Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • যুবদল নেতা শহীদকে অব্যাহতি রানাসহ দুই নেতাকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা
  • যশোরে সবজির বাজার উর্ধ্বমুখি : স্থিতিশীল মাছ-মাংস
  • যশোরে আদালতের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে জমি দখলের অভিযোগ, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা
  • চুড়ামনকাটিতে আট দলীয় ফুটবলে সোনার বাংলা চ্যাম্পিয়ন
  • চৌগাছা কাঁচাবাজারে অবৈধ ১৮ দোকান, জায়গা না পেয়ে ফিরছেন কৃষক-ব্যাপারি
  • যশোরে খেলাফত মজলিসের প্রতিবাদ সমাবেশ
  • নজরুল বর্ষ উদযাপনে বির্বতনের বর্ণিল আয়োজন
  • লোহাগড়ায় কৃষক মিসকান হত্যা : প্রধান অভিযুক্ত ইউপি সদস্য শহীদুল মোল্যা গ্রেফতার
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Saturday, September 12
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

যশোরে সবজির বাজার উর্ধ্বমুখি : স্থিতিশীল মাছ-মাংস

banglarbhoreBy banglarbhoreSeptember 11, 2026No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

কাজী নূর

যশোরের বারান্দি নাথপাড়ার জয়দেব সাহা, সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের ইমদাদুল ইসলাম বিদ্যুৎ, চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের হানিফ গাজী, ইন্তাজ আলীসহ অনেক সবজি বিক্রেতা দু একটি পণ্য কিনেই ফিরে এসেছেন যশোরের সবজির পাইকারি মোকাম বারীনগর থেকে। কারণ হিসেবে তারা বলেন, দু’ দিন আগেও দাম ঠিক ছিল। আজ দেখছি বেশ কিছু সবজির দাম কেজিতে ২০/৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বেগুন, বরবটি, ঝিঙেসহ বেশ কিছু মালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে হাটে।

বাড়তি দামে মাল কিনে বিক্রি করতে পারবো কিনা সেটা তো আমাদের ভাবতে হবে। পরিবহনসহ আনুষাঙ্গিক সকল খরচ মিটিয়ে পড়তা হবে না ভেবে সস্তায় কিছু সবজি নিয়ে ফিরে এসেছি।

শুক্রবার সকালে যশোরের হাজী মোহাম্মদ মহসিন রোড বড়বাজারে বাংলার ভোর প্রতিবেদককে এমনটাই বলেছিলেন সবজি বিক্রেতারা।

তারা বলেন, হাট বা আড়তে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও কিনে নিয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজারের পার্টিরা। স্বাভাবিকভাবে তখন স্থানীয় বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার আশংকা থেকেই যায়। কারণ স্থানীয় বাজারের চাহিদা তো থেকেই যাচ্ছে।

জয়দেব সাহা, ইন্তাজ আলীদের কথার সূত্রে বাজারের কালীবাড়ী রোড ও নিচের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে মানভেদে বেগুন কেজি প্রতি ৭০ থেকে ১৫০ টাকা, বরবটি ৫০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙে ৪০ থেকে ৭০ টাকা, কুশি ৫০ থেকে ৭০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, কলা ৩০ টাকা, কচুরমুখি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুরলতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, মানকচু ৫০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, উচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা, মিষ্টিকুমড়ো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা, সবুজ শাক ৬০ টাকা, কাকরোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আমড়া ২০ থেকে ৩০ টাকা, ধুন্দল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ওল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মেটে আলু ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, ঢেড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ডাটা ৪০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, লাউ ও চাল কুমড়ো আকারভেদে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া আগাম শীতকালীন সবজি ফুলকপি মানভেদে কেজি প্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকা, বাঁধাকপি ৮০ টাকা, মিচুড়ি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পালংশাক ১০০ টাকা ও মূলা ৪০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

সবজি বিক্রেতা শাহজাহান শেখ বলেন, গত দুদিন সবজির সরবরাহ একটু কম। বাড়তি দামে কিছু মাল কিনেছি। তবে বেচাকেনা ভালো।

আরেক সবজি বিক্রেতা মারুফ হাসান বলেন, সব সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এমনটি নয়। এমন অনেক সবজি আছে যা ২০/৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচামালের বাজার তো রোজ এক রকম থাকে না।

শহরের হরিনাথ দত্ত লেন নিরালাপট্টির বাসিন্দা এহসান লাল্টু বলেন, দু’চারটি সবজির দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাজার স্থিতিশীল রয়েছে বলে মনে হয়।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে আড়াই কেজি সাইজের রুই কেজি প্রতি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, দেড় কেজি সাইজের রুই ৩০০ টাকা, সাড়ে ৩ কেজি সাইজের কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, হরিণা চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, টেংরা ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, পারশে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, চাকা চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, বেলে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, পুঁটি ২৫০ টাকা, বাগদা চিংড়ি ৮০০ টাকা, চাপলে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কৈ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙাশ ১৭০ থেকে ৩০০ টাকা, নাইলোটিকা ২২০ থেকে ২৫০ টাকা টাকা বিক্রি হয়েছে।

