Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জেলাব্যাপি পুলিশের তল্লাশী চৌকি
  • আদর্শ ও সফল ব্যবসায়ী গঠনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়
  • যশোরে নানা আয়োজনে অমল সেনের মৃত্যুবার্ষিকী পালন
  • গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের প্রতিষ্ঠায় জিততে হবে : নার্গিস বেগম
  • সবজির আগুনের তাপ মুরগি-চালের গায়ে মাছে বরফ
  • যশোর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মুন্নীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা
  • যশোরে র‌্যাবের অভিযানে উইনকোরেক্সসহ আটক ১
  • যশোর সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
শনিবার, জানুয়ারি ১৭
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

যশোরে দোকানে ঘুরে ঘুরে মিলছে না গ্যাস সংকটের অজুহাতে বাড়তি দাম, নৈরাজ্য চলছেই

banglarbhoreBy banglarbhoreজানুয়ারি ১৬, ২০২৬Updated:জানুয়ারি ১৬, ২০২৬No Comments
Facebook Twitter WhatsApp
Share
Facebook Twitter LinkedIn

বাংলার ভোর প্রতিবেদক
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টায়। সাপ্তহিক অন্য ছুটির দিনের তুলনায় এদিন কোন ব্যস্ততা নেই যশোরের গরীবশাহস্থ বৃহৎ এলপিজি গ্যাসের দোকান কাদের এন্টারপ্রাইজে। দোকানের ম্যানেজার, বিক্রয়কর্মী সবাই মোবাইলে ভিডিও দেখে অলস সময় পার করছিলেন। এমন সময়ে পিছনে গ্যাসের সিলিন্ডার বাঁধা একটি মোটরসাইকেলে চল্লিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি এসে দাঁড়ালেন দোকানের সামনে। দাঁড়িয়েই দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করলেন গ্যাস আছে কিনা? প্রতিউত্তরে দোকানদার জানালেন কোন গ্যাস নেই। হতাশা আর ক্লান্তি নিয়ে তিনি চলে যাচ্ছিলেন অন্য কোন দোকানের উদ্দেশ্য।

যাওয়ার আগে কথা হয় এই প্রতিবেদকের সঙ্গে। জানালেন তার নাম আলমগীর হোসেন। বাসা শহরের মণিহার এলাকায়। আলমগীরের ভাষ্য, ‘গত দুইদিন ধরে তার বাসায় কোন গ্যাস নেই। বাসার নিচে এক দোকান থেকে নিয়মিত গ্যাস নিলেও সেখানে না থাকায় বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শহরে গ্যাস খুঁজে বেড়াচ্ছেন তিনি। শুক্রবার সকাল থেকে তার মোটরসাইকেলের পিছনে সিলিন্ডার বেঁধে শহরময় গ্যাস খুঁজছেন। ননব্র্যান্ডের কিছু গ্যাস পাওয়া গেলেও; পাচ্ছেন না তার পূর্বে ব্যবহৃত বসুন্ধরা সিলিন্ডার। ননব্র্যান্ডের নিতে হলে নতুন করে কিনতে হবে সিলিন্ডারও। দাম দুই হাজার ৮শ’ টাকা। তাই বাধ্য হয়ে তিনি মোটরসাইকেলে এভাবে পূর্বের ব্যবহৃত গ্যাস খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

সারাদেশের মতো যশোরেও এলপিজির সংকট চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। সরবরাহ স্বল্পতার কথা বলে সংকটকে সামনে আনছেন বিক্রেতারা। পরিবেশক ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোম্পানিগুলো সরবরাহ কমিয়ে দেয়ায় তারা বাজার সামলাতে পারছেন না। তবে বাড়তি দাম দিলে গ্যাস মিলছে বলে অভিযোগ ভোক্তাদের। এ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষও দেখা দিচ্ছে।

পরিবেশক সূত্রে জানা গেছে, গোটা শহরে এলপিজির এক লাখ চাহিদা থাকলেও বর্তমানে ২৫ হাজার সিলিন্ডার মিলছে। বসুন্ধরা, বেক্সিমকো, ওমেরা, নাভানা, যমুনা, টিএমএসএসের মতো ব্র্যান্ডের এলপি গ্যাসের ওপরে ভোক্তা পর্যায়ে নির্ভরতা বেশি থাকলেও সরবরাহ না থাকায় শহরের সর্বত্র এ গ্যাসের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে সেনা, পেট্রোম্যাক্স, বিএম, সানসহ ননব্র্যান্ড কিছু গ্যাস কোম্পানির সরবরাহকৃত গ্যাস পুরো শহরে সরবরাহ চলছে। গত ২ জানুয়ারি পর্যন্ত পরিবেশক পর্যায়ে এক হাজার ২৫০ টাকায় গ্যাস বিক্রি হয়। আমদানি স্বল্পতায় এরপর তা বাড়িয়ে এক হাজার ৩৭০ টাকা করা হয়। তবে হাত বদলের পরে খুচরা পর্যায়ে শহরের সর্বত্র ১২ কেজির প্রতিটি এলপিজি এক হাজার ৩৭০ টাকার পরিবর্তে ১৬০০ থেকে দুই হাজার টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে বাড়তি দামে গ্যাস বিক্রির কারণে শহরের সর্বত্র ভোগান্তি বেড়েছে ভোক্তাদের। বাড়তি দামের কারণে গ্যাস কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে রান্নার অন্য মাধ্যম নেই যাদের এবং এলপি গ্যাসের ওপরে নির্ভরশীল যারা গ্যাসের সংকট ও বাড়তি দামের কারণে তারা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। দোকানে গিয়ে গ্যাসের দাম শুনে চলে আসছেন, আবার কেউবা বিদ্যুৎচালিত চুলা ও মাটির চুলায় রান্না সারছেন।

