বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
স্বর্ণ স্মাগলিং পণ্য নয়, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে স্বর্ণকে বৈধতা অর্জন করতে দেয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সভাপতি এনামুল হক খান। তিনি শুক্রবার দুপুরে যশোরে খুলনা বিভাগীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির মতিবিনিময় সভায় এই মন্তব্য করেন। সভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জুয়েলার্স সমিতির নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। সভায় এনামুল হক খান বলেন, ‘যে পণ্য স্ত্রী সন্তান স্বজনেরা ব্যবহার করে, সেই পণ্য স্মাগলিং হতে পারে না। এ দেশের কিছু অসাধু ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, বিদেশি ব্যক্তির সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বৈধতা অর্জন করতে দেয়নি। এটা স্মাগলিং পণ্য না, সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্বর্ণ খাতকে একটি সুনির্দিষ্ট শৃঙ্খলায় এনে রপ্তানিমুখী শিল্পে রূপান্তরের ওপর জোর দিয়েছে সরকার। স্বর্ণ খাতকে ফরম্যালাইজড ও শৃঙ্খলবদ্ধ করতে ভ্যাট, টার্নওভার ট্যাক্স এবং উৎস কর হ্রাসসহ সরকারের নীতিগত সহযোগিতা পাওয়া গেছে। বৈধ উপায়ে স্বর্ণ আমদানির সুযোগ তৈরি হওয়ায় দেশীয় স্বর্ণ খাত রপ্তানির নতুন সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক জুয়েলারি রপ্তানির তালিকায় শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য ব্যক্ত করেন বাজুস সভাপতি।
তিনি বলেন, ‘সরকার স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের যে সুযোগ দিয়েছে, শতভাগ কাজে লাগাতে চাই। স্বর্ণ আমদানিতে সহজিকরণ হতে যাচ্ছে। লাইসেন্সের মাধ্যমে আমদানি করতে পারবেন সকল ব্যবসায়ী। এসময় বাজুস সভাপতি এই খাতকে দেশীয় বাজারকে সমৃদ্ধ করে স্বর্ণের বাজার বিদেশের মাটিতে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
যশোর জেলা বাজুসের সভাপতি রকিবুল ইসলাম চৌধুরী সঞ্জয়ের সভাপতিত্বে সভায় বাজুসের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আজাদ আহমেদ, সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সমীর ঘোষ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহীনসহ খুলনা বিভাগীয় কমিটির ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

