Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • ইয়াবাসহ আটক ব্যক্তির তিন মাসের কারাদণ্ড
  • বেনাপোল কাস্টমসে ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি
  • যশোরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রিয়মুখ মনির হোসেন খান আর নেই
  • মণিরামপুরের সার্বিক উন্নয়নে সব পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে
  • বীর উত্তম কর্নেল তাহেরের ৫০তম হত্যাবার্ষিকী পালিত
  • সাতক্ষীরায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত
  • অভয়নগরে কলেজছাত্র নিখোঁজ, থানায় জিডি
  • কোটচাঁদপুরে মাদক বিরোধী অভিযানে যুবকের কারাদণ্ড
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
মঙ্গলবার, জুলাই ২১
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম মে ৩১, ২০২৬

রাজারহাটে চামড়াবাজারে মন্দা, ‘লাম্পিস্কিন-পক্স’ অজুহাতে দাম কমানোর অভিযোগ

banglarbhoreBy banglarbhoreNo Commentsমে ৩১, ২০২৬
Facebook Twitter WhatsApp
রাজারহাটে চামড়াবাজারে মন্দা, ‘লাম্পিস্কিন-পক্স’ অজুহাতে দাম কমানোর অভিযোগ
Share
Facebook Twitter LinkedIn

বাংলার ভোর প্রতিবেদক 
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বৃহত্তর চামড়ার মোকাম যশোরের রাজারহাটে কোরবানির ঈদ-পরবর্তী প্রথম হাটে চামড়ার দাম না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন ক্ষুদ্র ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।  তাদের অভিযোগ, আড়তদাররা ‘লাম্পিস্কিন’ ও ‘পক্স’  আক্রান্ত বলে চামড়া বাতিল দেখিয়ে পানির দামে কিনছেন। এতে ট্যানারি মালিক ও আড়তদারদের সিন্ডিকেটের নতুন কারসাজির কারণে বাজারে ধস নেমেছে।

শনিবার (৩০ মে) রাজারহাটে সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা গরু ও ছাগলের চামড়া নিয়ে হাটে ভিড় করলেও কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। অনেকেই পুঁজি হারানোর আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

খুলনার বটিয়াঘাটা থেকে ৫০টি গরুর চামড়া নিয়ে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী স্বপন দাস জানান, তিনি প্রতিটি চামড়া ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে কিনেছেন। কিন্তু দুপুর পর্যন্ত কোনো আড়তদার দাম বলতে রাজি হননি।

তিনি বলেন, “আড়তদাররা বলছে চামড়ার করোনা হয়েছে। আমি এসব বুঝি না। কিন্তু কেউ দামও বলছে না।”

মাগুরা থেকে আসা ব্যবসায়ী মহানন্দ অধিকারীও একই ধরনের অভিযোগ করেন।

মণিরামপুর উপজেলার ফকির রাস্তা এলাকার ব্যবসায়ী স্বদেশ দাস ৬০টি গরুর চামড়া নিয়ে হাটে আসেন। তিনি জানান, প্রতিটি চামড়া ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় কেনা হলেও আড়তদাররা এখন ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম বলছেন। তাদের দাবি, চামড়াগুলো ‘লাম্পিস্কিন’ বা ‘পক্স’ আক্রান্ত হওয়ায় দাম কম।

অন্যদিকে বৃহত্তর যশোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন বলেন, হাটে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লাম্পিস্কিন আক্রান্ত গরুর চামড়া এসেছে। এসব চামড়া প্রসেসিংয়ের সময় ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি থাকায় ট্যানারি মালিকরা নিতে চান না। ফলে এসব চামড়ার বাজারমূল্য কমে গেছে।

তবে এই দাবির সঙ্গে একমত নন যশোর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, জেলার বিভিন্ন পশুহাট পরিদর্শনে গিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লাম্পিস্কিন বা অন্য রোগে আক্রান্ত পশু দেখা যায়নি। তার ভাষ্য, “মানুষ সাধারণত দেখে-শুনেই কোরবানির পশু কেনেন। তাই বাজারের অধিকাংশ চামড়াকে রোগাক্রান্ত বলা বিশ্বাসযোগ্য নয়। এটি ব্যবসায়ীদের কারসাজি হতে পারে।”

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ঈদের পর প্রথম হাটে ঢাকা ও অন্যান্য অঞ্চলের বড় ব্যবসায়ীরা না আসায় স্থানীয় আড়তদাররা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন। এতে প্রতিযোগিতা না থাকায় চামড়ার দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে।

কেশবপুর থেকে আসা সঞ্জয় দাস জানান, বাজার পরিস্থিতি বুঝতে তিনি আটটি গরুর চামড়া নিয়ে এসেছিলেন। শেষ পর্যন্ত সবগুলো চামড়া মাত্র ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। এতে ক্রয়মূল্য ও লবণ খরচও ওঠেনি।

অভয়নগর উপজেলার কোটাপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী রামপদ দাস বলেন, তিনি ২৫টি গরুর চামড়া ও ৪০টি ছাগলের চামড়া নিয়ে এসেছিলেন। ছাগলের চামড়া ২০ টাকা দরে বিক্রি হলেও গরুর চামড়ার ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। তার অভিযোগ, স্থানীয় আড়তদাররা সিন্ডিকেট করে দাম কমিয়ে দিয়েছেন।

তবে বৃহত্তর যশোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল মজিদ পলাশ দাবি করেন, ভালো মানের চামড়া এখনও ভালো দামে বিক্রি হচ্ছে। ঈদের দিন থেকে তিনি প্রায় তিন হাজার চামড়া কিনেছেন, যার দাম ৫০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকার মধ্যে।

চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মুকুল বলেন, ঈদের মাত্র একদিন পর হাট বসায় এবার বাজার পুরোপুরি জমেনি। বাতিল বা নিম্নমানের চামড়া ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং ভালো চামড়া ৭০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আগামী হাটে বাইরের ব্যবসায়ীরা এলে বাজারে গতি ফিরতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের সবচেয়ে বড় এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চামড়ার মোকাম রাজারহাটে প্রায় ৩০০ আড়ত রয়েছে। সপ্তাহে দুই দিন—শনিবার ও মঙ্গলবার—এখানে হাট বসে। খুলনা বিভাগের ১০ জেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা এ বাজারে চামড়া কেনাবেচা করেন।

রাজারহাটের ইজারাদার রাজু আহমেদ জানান, শনিবারের হাটে প্রায় ১০ হাজার গরুর চামড়া ও কয়েক হাজার ছাগলের চামড়া এসেছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার চামড়া বেচাকেনা হয়েছে। তবে বাজারে প্রত্যাশিত ক্রেতার উপস্থিতি না থাকায় লেনদেনের পরিমাণ অন্যান্য বছরের তুলনায় কম ছিল।

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

ইয়াবাসহ আটক ব্যক্তির তিন মাসের কারাদণ্ড

বেনাপোল কাস্টমসে ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি

যশোরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রিয়মুখ মনির হোসেন খান আর নেই

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.