Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নানা আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত
  • ভ্যানিলা চাষ : বাণিজ্যিক সম্প্রসারণে বাঁধার পরও স্বপ্ন বুনছেন সারোয়ার
  • তালায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বর্ণাঢ্য র‌্যালি
  • বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আশাশুনিতে বিএনপির র‌্যালি
  • বাংলার ভোর সম্পাদকের পিতা প্রথিতযশা সংবাদপত্রসেবী সৈয়দ নজমুল হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার
  • যশোরে বিশ্ব রেডিওগ্রাফি দিবস পালিত
  • ‘বাবা’, ওই দূর নক্ষত্রের মাঝ থেকে আমায় দেখছ তো?
  • যশোরে কবিরাজ পরিচয়ে প্রতারণা স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ২
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Monday, November 9
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

খেজুর গুড় তৈরিতে ব্যস্ত যশোরের চাষিরা

banglarbhoreBy banglarbhoreJanuary 11, 2025No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরে খেজুর গুড় তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। উৎপাদিত গুড়ের দামও ভালো পাচ্ছেন। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া ও অপ্রতুল গাছির উৎপাদনের পরিমাণ কিছুটা কম বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। কৃষি বিভাগের দাবি, এ বছর তিন হাজার ১০০ মেট্টিক টন গুড় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এ প্রক্রিয়া বাড়াতে গাছি তৈরিতে প্রতিবছরই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

যশোরের নলেন গুড়, পাটালি ও ঝোলা গুড়ের সুনাম দেশব্যাপি। গুড়ের চাহিদা থাকায় প্রতিবছর কার্তিক মাস শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই খেজুর গাছ ছেঁটে রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। এ বছর প্রতিকূল আবহাওয়া ও অপ্রতুল গাছির কারণে রস আহরণের গাছের সংখ্যা কমলেও যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরাসহ ৮ উপজেলার গাছিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিশেষ করে খুব ভোরে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ ও তা জ্বালিয়ে দিনের অর্ধেকটা সময় পার করছেন তারা এবং তাদের উৎপাদিত গুড়ের দামও ভালো পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন চাষিরা। হাটে বাজারে বিক্রির পাশাপাশি অনেকে বাড়ি থেকে গুড় সংগ্রহ করায় তারা বেশ লাভবান হচ্ছেন।

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরায় বেশ কয়েকজন গাছির দেখা মেলে। তারা ব্যস্ত ছিলেন গাছ থেকে রস আহরণের কাজে। ঘন কুয়াশা ঘেরা সকালে গাছে উঠে রসের হাঁড়ি (ভাড়) নামানোর যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে নিজস্ব বুদ্ধিতে তারা তৈরি করে নিয়েছেন বাঁশের লম্বা ছড়ি। নিচ থেকে ছড়িতে হাঁড়ির দড়িটিকে আটকে নামিয়ে আনছেন। সেই রস বড় কলসিতে ঢেলে আবার হাড়ি জুড়ে দিচ্ছেন গাছে। এই মাঠেই রয়েছে দুই শতাধিক খেজুর গাছ। এছাড়া রাস্তার দুই পাশ ও ধানক্ষেতের আইলের পাশে রয়েছে অসংখ্য গাছ।
গাছিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর একটু বিলম্বে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে গাছ কাটা এবং রস সংগ্রহের মৌসুম শুরু হয়েছে। তখন শীতের তীব্রতা কম থাকায় রসের পরিমাণ কম ছিল। ফলে রস ও গুড়প্রেমীদের চাহিদা মতো সরবরাহ করা সম্ভব হতো না। তবে চলতি বছরের শুরু থেকে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। এতে আগের তুলনায় রসের পরিমাণ বেড়েছে। ফলে ক্রেতাদের চাহিদা মিটিয়ে লাভের মুখ দেখছেন তারা।


নাজিম উদ্দিন নামে এক গাছি বলেন, এবার ৪৩টি গাছ থেকে রস সংগ্রহ করছি। শীত মৌসুমের শুরু থেকে গাছগুলো কাটছি। আছ সাত হাঁড়ি রস পেয়েছি। এই রস জ্বাল দিলে অন্তত পাঁচ-ছয় কেজি গুড় হবে।

মিলন হোসেন বলেন, বংশপরম্পরায় এই পেশায় যুক্ত হয়েছি। এটি হাড়ভাঙা খাটুনির কাজ। এজন্য অনেকে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। অনেক খেজুর গাছ পড়ে থাকে। সরকারিভাবে গাছি প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি করলে গাছি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খেজুরের গুড়ের উৎপাদন আরও বাড়ত।
মিজানুর রহমান নামে অপর এক গাছি বলেন, নিজের গাছ নেই। ২০ বছর ধরে লিজ নিয়ে খেজুর গাছ কাটি। গাছের মালিকদের এই মৌসুমে দুই থেকে চার হাঁড়ি পর্যন্ত গুড় দেয়া লাগে। রস কিংবা গুড় তৈরি করে বিক্রির পর যা আয় হয়, তা কৃষি মজুরির চেয়ে বেশি। এজন্য কষ্ট হলেও তিন মাস রস ও গুড়ের ব্যবসা করছি।

তিনি আরও বলেন, এ বছর খেজুর রস ও গুড়ের দাম বেশ ভালো। প্রতি ভাড় রস ৫০০ টাকা এবং গুড় ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করছি।
এবার নিরাপদ রস সংগ্রহ এবং গুড়ের উৎপাদন বাড়াতে জেলা কৃষি বিভাগ গাছিদের প্রশিক্ষণ এবং সরঞ্জাম দিয়ে আসছে বলে জানিয়েছেন যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. আবু তালহা।

তিনি বলেন, যশোরের খেজুরের গুড় একটি জিআই পণ্য। এ গুড়ের সুনাম দেশব্যাপি। কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টায় রস আহরণ ও গুড় উৎপাদন বেড়েছে। গত বছর ৩ হাজার ৪০ মেট্টিক টন গুড় উৎপাদন হয়েছিল। এবছর ৩ হাজার একশ’ মেট্টিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছর গুড়ের দাম বেশ ভালো, ফলে কৃষক লাভবান হবেন।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলায় প্রায় ২৩ লাখ খেজুরের গাছ আছে। যার মধ্যে সাড়ে ৩ লাখ গাছ থেকে রস আহরণ করে সাড়ে ৬ হাজার ৩০০ গাছি।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নানা আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

    November 9, 2026

    ভ্যানিলা চাষ : বাণিজ্যিক সম্প্রসারণে বাঁধার পরও স্বপ্ন বুনছেন সারোয়ার

    November 9, 2026

    তালায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

    November 9, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মেজর (অব.) আমিনুল ইসলাম

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো. আজহারুল ইসলাম মিথুন

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.