বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোর শহরের বকুলতলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) কেশবপুরের আলতাপোল গ্রামের বিশ্বাসপাড়ার বাসিন্দা ও গেজেটভুক্ত জুলাইযোদ্ধা আব্দুল হালিম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২ নভেম্বর ভোর আনুমানিক ৪টা ৩৫ মিনিটে যশোর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বকুলতলা এলাকায় গরীব শাহ মাজারসংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলে করে তিন ব্যক্তি সেখানে আসেন। তাঁদের মধ্যে দুজন মোটরসাইকেল থেকে নেমে একটি পাত্র থেকে দাহ্য পদার্থ বের করে স্মৃতিস্তম্ভের মাঝামাঝি অংশে ছড়িয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে তাঁরা দ্রুত মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অগ্নিসংযোগের ফলে স্মৃতিস্তম্ভের মাঝামাঝি অংশে কালো দাগ পড়ে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন আব্দুল হালিম। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করেন। ফুটেজে তিন ব্যক্তিকে মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে আসতে এবং তাঁদের মধ্যে দুজনকে নেমে অগ্নিসংযোগ করতে দেখা গেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই-২০২৪-এর চেতনাকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এর মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
এজাহারে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাঁদের সহযোগী, মদদদাতা ও অর্থের জোগানদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
