Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • যশোরে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ৪৮ ফ্ল্যাটের ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
  • একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে নির্বাক বাবা-মা দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় তাজমিন
  • সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী অমিত
  • ইসলামী যুব আন্দোলনের যশোরের সভাপতি খাইরুল বাশার ও সম্পাদক আব্দুল আউয়াল
  • স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি স্বামীর
  • আওয়ামী লীগের অধ্যায় শেষ : মাগুরায় রাশেদ খাঁন
  • এসএম সুলতানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
  • রামপালে মামলা তুলে নিতে আসামির হুমকি, তরুণীর সংবাদ সম্মেলন
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Friday, October 9
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ : নন্দিত উদ্যোগে কলঙ্কের দাগ ‘বিতর্কিত জুয়ার লটারি’

banglarbhoreBy banglarbhoreNovember 20, 2025No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন ছিল নন্দিত উদ্যোগ। সেই উদ্যোগকে বিতর্কিত করেছে টিকিটের নামে জুয়া (লটারি)। খেলা দেখার প্রবেশ মূল্য নামে ছাড়া লটারির টিকিট বিক্রি করা হয়েছে গোটা জেলায়। খোদ জেলা প্রশাসকের নাম ব্যবহার করে গ্রাম-গঞ্জের অলিগলিতে মাইকিং করে টিকিট বিক্রির ঘটনায় ক্ষুব্ধ যশোরবাসী। দামি পুরস্কারের লোভ দেখি বিক্রি করা টিকেট কিনে নিম্ন আয়ের মানুষ প্রতারিত হয়েছে। যা এই নন্দিত উদ্যোগে কলঙ্কের দাগ লেপে দিয়েছে ‘বিতর্কিত জুয়ার লটারি’। বিষয়টি ভাল ভাবে নেয়নি যশোরের রাজনৈতিক দলগুলোও। নেতারা বলছেন, নন্দিত উদ্যোগটির সুনাম ভেস্তে গেছে বিতর্কিত জুয়ারির লটারিতে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান তাদের।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ নভেম্বর যশোর শামস উল হুদা স্টেডিয়ামে ৮ উপজেলার ৮টি টিম নিয়ে জেলা প্রশাসন ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই টুর্নামেন্টের ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে প্রতিযোগিতার। উদ্বোধনের সময় সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক জানিয়েছিলেন, গত ১৬ বছর দেশের যুব সমাজকে বিপথগামী করতে পরিকল্পিতভাবে দেশীয় সব খেলাধুলাকে ধ্বংস করা হয়েছে। ৩৬ জুলাই বিপ্লবের পর নতুন করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সাজাতে ও খেলাধুলা মাঠে ফেরানোর মাধ্যমে যুব সমাজকে মাঠমুখি করতে এই আয়োজন। দীর্ঘ বছর পর জেলা প্রশাসনের এই আয়োজন ছিলো নান্দনিক। তবে নন্দিত উদ্যোগে কলঙ্কের দাগ লেপে দিয়েছে টিকিটের নামে জুয়া (লটারি)। প্রতিদিন খেলা শেষে হয়েছে র‌্যাফেল ড্র নামে লটারি নামক জুয়া। শুধু স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণ নয়, এই টিকিট মাইক বাজিয়ে বিক্রি করা হয়েছে জেলার ৮ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে। আর পুরস্কারের মোহে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে মানুষ।

সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, সূচি অনুযায়ী প্রবেশ টিকিট ওরফে লটারির টিকিট বিক্রি করতে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে স্টেডিয়াম থেকে ৫০ টির বেশি ইজিবাইক ছুটে যায় সদরসহ জেলার আট উপজেলার বিভিন্ন স্থানে। মাইকে ঘোষণা দিয়ে ঘটা করে চলেছে টিকিট বিক্রি। প্রতিদিনের খেলা শুরুর আগে থেকে স্টেডিয়ামের চারিপাশে অন্তত ৫০ জনের মতো ভ্রম্যমাণ লটারি বিক্রেতা এ টিকিট বিক্রি করে। এ ছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ কিছু এলাকায় ৩০টির মতো টিকিট বুথে চলে লটারি বিক্রি। সব মিলিয়ে দেড় শ’ ব্যক্তি ইজিবাইক, রিকসা ও ভ্রম্যামাণ বুথ ও ঘুরে ঘুরে লটারি বিক্রি হয়েছে। প্রতিদিন অন্তত ৫০ হাজার টিকিট বিক্রি হয়। ২০ টাকা প্রতি পিস টিকিটের মূল্য হলে সে হিসেবে টিকিট বিক্রি থেকে প্রতিদিনের আয় প্রায় এক লাখ টাকা। রাত ৯টায় শুরু হয় র‌্যাফেল ড্র। ড্র অনুষ্ঠান সরাসরি দেখানো হয় ফেসবুক ও ইউটিউব ভিত্তিক বিভিন্ন পেজে। আয়োজকদের সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন পুরস্কার দেয়া হয় ৪৬টি। তবে একেক দিনের পুরস্কার একেক ধরনের। বেশির ভাগ দিনই চার-পাঁচটি মোটরসাইকেল, স্বর্ণালংকার, একাধিক ফ্রিজসহ নানান পুরস্কার।

একাধিক সাবেক ফুটবলার ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, লটারির প্রতি মোহগ্রস্ত সাধারণ মানুষ তাদের আয়ের একটি বড় অংশ হারিয়ে ফেলছে। জেলা প্রশাসন আয়োজক থাকলেও টিকিট নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে রাজনৈতিক কিছু ব্যক্তিও পরোক্ষভাবে জড়িত। সে কারণে যশোরের সুধী সমাজের অনেকেই এ নিয়ে সমালোচনামুখর হলেও প্রকাশ্যে কিছু বলছেন না।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা সবসময় লটারি জুয়ার বিরুদ্ধে।

শহরছাড়া বিভিন্ন জায়গায় ফুটবল খেলার মাঠে প্রবেশের নামে লটারি বাণিজ্য এটা ঘৃণিত। নানা সমালোচনাও হচ্ছে; কিন্তু এটা যে স্বয়ং জেলা প্রশাসন জড়িত; সেটা জানা ছিলো না। নতুন ডিসি এসেছে; তার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আমরা বসবো।’
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, ‘জেলা প্রশাসক টুর্নামেন্ট নান্দনিক আয়োজন। তবে এটার সঙ্গে লটারি বিষয়টি ঢুকানোতে সমালোচনা হচ্ছে; এটা সঠিক। বিগত ডিসি এটার অনুমতি দিয়েছে। এটা না করেও আয়োজন করা যেত। টুর্নামেন্টটি নিয়েও স্বচ্ছতা থাকা দরকার ছিলো।’

জেলা প্রশাসন আয়োজক থাকলেও পুরো টুর্নামেন্টটি সমন্বয়ন করেছেন জেলা বিএনপির সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক ফুটবলার ও টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মাহতাব নাসির পলাশ। তিনি বলেন, ‘আপনারা যেটি লটারি বলছেন ; সেটা লটারি না। স্টেডিয়ামে দর্শকমুখি করতে ও দর্শকদের আকৃষ্ট করতে জেলা প্রশাসন এটির আয়োজন করেছে।

সমালোচনার বিষয়টি প্রশ্ন করাতে তিনি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। বর্তমান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের মন্তব্য জানতে কয়েকবার তার দাপ্তরিক ফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার বলেন, টুর্নামেন্টটি আয়োজন করার পূর্ব প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে আলোচনা করেই লটারির বিষয়টি আনা হয়। দর্শকদের টানতে ও উৎসাহ উদ্দিপনা যাতে কাজ করে; সেই কারণেই এই উদ্যোগ। এটা সমালোচনার কিছু না।’

জেলা প্রশাসন গোল্ডকাপ বিতর্কিত জুয়ার লটারি
Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    যশোরে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ৪৮ ফ্ল্যাটের ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

    October 9, 2026

    একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে নির্বাক বাবা-মা দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় তাজমিন

    October 9, 2026

    সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী অমিত

    October 9, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.