বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোর শহরের নাজির শংকরপুরের আফজাল হোসেন হত্যা মামলায় ১১ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে যশোর সিআইডি পুলিশ। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় এক কিশোরসহ তিনজনের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক সেলিম রেজা।
অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, সদর উপজেলার চানপাড়ার সুজন ওরফে টেরা সুজন, শহরের বকচর এলাকার জাহিদ হাসান, হুশতলা কবরস্থান এলাকার সানোয়ার ইসলাম, নীলগঞ্জের শুকুর, নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়ার ইব্রাহিম, পলাশ হোসেন, মিলন, ছোট সাকিব, নাজির শংকরপুরের বিপ্লব গাজী, আর এন রোড নলডাঙ্গা রোড এলাকার সাজ্জাদ হোসেন জিসান ও বারান্দীপাড়া কাঁঠালতলা এলাকার জুম্মাতুল ইসলাম শুভ ওরফে ছোট শুভ।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, টেরা সুজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তিনি শংকরপুরের মাঠপাড়ায় মাদক বিক্রি করত। আফজাল হোসেন মাদক বিক্রি করতে নিষেধ করে টেংরা সুজনকে।
এ নিয়ে আফজারের সাথে তার বিরোধের সৃষ্টি হয়। ২০২২ সালের ২৯ মে আফজাল ও প্রতিবেশী সুমন শংকরপুরের জিরোপয়েন্ট থেকে দুধ কিনে বাড়ি ফেরার পথে সিটি মডেল স্কুলের সামনে পৌছালে টেরা সুমনের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা আফজালকে কুপিয়ে জখম করে।
গুরুতর আহত আফজালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে নিহতের পিতা সলেমান শেখ বাদী হয়ে টেরা সুজনসহ তিনজনের নাম উল্লেখসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ পরে সিআইডি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পায়।
মামলার তদন্তকালে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সাথে জড়িত থাকায় ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
হত্যার সাথে জড়িত থাকার অষিযোগ না পাওয়ায় নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়ার বিল্লাল হোসেন ওরফে ফয়সাল হোসেন অভি, শেখ আব্দুল আহাদ ও কিশোর আশিকের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে।
চার্জশিটে অভিযুক্ত ছোট সাকিব ও শুকুরকে পলাতক রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
