♦ অবগত নন : আ. কাদের
♦ অন্যান্য প্রার্থীদের উদ্বেগ
♦ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের দাবি
বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার দ্বিতীয় দিনেই জাতীয় পার্টির প্রচারণার গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের বেজপাড়া তালতলা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রচারণায় নিয়োজিত তিনটি ইজিবাইকের প্রচারণা বন্ধ করে দেয়া হয়। বাইকে থাকা কর্মীদের হুমকি ধামকি প্রদান করাসহ প্রচারণার ব্যানার ছিড়ে ফেলা হয়।
জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। এ সময় এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়নি।
হামলার ঘটনায় জাতীয় পার্টির পক্ষে কোতোয়ালি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

জাতীয় পার্টি মনোনীত যশোর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী খবির গাজী বলেন, শহরের তালতলা মোড়ে আমার নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িতে হামলা করা হয়েছে। জামায়াতের কর্মীরা এই হামলা করেছে। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। প্রশাসনকে জানিয়েছি। প্রচারণার দ্বিতীয় দিনেই এই হামলার ঘটনায় আমি উদ্বেগ প্রকাশ করছি। এমন হামলার ঘটনা ঘটলে তো সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। আমি মনে করি প্রশাসন একপাক্ষিক আচরণ করছে। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পাচ্ছি না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সদর আসনের প্রার্থী শোয়াইব হোসেন বলেন, আমি একজন প্রার্থী হিসেবে এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার দাবি করছি। নির্বাচনে সকল প্রার্থীর জন্য মাঠে সমান সুযোগ সুবিধা থাকতে হবে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত যশোর-৩ আসনের প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, এই হামলার ঘটনায় আমি নিন্দা জানাই। প্রশাসনকে বলব অতিদ্রুত এই ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আমরা একটা সুষ্ঠ গণতান্ত্রিক পরিবেশের দিকে যাচ্ছি। তখন এই হামলা আমাদের ব্যথিত করে। তারাও তো নির্বাচন কমিশন থেকে ভোট করার বৈধতা নিয়ে মাঠে কাজ করছে।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি যশোর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী নিজামদ্দীন আমিত বলেন, আমি প্রথম থেকেই প্রশাসনকে বলে আসছি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে। আজ যে ঘটনা ঘটেছে সেটার বিষয়ে একজন প্রার্থী হিসেবে আমি দুঃখ ও নিন্দা প্রকাশ করছি।

যশোর-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল কাদেরের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে জানানো হয় এই ঘটনার বিষয়ে তারা অবগত নন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, এখনও পর্যন্ত আমার কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

