সুমন ব্রহ্ম, ডুমুরিয়া
ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর অধীনে নির্মিত ঘরে বসবাসরত পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন উচ্ছেদ আতংকে। ইতিমধ্যেই লাল পতাকা লাগিয়ে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।
যার মধ্যে রয়েছে চুকনগর আবাসন প্রকল্পের প্রায় ৪০ টি ঘর। জানা যায়, বিগত সরকারের আমলে চুকনগরের ভদ্রা নদীর তীরে ভূমিহীনদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর অধীনে ৬৫ টি ঘর।
প্রত্যেকটি ঘরের জন্য বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ টাকা। প্রত্যেকটা ভূমিহীন পরিবারকে দেয়া হয়েছিল দুই শতক জমিসহ একটি বাড়ি। ইতিমধ্যে জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য আপার ভদ্রাসহ মোট ছয়টি নদী খননের কাজ চলমান রয়েছে।
সেই ভদ্রা নদী খননের ডিজাইন অনুযায়ী আবাসনের ঘরগুলো নদীর আওতায় পড়েছে। আবাসনের ঘর থেকে আসবাবপত্র সহ সকল জিনিসপত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে বসবাসকারী ভূমিহীন পরিবারের সদস্যরা।
সরেজমিনে গিয়ে কথা বললে বসবাসকারী উপস্থিত সকলেই বলেন আমাদের ঘরগুলো যদি ভেঙে দেয় তাহলে আমরা কোথায় যাবো ছেলে মেয়ে নিয়ে কি করবো বুঝতে পারছিনা।
তথ্য নিলে আরো জানা যায়, কপোতাক্ষ নদ ও তৎ সংলগ্ন জলাবদ্ধতা নিরাসনের (২য় পর্যায়) (১ম সংশোধনী) প্রকল্পের অধীনে ছয়টি নদী খননের কাজ চলমান রয়েছে। তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১৪০ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে কথা বললে চুকনগর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সরদার বিল্লাল হোসেন বলেন যেহেতু সরকারিভাবে ঘরগুলো নির্মান করা হয়েছে এবং ভূমিহীন মানুষরা রয়েছে আমরা চাই ঘরগুলো থাকুক।
না হলে ওই অসহায় লোকগুলো এখন যাবে কোথায়।
কথা বললে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস বলেন আমি সরেজমিনে দেখে এসেছি বসবাসকারী লোকদের সাথে কথা বলেছি। নদী খননের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
