Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • যশোরে বিদ্যুৎকর্মীদের বিক্ষোভ ( ভিডিও সহ )
  • সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে হাসপাতাল এলাকায় ক্লিনিক
  • মণিরামপুর মাদানীয়া নূরানী মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ
  • কবি কাজী নজরুল ইসলামে স্মরণোৎসব অনুষ্ঠিত
  • তরুণদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে : অধ্যাপক নার্গিস বেগম
  • ‘মাদককে ঘৃণা, সুস্থ জীবনের প্রত্যয় রিকভারিদের’
  • শ্যামনগরে ছেলের লাথিতে গেল মায়ের দাঁত
  • মেধা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এএসআই নিয়োগে যশোর পুলিশের ব্রিফিং
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
রবিবার, জুন ২৮
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম এপ্রিল ২১, ২০২৪

সাতক্ষীরার একমাত্র ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠান সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস ৫ বছরেও চালু হয়নি

banglarbhoreBy banglarbhoreNo Commentsএপ্রিল ২১, ২০২৪
Facebook Twitter WhatsApp
Share
Facebook Twitter LinkedIn

সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

পাঁচ বছরেও চালু করা যায়নি সাতক্ষীরার একমাত্র ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠান সুন্দরবন টেক্সটাইল মিল্স। ফলে নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি। এতে করে হতাশায় ভুগছেন চাকরি হারানো বিপুল সংখ্যক শ্রমিক। সকল ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে মিলটি আবারো চালুর দাবি বাস্তবায়ন কমিটিসহ শ্রমিকদের। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, পিপিটি’র মাধ্যমে চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে মিলটি।

সুন্দরবন টেক্সটাইল মিল্স সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার একমাত্র ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠান এই মিলটি। ১৯৮৩ সালে সাতক্ষীরা শহর উপকণ্ঠের মাগুরা এলাকায় ৩০ একর জায়গায় স্থাপন করা হয় সুন্দরবন কেক্সটাইল মিলস। মিলটিতে একসময় দেড় হাজার শ্রমিক কাজ করতেন। মূল ইউনিট ও নীল কমল ইউনিটের আওতায় ৩৯ হাজারেরও বেশি টাকু ঘুরতো প্রতিনিয়ত। মিলের দু’টি ইউনিটের সুতা উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ১০ হাজার কেজি। তবে এর জৌলুস বেশিদিন থাকেনি। ক্রমাগত লোকসানের ফলে ২০০৭ সালে শ্রমিক-কর্মচারীদের বিদায় জানানো হয় গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে। পরে সার্ভিস চার্জ পদ্ধতিতে মিলটি চালু হয়। তাও টেকেনি বেশিদিন। ২০১৭ সালের শেষের দিকে মিলটি ভাড়ায় নেয় নারায়ণগঞ্জের ট্রেড লিংক লি.।

লোকসান হতে থাকায় একবছর কয়েকমাস চালানোর পর ২০১৯ সালে আবারো বন্ধ ঘোষণা করা হয় মিলটি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় মরিচা পড়ে নষ্ট হচ্ছে কয়েক কোটি টাকার যন্ত্রপাতি। প্রতিষ্ঠানটি দেখভালের জন্য বর্তমানে ৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারি নিয়োজিত আছেন।

৫ বছর মিলটি বন্ধ থাকায় বেকার জীবন-যাপন করছেন এলাকার চারশ’ শ্রমিক। জেলার একমাত্র ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠানটি অবিলম্বে চালু করতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি শ্রমিকদের।
এ বিষয়ে শ্রমিক রেজাউল হক রেজা জানান, আমি এখানে চাকরি করতাম। রুটি-রুজি আমার সেভাবেই। এখন সেটা বন্ধ হয়ে গেছে। মিলটা চালু হলে আমাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।

মিলটি চালুর দাবিতে কমিটি গঠন হয়েছে সম্প্রতি। পরিকল্পিতভাবে চালু করতে পারলে লাভবান হতে পারবেন কর্তৃপক্ষ,অভিমত শ্রমিক নেতৃবৃন্দের।
এ বিষয়ে সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস চালু বাস্তবায়ন কমিটির দপ্তর সমন্বয়কারী শেখ শওকত আলী জানান, ‘এই মিলের লাভ দিয়ে আমিন টেক্সটাইল মিল ও মাগুরা টেক্সটাইল মিল গঠিত হয়েছে। কিন্তু বিএনপি সরকারের ভ্রান্তনীতির কারণে আজ মিলটি দেউলিয়া হয়ে গেছে। সে সময় পাকিস্তানী তুলা আমদানি করে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে মিলটি। আমরা দাবি করি, সরকার যেকোনভাবে মিলটি চালু করুক।

সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস চালু বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব মাগফুর রহমান জানান, সরকার লস দিয়ে চালাবেনা। পিপিপির মাধ্যমে বিটিএমসি ইতোমধ্যে তিনটি মিল চালু করেছে। ত্রিশবছরের লিজে সেগুলো তারা চালাচ্ছে। তারা লাভবান হতে পারলে এই মিল চালু হতে পারবেনা কেন।

কমিটির আহবায়ক শেখ হারুন-উর-রশিদ বলেন, সম্প্রতি মিলটি চালুর বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আশরাফুজ্জামান আশু সংসদে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন। মিলটি চালু না হলে একদিকে যেমন কয়েক কোটি টাকার যন্ত্রপাতি নষ্ট হবে, তেমনি কর্ম হারানো শ্রমিকরা স্থায়ী বেকার হয়ে পড়বে।

চালুর বিষয়ে মিলটির বর্তমান ইনচার্জ শফিউল বাশার জানান, বিদ্যুৎ সংকট ও মেশিনারিজ পুরনো হওয়ায় সর্বশেষ ২০১৯ সাল থেকে বন্ধ হয়ে যায় মিলটি। আর চালানো সম্ভব হয়নি। আমি যতটুকু জানি, পিপিপি’র (সরকারি-বেসরকারি অংশিদারিত্ব) মাধ্যমে মিলটি চালানোর চিন্তা বিটিএমসি’র আছে।

তবে বাস্তবতার নিরিখে মিলটিকে চালানো সম্ভব নয় বিধায় টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট তৈরি করার চিন্তাও সরকারের মাথায় রয়েছে বলে জানান সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হুমায়ুন করিব।

তিনি বলেন, মিলটি বেশ আগে থেকে বন্ধ রয়েছে। বাস্তবতার নিরীখে ক্রমাগত লোকসান দিয়ে টেক্সটাইল মিলকে হয়ত আর চালু করা সম্ভব হবেনা। আমরা চিন্তা করছি একটা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট করা যায় কিনা। যাতে শিক্ষার্থীরা এটা নিয়ে পড়ালেখা করতে পারে। আমি ডিসি সম্মেলনে এই প্রস্তাব দিয়েছি। বস্ত্র মন্ত্রণালয়ে এই প্রস্তাব দেয়ার পরে তা তারা গ্রহণ করেছেন। তিন একর জায়গা লাগবে, ইনস্টিটিউট করতে। বাকি জায়গা অন্যভাবে ব্যবহারের কথা ভাবছে মন্ত্রণালয়, যাতে ভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়।

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

যশোরে বিদ্যুৎকর্মীদের বিক্ষোভ ( ভিডিও সহ )

সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে হাসপাতাল এলাকায় ক্লিনিক

মণিরামপুর মাদানীয়া নূরানী মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.