শহরের ওয়াপদা গ্যারেজ মোড় থেকে আসা মুর্শিদা বেগম বলেন, ‘গতকাল রাতে রান্নার মাঝ পথে গ্যাস শেষ। সকাল থেকে মোড়ে মোড়ে গ্যাস খুঁজে বেড়াচ্ছি; পাচ্ছি না। আগে কাঠের চুলা থাকলেও; গ্যাসের উপর নির্ভরশীলতা থাকায় গ্যাস ছাড়া রানা করতে পারছি না।’ শহরের মাইকপট্টি এলাকার চা-দোকানি আমির হোসেন জানান, পেট্রোম্যাক্স গ্যাস ১৬০০ টাকায় কিনেছেন। বিক্রেতা পরিচিত হওয়ায় ওই দামে দিয়েছে। কিন্তু অন্যদের কাছে আরও বেশি দামে বিক্রি করছে। প্রশাসন জরিমানা করলে সেই টাকা তুলতে বিক্রেতারা আরও দাম বাড়িয়ে দেয়। সিটি কলেজপাড়ার আছিয়া খাতুন বলেন, চারদিন আগে ১৫০০ টাকায় সিলিন্ডার কিনেছি। আমার মতো যারা শুধু গ্যাসই ব্যবহার করেন, তারা অত্যন্ত বিপদে রয়েছেন। মাটির চুলা, স্টোভ বা বিদ্যুৎচালিত চুলা সবার ঘরে নেই।

গরীবশাহ সড়কের গ্যাস সরবরাহকারী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘সরবারহ নেই। অন্য ছুটির দিনে ৮০-৯০টি সিলিন্ডার বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতাম। আজ ছুটির দিনে চাহিদা থাকলেও দিতে পারছি না।’ গরীবশাহ এলাকার কাদের এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সাজ্জাদ অর্নব জানান, জানুয়ারির প্রথম থেকে সংকটের শুরু হয়। ডিলাররা ১৩০৬ টাকার গ্যাস ১৩৭০ টাকায় বিক্রি শুরু করেন। ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম ১৪০০ থেকে ১৪৩০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছায়। কিন্তু এর মধ্যে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক খুচরা ব্যবসায়ী ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত দাম নিচ্ছেন। এটি প্রশাসনের দেখা দরকার। আর সরবরাহ সঙ্কট নিয়ে ডিলাররা বলছেন, তারা কোম্পানি থেকে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস পাচ্ছেন না। আবার সরবরাহও দেরিতে করা হচ্ছে। ফলে তাদের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি ডিলার পর্যায়ে দাম বাড়ানোর ব্যাপারে কোম্পানিগুলোও সদুত্তর দিচ্ছে না। তাই সবমিলিয়ে এলপিজি গ্যাস নিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।’

ব্যবসায়ীরা জানান, গত ডিসেম্বর মাস জুড়ে শহরের বিভিন্ন খুচরা দোকানে ১২ কেজির প্রতিটি এলপি গ্যাস সার্ভিস চার্জসহ বিক্রি হয়েছে এক হাজার ৩৫০ টাকার মধ্যে। পরে সরকারি রেট অনুযায়ী ১২ কেজির এলপিজি এক হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণের প্রতিবাদে ধর্মঘট ডাকেন রাজধানীর গ্যাস পরিবেশকরা। যার প্রভাব পড়ে খুচরা পর্যায়ে। ৮ জানুয়ারি এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড রাজধানীতে এলপিজি বিপণন ও সরবরাহে ঘোষিত অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে। তবে ধর্মঘট প্রত্যাহার হলেও যশোরের বাজারে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। সংকটের কারণে বাড়তি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জেলাব্যাপি পুলিশের তল্লাশী চৌকি

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬

আদর্শ ও সফল ব্যবসায়ী গঠনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬

যশোরে নানা আয়োজনে অমল সেনের মৃত্যুবার্ষিকী পালন

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : ডিডি এনএসআই (অব.) মুফাজ্জেল হোসেন

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.