Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • মেয়ের বান্ধবী খুব খারাপ জিজ্ঞাসাবাদের দাবি মায়ের
  • বেশি দামে আগাম শীতকালীন সবজি, খুশি ব্যবসায়ীরা
  • ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহারের উদ্যোগ চালকদের আয় বাড়ার সম্ভাবনা : প্রতিমন্ত্রী অমিত
  • যশোরে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ৪৮ ফ্ল্যাটের ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
  • একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে নির্বাক বাবা-মা দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় তাজমিন
  • সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী অমিত
  • ইসলামী যুব আন্দোলনের যশোরের সভাপতি খাইরুল বাশার ও সম্পাদক আব্দুল আউয়াল
  • স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি স্বামীর
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Saturday, October 10
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

অফিস সহায়ক ছাড়া বাকি সব পদ শূন্য, মিলছে না সেবা

মণিরামপুর মৎস্য কর্মকর্তারা দপ্তর
banglarbhoreBy banglarbhoreMarch 21, 2025No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

বাংলার ভোর প্রতিবেদক

যশোরের মণিরামপুরে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার দপ্তরটি লোকবল সংকটে ভুগছে। এই দপ্তরে বর্তমানে একজন অফিস সহায়ক ছাড়া কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী নেই। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই দপ্তর খোলা থাকলেও কার্যত এখানে কোন সেবা মিলছে না মাছ চাষিদের। উপজেলা মৎস্য দপ্তরে জ্যেষ্ঠ মৎস কর্মকর্তা, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা, ক্ষেত্র সহকারী, অফিস সহকারী ও অফিস সহায়কের পাঁচটি পদ রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই দপ্তরে দায়িত্বে থাকা জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাইদুর রহমান রেজা একমাস আগে বদলি হয়ে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় যোগদান করেছেন। এরপর নতুন কাউকে এখানে পদায়ন করা হয়নি। পাশ্ববর্তী অভয়নগর উপজেলার জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল হককে মনিরামপুরে বাড়তি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বিশেষ কাজ ছাড়া তিনি মণিরামপুরে আসেন না। এই দপ্তরে সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ও ক্ষেত্র সহকারীর পদ খালি রয়েছে প্রায় দুই বছর। আর অফিস সহকারী নেই আট থেকে নয় মাস।

উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্র মতে, ৪৪৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বৃহত্তর এই উপজেলায় ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ৩টি নদ ও ৫টি বাঁওড় রয়েছে। ২৫টি খাল বিলের পাশাপাশি এখানে ১১ হাজার ৬৪৩টি পুকুর ও চার হাজার ৮১০টি মাছের ঘের রয়েছে। যেখানে পাঙ্গাশ, পাবদা, শিং, বিভিন্ন কার্প জাতীয় মাছের পাশাপাশি দুই হাজার ৫৮৫ ঘেরে গলদা ও ৭৫টি ঘেরে বাগদা চিংড়ির চাষ হচ্ছে।

উপজেলার প্রায় ২৫ হাজার মৎস্য চাষি বছরে ৪৮ হাজার ৯৩ মেট্রিকটন মাছ উৎপাদন করেন। যা স্থানীয় চাহিদার তুলনায় ৩৬ হাজার মেট্রিকটন বেশি। সূত্রটি বলছে, জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা না থাকায় মাছ চাষিরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাচ্ছেন না। সেবা নিতে দপ্তরে এসে তাদের খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে নানা কারণে ঘেরে মাছ মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটে। তখন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সরেজমিন ঘের পরিদর্শন করে চাষিদের কার্যকরী পরামর্শ দেন। যা ক্ষতির হাত থেকে চাষিদের রক্ষা করে। নদী বা খালে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় প্রভাবশালীরা পাটা দিয়ে মাছ আটকে রেখে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করেন। বাজারে মেয়াদ উত্তীর্ণ মাছের খাদ্য বিক্রি হয়। অনেক ব্যবসায়ী দপ্তরের নিবন্ধন না নিয়ে মাছের খাদ্য বিক্রি করেন। মাছের ঘেরে মুরগির নিষিদ্ধ বিষ্ঠা ছড়ানো হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসব বিষয় উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অপরাধীদের নিবৃত্ত করে থাকেন। মণিরামপুরে মৎস্য কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকায় এসব কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে।

অফিস সহায়ক নূরুল ইসলাম বলেন, আমি ছাড়া দপ্তরে রাজস্ব খাতের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী এখানে কর্মরত নেই। একটি প্রকল্পে মেরিন ফিসারিজ কর্মকর্তা পদে তহমিনা সিদ্দিকা ও আল-আমিন নামে তাঁর একজন সহকারী আছেন। তাঁদের প্রকল্পের মেয়াদ চলতি বছরের নভেম্বর মাসে শেষ হবে।

তিনি বলেন, অভয়নগর উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে এখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বিশেষ কাজ ছাড়া আসেন না। আমি সকালে এসে দপ্তর খুলে বসে থাকি আর সময় শেষে বন্ধ করি। মাছ চাষিরা সেবা নিতে আসলে বলি, দপ্তরে পরামর্শ দেয়ার মত কেউ নেই। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মৎস্য কর্মকর্তার মোবাইল নম্বর দিয়ে তার সাথে মাছ চাষিদের যোগাযোগ করতে বলি।

নূরুল ইসলাম আরও বলেন, রেজা স্যার যখন ছিলেন তখন আমি ছাড়া অন্য তিন পদও খালি ছিল। স্যারকে একা বাইরের কাজের পাশাপাশি অফিসের অন্য সব কাজ সামলাতে হতো।

উপজেলার ভরতপুর গ্রামের মাছ চাষি আখতারুজ্জামান সোহাগ বলেন, আমার পাঁচ বিঘা ঘেরে গলদা, পাবদা ও সাদা মাছের চাষ আছে। উপজেলা মৎস্য দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শে চাষ করছি। মণিরামপুরে বর্তমানে এই পদে কোন কর্মকর্তার নিয়োগ নেই। অতিরিক্ত দায়িত্বে যিনি আছেন মোবাইলে তার পরামর্শ নিই। কিন্তু জরুরি মুহূর্তে কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা মৎস্য কর্মকর্তার অভাব বোধ করছি।

মণিরামপুরে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল হক বলেন, আমার মূল দায়িত্ব অভয়নগরে। বিশেষ কাজ থাকলে মণিরামপুরে যাই। মাছ চাষিরা মোবাইলে যোগাযোগ করে পরামর্শ নেন।

যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সরকার মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, মণিরামপুরে লোকবল সংকটের কথা আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। দ্রুত সংকটের সমাধান হবে বলে আশা করছি।

অফিস সহায়ক ছাড়া
Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    মেয়ের বান্ধবী খুব খারাপ জিজ্ঞাসাবাদের দাবি মায়ের

    October 9, 2026

    বেশি দামে আগাম শীতকালীন সবজি, খুশি ব্যবসায়ীরা

    October 9, 2026

    ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহারের উদ্যোগ চালকদের আয় বাড়ার সম্ভাবনা : প্রতিমন্ত্রী অমিত

    October 9, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.