্টু।
অন্যান্যের মধ্যে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কবি শরিফুল ইসলাম, বকুল হক, কাজী নূর, রবিউল হাসান প্রমুখ। কবি শাহরিয়ার সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন ‘জলসাঘরে জলছবি’ গ্রন্থের লেখক বাগবুল মাহবুব।

