Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • সংশোধন হবে চার নদীর ওপর আট সেতুর নকশা
  • নড়াইল কাশিপুর এসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রয়াত শিক্ষক-কর্মচারীদের স্মরণে দোয়া
  • শার্শায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, তদন্তে সত্যতা পায়নি পুলিশ
  • তরিকুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে দোয়া
  • জনগণকে মানসম্মত সেবা দিতে হবে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
  • কালীপূজা উপলক্ষে খাদ্যসামগ্রি বিতরণ সাবেক কাউন্সিলর বাবুর
  • পাইকগাছায় সিএসও’র অর্ধ-বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
  • যশোরে ইসলামী যুব আন্দোলনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Friday, November 6
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

সংশোধন হবে চার নদীর ওপর আট সেতুর নকশা

banglarbhoreBy banglarbhoreNovember 6, 2026No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

ইমরান হোসেন পিংকু :
যশোরের তিন উপজেলায় চারটি নদ-নদীর ওপর নির্মাণাধীন আটটি সেতুর বন্ধ হয়ে থাকা নির্মাণ কাজ নকশা সংশোধন করে নির্মাণকাজ শেষ করার উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। তবে এতে প্রকল্পের ব্যয় বাড়বে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, নির্ধারিত উচ্চতা না মেনে সেতু নির্মাণের অভিযোগে ভৈরব নদ সংস্কার আন্দোলনের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের নির্দেশে দুই বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে সেতুগুলির নির্মাণকাজ। দীর্ঘদিনেও জটিলতার সমাধান না হওয়ায় সেতুগুলো ব্যবহার করতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। এ অবস্থায় স্থানীয়রা উপকৃত হওয়ার বদলে আরো বেশি ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।

এলজিইডি সূত্র জানায়, ২০২১ সালে তিনটি প্রকল্পের আওতায় আটটি সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। এর মধ্যে যশোর সদরের ভৈরব নদের ওপর দায়তলা, রাজারহাট ও ছাতিয়ানতলা সেতু, শার্শার বেতনা নদীর ওপর নাভারণ গোড়পাড়ায় দুটি সেতু, মণিরামপুরের শ্রী নদীর ওপর মণিরামপুর-নেহালপুর সেতু এবং যশোর সদরে হরিহর ও মুক্তেশ্বরী নদীর ওপর দুটি সেতু রয়েছে। ৪১ কোটি ৬৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা ব্যয়ে পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসব সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করে।

বিআইডব্লিউটিএর অনুমোদন ছাড়াই নির্ধারিত মানের চেয়ে কম উচ্চতায় সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ায় শুরু থেকেই আপত্তি জানান স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপিও দেয়া হয়। কিন্তু আপত্তি উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যায় এলজিইডি। পরে ভৈরব নদ সংস্কার আন্দোলনের নেতারা উচ্চ আদালতে রিট করেন।

২০২৩ সালের ২৭ নভেম্বর আদালত তিন মাসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ’র নীতিমালা অনুসরণ করে সেতুগুলোর কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হওয়ায় ২০২৪ সালের ২৮ মে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আদালতে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। ওই বছরের ১১ জুন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর প্রতিনিধি ও যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আদালতে হাজির হয়ে ছয় মাসের মধ্যে নীতিমালা অনুযায়ী সেতু নির্মাণের লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতির পরও দুই বছর পেরিয়ে গেছে। এখনো শুরু হয়নি সংশোধিত নকশা অনুযায়ী নির্মাণকাজ।

বিআইডব্লিউটিএ’র নির্ধারিত মান অনুযায়ী, নদীর সর্বোচ্চ পানির স্তর থেকে সেতুর গার্ডারের নিচ পর্যন্ত উচ্চতা ১৫ থেকে ১৬ ফুট রাখার বিধান রয়েছে। বিশেষ ক্ষেত্রে এ উচ্চতা ২৫ ফুট পর্যন্ত প্রয়োজন হয়। অথচ নির্মাণাধীন সেতুগুলোর উচ্চতা রাখা হয়েছে মাত্র ৪ দশমিক ৫৯ থেকে ১১ দশমিক ৫০ ফুট। এতে নৌযান চলাচল ও নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কাজ বন্ধ হওয়ার আগে সেতুগুলোর অধিকাংশের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। একটি সেতুর কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। অন্য সাতটির মধ্যে পাঁচটির অগ্রগতি ৮০ থেকে ৯৫ শতাংশ। বাকি দুটির কাজ শেষ হয়েছে ৬০ ও ৩২ শতাংশ।

সেতুগুলোর কাজ বন্ধ থাকায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যশোর সদরের গোয়ালদহ এলাকার বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, হরিহর নদের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজ বন্ধ থাকায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বেড়েছে। বাধ্য হয়ে বিকল্প পথে চলাচল করতে হচ্ছে।

বাঘারপাড়ার ছাতিয়ানতলা এলাকার বাসিন্দা আনিসুর রহমান বলেন, কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও ছাতিয়ানতলা হাট-ঘোপ এলাকায় ভৈরব নদের ওপর নির্মাণাধীন সংযোগ সেতুর কাজ শেষ হয়নি। ফলে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে মানুষকে।

সদরের দায়তলা সেতু এলাকার বাসিন্দা শামসুর রহমান বলেন, সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় কোনো যানবাহন এ পথে চলাচল করতে পারে না। সেতুর এক পাশে নেমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পার হয়ে অন্য পাশ থেকে গাড়িতে উঠতে হয়। কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।

ভৈরব নদ সংস্কার আন্দোলনের উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, নদীকে সচল ও প্রবাহমান রাখার লক্ষ্যেই তাদের আন্দোলন। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত সেতু নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের জন্য বড় বাধা। আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে নীতিমালা অনুযায়ী দ্রুত সেতুগুলোর নির্মাণকাজ শেষ করার দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে এলজিইডি যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মাহবুবুর রহমান বলেন, সেতুগুলোর নকশা সংশোধনের জন্য এলজিইডির ডিজাইন ইউনিটের প্রকৌশলীরা গত ২৯ অক্টোবর সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। তারা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন। নতুন নকশা অনুযায়ী বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে।

তিনি বলেন, সেতুগুলো ভেঙে নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন হবে না। ক্রেনের সাহায্যে গার্ডার খুলে পিলারের উচ্চতা বাড়ানো হবে। এরপর আবার পাটাতন বসানো হবে। এতে প্রকল্পের ব্যয় বাড়বে।

 

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    নড়াইল কাশিপুর এসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রয়াত শিক্ষক-কর্মচারীদের স্মরণে দোয়া

    November 6, 2026

    শার্শায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, তদন্তে সত্যতা পায়নি পুলিশ

    November 6, 2026

    তরিকুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে দোয়া

    November 6, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মেজর (অব.) আমিনুল ইসলাম

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো. আজহারুল ইসলাম মিথুন

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.