Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • যশোরে ‘চশমা সাইদ’র গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারে প্রতিবাদে নারী উদ্যোক্তার সংবাদ সম্মেলন
  • যমজ কন্যা সন্তানসহ স্বামীর ঘরে ফিরলেন সেই রিনা
  • চুয়াডাঙ্গায় ‘জয় বাংলা’ লেখা বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, আতঙ্ক
  • যশোরের চৌগাছায় বিএনপি কর্মী হত্যার ঘটনায় আটক ৩
  • যশোরে পাইকারি ও খুচরা বাজারে দামের বৈষম্য ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক
  • আ. লীগের বিচার দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল ( ভিডিও সহ )
  • মণিরামপুরে কপোতাক্ষ নদ থেকে অবৈধ দুয়ারি জাল জব্দের পর অগ্নিসংযোগ
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
বুধবার, জুন ২৪
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম আগস্ট ৬, ২০২৪

যশোরে জাবির হোটেলে অগ্নিসংযোগ : নিহতের মধ্যে হামলকারীরাই বেশি

banglarbhoreBy banglarbhoreNo Commentsআগস্ট ৬, ২০২৪
Facebook Twitter WhatsApp
Share
Facebook Twitter LinkedIn

হাসান আদিত্য

বিজয় মিছিলে বিক্ষুদ্ধ জনতার একটি অংশ যশোরে পাঁচ তারকা হোটেল জাবির ইন্টারন্যাশনালে ভাংচুর করতে যায়। প্রায় দুই শতাধিক আন্দোলনকারীরা হোটেলটির বেজমেন্টে ঢুকেই সিঁড়ি বেয়ে ১৪ তলা পর্যন্ত উঠে যায়। এক পর্যায়ে নিচে থাকা বিক্ষুদ্ধ আন্দোলনকারীদের মধ্যে কয়েকজন যুবক পেট্টল দিয়ে আগুন দিতে শুরু করে। পর্যায়ক্রমে তারা কয়েকটি তলাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে দাউ দাউ করে পুরো ১৪ তলাই কয়েক মিনিটের মধ্যে জ্বলতে থাকে। এতে উপরে থাকা বেশির ভাগ আন্দোলনকারীরা বের হতে পারেনি। ফলে আগুনের ধোয়ায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আটকে থেকে তারা মারা গেছে। হোটেলের ভিতর প্রবেশকরা আন্দোলনকারী ও সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। এই অঞ্চলের একমাত্র পাঁচ তারকা হোটেলটির মালিক যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার।

যশোরে জাবির হোটেলে অগ্নিসংযোগ : নিহতের মধ্যে হামলকারীরাই বেশিসোমবার বিকালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পদত্যাগের পর হোটেল জাবির ইন্টারন্যাশনালে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিজয়মিছিলে থাকা বিক্ষুব্ধ জনতা। এদিন বিকাল চারটার দিকে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলেও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে সাড়ে ৯টার দিকে। এই ঘটনায় রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন ১৮ জন। আহত হয়েছেন অত্যন্ত ৩০ জন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ বলছেন, ‘আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পরে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। এখনো কয়েকটি তলা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে পারে। হাসপাতাল কতৃপক্ষ বলছে, আহতরে মধ্যে অনেকেই আশঙ্কাজনক। ফলে সময় যতই গড়াচেছ মর্গে মৃতদেহের সংখ্যা যতই ভারি হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স যশোরের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ বলেন, ‘কি দিয়ে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটনানো হয়েছে সেটা তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ১৮ জন মরদেহ উদ্ধার করেছি। উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে। তবে তিনি আর কিছু বলতে চাননি। তবে নাম না প্রকাশে এক কর্মকর্তা বলেন, হোটেলের ভিতরে অ্যালকোহল পদার্থ বেশি থাকাতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত। মনে হচ্ছে গান পাউদারও ব্যবহার করা হয়েছে।’

যশোরে জাবির হোটেলে অগ্নিসংযোগ : নিহতের মধ্যে হামলকারীরাই বেশিহোটেলে কত জন আটকা পড়েছে বা কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা জানার জন্যে হোটেলের মালিক শাহীন চাকলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে যেয়ে দেখা যায়, নিহত ও আহতদের স্বজদের আহাজারিতে ভারি হয়ে আছে হাসপাতাল চত্বর। আন্দোলনে এসে অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে সেই নিখোঁজদের স্বজনেরা হাসপাতাল ও মর্গের সামনে ভিড় করতে দেখা গেছে। তবে হাসপাতাল চত্বরে পুলিশ বা প্রশাসনের কাউকে দেখা যায়নি।

আন্দোলনরতকারীদের অনেকেই এখন হাসপাতালে থাকতে দেখা গেছে। তারা মরদেহ পরিবারের কাছে হসান্তর, হোটেল থেকে মরদেহ হাসপাতালে আনার সড়ক নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা গেছে। সবাই হাতেই বাঁশ, রড ও দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে। মরদেহ শনাক্ত হলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বাড়িতে নিয়ে যাচেছন নিহতের স্বজনেরা।

