বাংলার খেলা ডেস্ক
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সবশেষ দুই আসর নিয়ে আলোচনা সমালোচনা ছিল তুঙ্গে। ২০২৫ সালের বিপিএলে একাধিক ক্রিকেটার ও ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল। আর গত বিপিএলের বেশ কয়েকটি দলের বিরুদ্ধে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শেষ পর্যন্ত বিসিবির হস্তক্ষেপে কিছু ক্রিকেটারের পাওনা পরিশোধ করেছে বিসিবি। বিসিবির সভাপতি হয়ে তামিম ইকবাল একাধিকবার জানিয়েছেন জোড়াতালি দিয়ে বিপিএল আয়োজন করতে চান না তারা। বিসিবি এখনও সেই একই সিদ্ধান্তে অটল আছে বলে জানিয়েছেন তামিম। এ ছাড়া এ বছর বিপিএল আয়োজন করা সম্ভব হবে না বলেই মনে করেন বিসিবি সভাপতি। তামিম এই ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, ‘আমার মনে হয় না এ বছর বিপিএল হবে।’
এ প্রসঙ্গে তামিম গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘আমার জন্য সবচেয়ে বড় লজিক হচ্ছে এই টুর্নামেন্ট কী বিসিবির জন্য টাকায় আয় করছে? না। আমরা কী লস করছি? হ্যাঁ। টুর্নামেন্ট কী ভালোভাবে চলছে? না। ছয়টা ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে তিন-চারটার নিয়ম ভাঙ্গার সমস্যা আছে। এতগুলা না হওয়ার পরও আমি কোনো কারণ দেখি না এটা করার জন্য আমাকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে বা আমার মনোযোগ দিতে হবে।’
বাংলাদেশে বিপিএলের জনপ্রিয়তা এখনও আকাশচুম্বী। তবে এই টুর্নামেন্ট থেকে কোনোভাবেই লাভের মুখ দেখতে পারছে না বিসিবি। এ কারণে সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চায় আয়োজকরা। ১২ থেকে ১৮ মাস লাগলেও সঠিকভাবে বিপিএল আয়োজন করতে চান তামিম। না হলে বিপিএলই আয়োজন করবেন না। সেটা আবারও বলে দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি।
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি এখনো বিশ্বাস করি বিপিএল খুবই ভালো প্রোডাক্ট। বিপিএল নিয়ে প্রচুর আগ্রহ আছে, মানুষ খেলা দেখতে আসে। এটাকে যদি সঠিকভাবে করা যায় এটার আগ্রহটা খুব সম্ভবত আরও বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু ওইটার জন্য যদি আমাকে সময় নিতে হয় ১২, ১৮, ২৪ মাস, যত মাসই লাগুক। আমি যদি এটা করি তাহলে ঠিকঠাকভাবে করব। নাহলে আমি এটা করব না।’
বিপিএলে বিদেশী ফ্র্যাঞ্চাইজি আসার সম্ভাবনা নিয়ে তামিম বলেছেন, ‘আমাদের দেশের নিয়মকানুন, দেশের পলিসি তাদের পক্ষে যায় কিনা ওই জিনিসগুলো বসে আমাদের ক্লিয়ার ধারণা পেতে হবে। আমরা অ্যাপ্রোচ করতে পারি কিন্তু কোনো একটা পলিসির কারণে যদি সম্ভব না হয় তাহলে এটা হবে না। আমি বিশ্বাস করি এরকম ফ্র্যাঞ্চাইজি যদি আসে বিপিএলের ক্রেডিবিলিটি অনেক বেশি বাড়বে।’
##

