বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোরের অভয়নগরে স্কুল চলাকালে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় সহায়তার অভিযোগে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলিয়া আফরিন ও দপ্তরি মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় নওয়াপাড়া বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন মূল অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরান হোসেন।
আটক জুলিয়া আফরিন উপজেলার চেঙ্গুটিয়া গ্রামের এবং মোস্তাফিজুর রহমান বাহিরঘাট গ্রামের বাসিন্দা।
অভয়নগর থানার ওসি (তদন্ত) শেখ লুৎফর রহমান জানান, গত ২৬ অক্টোবর সোমবার বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাথরুমে যায়।
এ সময় সহকারী শিক্ষক বুইকারা গ্রামের ইমরান হোসেন বাথরুমে প্রবেশ করে এবং মেয়েটিকে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। এরপর কাউকে কিছু জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
বাড়ি ফিরে পরের দিন মেয়েটি স্কুলে যেতে না চাইলে তার মা কারণ জানতে চান। সে সময় সে শিক্ষক কর্তৃক ধর্ষণের ঘটনা জানায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। এ ঘটনায় মেয়েটির পিতা বাদী হয়ে মামলা করেন।
ওসি (তদন্ত) আরো জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ধর্ষণের ঘটনাটি অভিভাবক ও তার স্বজনরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে জুলিয়া আফরিনকে জানালেও তিনি কোন পদক্ষেপ না নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে দপ্তরি মোস্তাফিজুর রহমানের সাহায্যে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন।
যে কারণে বুধবার সন্ধ্যায় তাদের আটক করা হয়েছে। আটকদের ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়।
ওসি (তদন্ত) জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরান হোসেনকে গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ। দ্রুততম সময়ে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
