কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শামছুলের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, বাজেট বরাদ্দ আত্মসাৎ ও কার্যালয়ে নিয়মিত অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে যোগদানের পর থেকেই তিনি ১১টায় অফিসে এসে ১টায় প্রস্থান করেন এবং দিনের অধিকাংশ সময় ঝিনাইদহ শহরের মডার্ন মোড়ে অবস্থান করেন বলে স্থানীয় ভুক্তভোগীদের দাবি। এছাড়া অফিসের মোটরসাইকেল ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার এবং ‘মাতৃছায়া ফাউন্ডেশন’ নামক একটি সংস্থাকে বারবার প্রশিক্ষণ বরাদ্দ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, এসব অনিয়মের বিষয়ে সাংবাদিকরা তথ্য আইনে তথ্য চাইলে হয়রানিসহ প্রভাবশালী কর্তৃক সাংবাদিকদের হুমকি দেয়া হয়।
জানা গেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রথম দফার বাজেটের আওতায় অনুষ্ঠান (৩০ হাজার টাকা), জ্বালানি (৮,৫০০ টাকা), আসবাবপত্র (৪৭ হাজার টাকা), কম্পিউটার (১৫ হাজার টাকা) ও বৈদ্যুতিক/অফিস সরঞ্জাম (১২ হাজার টাকা) বাবদ বরাদ্দ পাওয়া অর্থ ভুয়া ভাউচারে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে, যা সরেজমিনে অফিসের জরাজীর্ণ আসবাবপত্র তার প্রমাণ দেয়।
অভিযোগ রয়েছে এ কার্যালয়ে যোগদানের পর থেকে নিয়মিতভাবেই তিনি এসব অর্থ আত্মসাত করে চলেছেন।
ঝিনাইদহ জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিলকিস আফরোজ জানান, মাসিক সভা ছাড়া তিনি জেলা অফিসে আসেন না এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসাইন জানান, অভিযোগের বিষয়ে তিনি অবগত এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
তবে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোটরসাইকেল নিজ বাসায় রাখার ভুল স্বীকার করলেও অন্যান্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