যশোরে জাবির হোটেলে অগ্নিসংযোগ : নিহতের মধ্যে হামলকারীরাই বেশিমর্গের সামনে আহাজারি করতে দেখা যায় খড়িক এলাকার এক নারী (৪৫)। হোটেলে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে তার ভাইপো রাতুল (১৭)। নাম না প্রকাশে ঐ নারী  বলেন, ‘আমার কলেজ পড়ুয়া মেয়ের সাথে আমিও আন্দোলনে এসেছিলাম। পরে বিকালে বিজয় মিছিলটি জাবির হোটেলের সামনে দিকে যেতেই অনেক ছেলে-মেয়েরা হোটেলের মধ্যে প্রবেশ করে। আন্দোলনকারীদের ঐ স্লোতের মধ্যে দিয়ে আমার মেয়েও ঢুকে যায়। পরে আগুন লাগলে আমার মেয়েরে খুঁজতে আমিও ভিতরে প্রবেশ করি। প্রবেশ করে দেখি হোটেলে কয়েক যুবকরা পেট্টল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। তাদের অনুরোধ করলাম এই ক্ষতি করিস নে বাপ! এর পরে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে হোটেল। পরে আহত অবস্থায় আমার মেয়েকে উদ্ধার করি। পরে শুনি আমার ভাইপো মারা গেছে ‘

https://www.youtube.com/watch?v=_Unh8ea471o

যশোর সিটি কলেজ থেকে আন্দোলনে অংশ নেওয়া এইচ এসসি পরীক্ষার্থী ও হোটেলে প্রবেশ করা মারুফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনে কিছু উগ্র ছেলেরা ছিলো। বিজয় মিছিলে তারা জাবির হোটেলে ঢুকে পরে। তাদের সঙ্গে অনেক সাধারণ আন্দোলনকারীরাও ঢুকে পরে। তারা জাবির হোটেলে মূলত দেখতে গেছিলো। সিড়িতে উঠতে উঠতে তারা হোটেলের বিভিন্ন তলাতে উঠে যায়। এদিকে ওদের সাথে থাকা উগ্র ছেলেরা আগুন ধরায়ে দেয় বিভিন্ন তলাতে। তাদের বলতে শুনা যায়, আওয়ামী লীগের শাহীন চাকলাদার অনেক নেতাদের নির্যাতন করেছে, আওয়ামী লীগের শেষ নিশানা মুছে দিতে হবে। সমস্ত হোটেলে আগুন ছড়িয়ে পড়াতে অনেকেই আটকে পড়ে বিভিন্ন তলাতে। তিনি বলেন, ‘হোটেলে বার থাকাতে বারের অ্যালকোহল কারণে আগুন বেশি ছড়িয়ে পড়েছে। মূল শিক্ষার্থীরা এই অগ্নিকান্ডের সাথে জড়িত না। বিভিন্ন রাজনীতিক ছত্রছায়াতে থাকা উগ্র ব্যক্তিরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে এই শিক্ষার্থীর ভাষ্য।

এদিকে আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকেই বাড়িতে যায়নি। অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনেরা সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত হাসপাতাল চত্বরে খোঁজাখুঁজি করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ মর্গের সামনে বসে নিজ সন্তান বা স্বজনের খোঁজাখোঁজি করছেন। এমনই একজন শহরতলী সুজলপুরের মফিজুর রহমান। আন্দোলনে এসে তার ভাইপো আল আমিনকে পাচ্ছেন না। কান্নাজড়িত কন্ঠে তিনি বলেন, আমার আল আমিনকে কেউ দেখেছেন। সে রাজ্জাক কলেজে পড়ে।যশোরে জাবির হোটেলে অগ্নিসংযোগ : নিহতের মধ্যে হামলকারীরাই বেশি

https://www.youtube.com/watch?v=HeR5oc5piVA

কেন যে সে আন্দোলনে এসেছিলো। বিকাল থেকে তার ফোনে ফোন দিচিছ, রিং যাচ্ছে অথচ ফোন ধরছে না। তার বন্ধুরা বলছে , আলামিনও জাবিবে উঠেছিলো। সে এখন কোথায়। আল্লাহ আলামিনকে বাঁচিয়ে দাও।’ এ ছাড়া শাহীন চাকলাদারের কাঁঠালতলা এলাকার বাসভবনে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শহরের চারখাম্বা মোড়ে অবস্থিত শেখ রাসেলের ভাস্কর্যও ভাঙচুর করা হয়েছে। তবে এসব ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সার্বিক বিষয়ে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কেউ কল ধরেননি।

 

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

যশোরে ‘চশমা সাইদ’র গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারে প্রতিবাদে নারী উদ্যোক্তার সংবাদ সম্মেলন

যমজ কন্যা সন্তানসহ স্বামীর ঘরে ফিরলেন সেই রিনা

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.