Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • রূপালী পর্দা থেকে রাজনীতিতে সবদুল
  • আশাশুনিতে পটকা মাছ খেয়ে নিহত ১, অসুস্থ চার
  • কেশবপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ. লীগের ৩ নেতাসহ আটক ৫
  • অবৈধভাবে ভারত যাওয়ার সময় মহেশপুর সীমান্তে আটক ৬ বাংলাদেশি
  • লোহাগাড়ায় পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
  • রামপালে মোবাইল কোর্টে দুই প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড
  • শ্যামনগরে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
  • যশোর জেলা পরিষদ প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জেআরইউ’র
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Tuesday, September 15
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

ঘেরের বাঁধ হিসেবে সরকারি রাস্তা ব্যবহার : হুমকিতে শতাধিক গ্রামীণ সড়ক

banglarbhoreBy banglarbhoreJuly 3, 2024No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

কেশবপুর সংবাদদাতা:
সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহারসহ পানি নিস্কাশন পথ বন্ধ করে যশোরের কেশবপুরে প্রভাবশালী মৎস্য ঘের ব্যবসায়ীরা সাড়ে চার হাজার মাছের ঘের গড়ে তুলেছেন। এতে একদিকে যেমন জলাবদ্ধতার কারণে বিলে কোনো ফসল আবাদ হচ্ছে না, অন্যদিকে শত শত হতদরিদ্র মৎস্যজীবী পরিবার বিলে মাছ শিকার করতে ব্যর্থ হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অপরিকল্পিতভাবে ঘেরের বেড়িবাঁধ করার কারণে হুমকিতে পড়েছে শতাধিক গ্রামীণ সড়ক। যুগ যুগ ধরে ঘের ব্যবসায়ীরা রাস্তাকে ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করে চললেও প্রশাসন রয়েছে নীরব।

কেশবপুর পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬৫৮টি মাছে ঘের রয়েছে। এর মধ্যে বলদালি, টেপুর বিল, বিল গরালিয়া, পদ্মবিল, ঘোচমারার বিল, কাদার বিল, হাজোয়ার বিল, বিল খুকশিয়া, বিষ্ণুপুর বিল, বাগমারার বিল, কালিচরণপুর বিল, নারায়নপুর, কাকবাঁধাল, ময়নাপুর বিল উল্লেখযোগ্য।

আশির দশকে এসব বিলে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করত এলাকার হাজারও জেলে সম্প্রদায়। এছাড়া বিলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা থাকায় ধান, পাট, কলাই, মশুড়ি, শাকসবজিসহ বিলে বিভিন্ন ধরনের ফসল আবাদ হতো। নব্বইয়ের দশকে এসব বিল, খাল, নদ-নদী অববাহিকার জমি দখল করে সমাজের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি মাছ চাষ শুরু করেন। ঘের ব্যবসায়ীরা গ্রামীণ প্রধান সড়কগুলো ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করে মাছ চাষ শুরু করেন। ফলে বিলের ওপর নির্ভরশীল হাজারও জেলে সম্প্রদায় ও হতদরিদ্র মানুষ মাছ শিকারে ব্যর্থ হয়ে বাধ্য হয় অন্যপথ বেছে নেন জীবিকা নির্বাহে। ঘের মালিকরা ব্যক্তিগতভাবে পাকা কালর্ভাট নির্মাণ করে পানি নিস্কাশন পথ বন্ধ করার পাশাপাশি খালের মুখে পানি উন্নয়ন বোর্ড পোল্ডার নির্মাণ করায় উপজেলাব্যাপি দেখা দেয় স্থায়ী জলাবদ্ধতা।

যশোর- সাতক্ষীরা মহাসড়ক, কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়ক, কেশবপুর সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহারে হুমকি বাড়ছে ভেরচি সড়ক, কেশবপুর ভান্ডারখোলা সড়ক, কলাগাছি- চুকনগর সড়ক, মঙ্গলকোট- হিজলডাঙ্গা সড়ক, ভান্ডারখোলা ভায়া আঠারো মাইল সড়ক, পরচক্রা সড়কসহ হাজারও গ্রামীণ ইটের সোলিং সড়ক ঘেরে ধসে বিলীন হয়ে গেছে। এসব সড়ক দিয়ে সাধারণ মানুষ, হাটুরেসহ ছোট- বড় যানবাহন চলাচলে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া, ঘের মালিকরা সরকারি খালের পানি নিষ্কাশন পথে ব্যক্তিগতভাবে পাকা কালভার্ট দিয়ে পানি নিষ্কাশন পথ বন্ধ করায় উপজেলার বাগডাঙ্গা, মনোহরনগর, কালিচরণপুর গ্রামসহ ৮ থেকে ৯টি গ্রামের শত শত পরিবার বছরের অধিকাংশ সময় পানিবন্দি জীবন যাপন করে থাকে। সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার পরচক্রা বাজারের পাশে ঘের মালিক সুব্রত মন্ডল সড়কের পাশে গভীরভাবে ক্যানেল করে মাটি তুলে দিচ্ছে পিচের রাস্তার ওপর। বর্তমান পর্যাপ্ত বর্ষা না হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানি তুলে ঘের ভরাটের কাজ করছে। এতে রাস্তা ধসে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ঘের মালিকরা সড়ক অবৈধভাবে বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করে মাছ চাষ করার ফলে সড়কের পাশের ঢাল, সোল্ডারসহ পিচের রাস্তা ভেঙে গেছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী সড়ক থেকে ৬ ফুট দূরত্বে পৃথক বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষের বিধান রয়েছে। ঘের মালিকরা তা অমান্য করে সড়কের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে চলেছে। এসব সড়কের দু’পাশে ঢাল না থাকায় ঠিকাদারও কাজ করতে চায় না।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সজীব সাহা বলেন, এ উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৮টি মাছে ঘের রয়েছে। যার মধ্যে সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর জলাকার রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ ঘের ১২ মাসের রয়েছে। ঘের মালিকরা ২১টি সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষ করছেন। অপরিকল্পিত ঘেরের জন্যে একদিকে যেমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি স্রোত সৃষ্টির অভাবে নদীগুলো মরে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, জলাবদ্ধতার কবল থেকে মুক্তি পেতে ২০০০ সাল থেকে এসব বিলের ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার কৃষক ঘের মালিকদের কাছ থেকে বিল উদ্ধারে আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসলেও তাতে সুফল মেলেনি।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    রূপালী পর্দা থেকে রাজনীতিতে সবদুল

    September 15, 2026

    আশাশুনিতে পটকা মাছ খেয়ে নিহত ১, অসুস্থ চার

    September 15, 2026

    কেশবপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ. লীগের ৩ নেতাসহ আটক ৫

    September 15, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.