বাংলার ভোর প্রতিবেদক
পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করেছে যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।
বুধবার শহরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে মিছিল শেষে সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের তথাকথিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নামে বিরোধী দল আর দেশ থেকে গণহত্যা চালিয়ে, পালিয়ে যাওয়া খুনি হাসিনার সুরে কথা বলছে।
তারা কোন ইস্যু না পেয়ে পরিকল্পিতভাবে দেশে শৃঙ্খলা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। দেশের শান্তি শৃঙ্খলা গণতান্ত্রিক ধারা নষ্টের চেষ্টা করা হলে এনসিপি জামায়াত কিংবা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ যেই হোক কাউকেই ছাড় না দেয়ার হুশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ মনে করছে ডিসেম্বরে হাসিনাকে ফিরিয়ে আনবে আর বিরোধী দল জামায়াত এনসিপি ডিসেম্বরে সরকার পতনের কথা বলছে। কিন্তু ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার চোখে চোখ রেখে তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাজপথে ছিলাম। দুই চারটি ককটেল ফাটিয়ে তারেক রহমানের সরকারের পতন ঘটানো যাবে না।
সারাদেশে হাজার হাজার নেতাকর্মী জীবন দিয়েছে লাখ লাখ নেতাকর্মী অজস্রবার কারাগারে গিয়েছে, তারপরও হাসিনার কাছে মাথা নত করিনি। শুধু যশোরেই অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী জীবন দিয়েছে তবুও হাসিনার কাছে আমাদের নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মাথা নত করেননি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, মাত্র ৬ মাসের একটি নির্বাচিত সরকার হাসিনার সীমাহীন লুটপাটে তলাবিহীন ঝুড়ির মতো রেখে যাওয়া দেশকে পুনর্গঠনে দেশের ইতিহাসের একমাত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবারও অফিস করেন। এই সময়ে বিএনপির কোন এমপি কিংবা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোন একটি অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোন একটি সরকার যারা ক্ষমতায় আসার পর দিন থেকে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল, সদস্য সচিব রাজিদুর রহমান সাগর প্রমুখ। এর আগে মণিহার এলাকা থেকে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম এবং শহিদুল বারী রবুর নেতৃত্বে মিছিল বের হয়।
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আলী হায়দার রানা, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তাফা তরফদার রয়েল, সদস্য সচিব সাইফুল বাশার সুজন, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব রাজু আহমেদ প্রমুখ।
