বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরের চৌগাছা উপজেলার লস্করপুর গ্রামের আতিয়ার রহমান হত্যাকণ্ডের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহতের পরিবার।
বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ভাই রাশেদ আলী এ দাবি জানান।
রাশেদ আলী বলেন, তার ভাই আতিয়ার রহমান বেড় গোবিন্দপুর বাজারের একটি মাছের ঘেরের পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন।
গত ২০ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে বের হন। পরদিন ২১ জুন সকালে তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে থানায় অভিযোগ জানানো হলে মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ওসমান নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বেড় গোবিন্দপুর বাজারের একটি দোকানের পাশে কুচুরিপানির নিচ থেকে আতিয়ার রহমানের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তাদের অভিযোগ, ওসমানের স্বীকারোক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরবর্তীতে সুজা ও কবির নামে আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তবে লাশ উদ্ধারের পর তদন্তের এক পর্যায়ে মূল সন্দেহভাজনদের আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মামলার সময় পুলিশ ওসমানের নাম বাদ দিয়ে শুধু সুজা ও কবিরের নাম অন্তর্ভুক্ত করে।
রাশেদ আলী বলেন, তিনি বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে চৌগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
কিন্তু মামলার এজাহারভুক্ত ৯ আসামির মধ্যে মাত্র তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নিতে পরিবারকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
নিহতের পরিবারের দাবি, একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে আতিয়ার রহমান হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