ইলিশ মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে মানভেদে ১ কেজি ৩ থেকে ৪০০ গ্রাম সাইজের ইলিশ মাছ ৩০০০ থেকে ৩৬০০ টাকা, ১ কেজি ১ থেকে দেড়শ গ্রাম সাইজের ইলিশ ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা, ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম সাইজের ইলিশ মাছ ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা, ৪০০ গ্রাম সাইজের ইলিশ ১৫০০ টাকা, ৪ পিসে ১ কেজি সাইজের ইলিশ ১০০০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হয়েছে।

ইলিশ মাছ বিক্রেতা জিহাদ হাসান বলেন, ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধি পেলেও আশানুরূপ দাম কমছে না। দাম কমলে বেচাকেনা বৃদ্ধি পাবে।

শহরের বারান্দি মোল্লাপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ আবু তৈয়ব বলেন, ইলিশের দাম না কমলে কিনবো না। কারণ সাধ থাকলেও আমার সামর্থ্য নেই।

মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, কালার বার্ড মুরগি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা ও লেয়ার ৩৭০ থেকে ৪০০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

বিসমিল্লাহ ব্রয়লার হাউজের স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন লিটন বলেন, বর্তমানে যশোর বাজারে সোনালি মুরগি বলে যা বিক্রি করা হচ্ছে আসলে সেটি সোনালি মুরগি নয়, কালার বার্ড মুরগি।

জাকির হোসেন আরো বলেন, একমাত্র আমার দোকানে ঘোষণা দিয়ে কালার বার্ড মুরগি বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু অন্য দোকানে কালার বার্ডকে সোনালি বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে।

এছাড়া গরু ও খাসির মাংসের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বাজার স্থিতিশীল এবং বেচাকেনা স্বাভাবিক রয়েছে। গরু ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা ও খাসীর মাংস ১১৫০ থেকে ১২২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে।

সাব্বির বিফ হাউসের ব্যবস্থাপক সৈয়দ আকরামুল হাসান বলেন, বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। তবে সরকারি উদ্যোগে খামার বৃদ্ধি এবং গোখাদ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকলে সুফল পাওয়া যাবে।

মুদিপণ্যের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে খোলা সয়াবিন তেল কেজি প্রতি ২০৬ থেকে ২১০ টাকা, সরিষার তেল ২১০ থেকে ২৩০ টাকা, পাম তেল থেকে ১৮৫ টাকা, সুপার তেল ১৯০ টাকা, পোলাও চাল ১৭০ থেকে ২২০ টাকা, আটা ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, ময়দা ৬২ থেকে ৭০ টাকা, মুগ ডাল ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, মসুরির ডাল ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, ছোলার ডাল ১০০ থেকে ১১০ টাকা, বুটের ডাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, সাদা চিনি ১১০ টাকা, লাল চিনি ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, আদা ২০০ টাকা ও রসুন ৮০ থেকে ১৩০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

কালীবাড়ী রোডের মুদিপণ্য বিক্রেতা হিমু স্টোরের স্বত্বাধিকারী গোপাল চন্দ্র ঘোষ বলেন, পোলাও চালের পরে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে বোতলজাত সয়াবিনের দাম কিছুটা বাড়তি।

চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে বাসমতি ৭৬ থেকে ৮০ টাকা, আটাশ ৫২ থেকে ৫৫ টাকা, মিনিকেট ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, পাইজাম ৪৯ টাকা, সুবর্ণলতা ৫৫ টাকা, নূরজাহান ৫০ টাকা, নাজিরশাল ৯৫ টাকা ও বিল আমন ৬০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

চাল বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী বদরুল আলম বলেন, চালের অস্থিতিশীল হবার আশংকা নেই। তবে বাজার ভালো না।

ডিমের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে লাল ডিম হালি প্রতি ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, সাদা ডিম ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, হাঁসের ডিম ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, দেশি মুরগি ডিম ৭২ টাকা ও কোয়েল পাখির ডিম ১২ টাকা বিক্রি হয়েছে।

ডিমের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বড়বাজারের মা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী কুদ্দুস আলী বলেন, ডিমের দাম সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এটি স্থায়ী নয়। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দাম কমে যাবে।

যশোরে সবজির বাজার
Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    যুবদল নেতা শহীদকে অব্যাহতি রানাসহ দুই নেতাকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা

    September 11, 2026

    যশোরে আদালতের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে জমি দখলের অভিযোগ, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা

    September 11, 2026

    চুড়ামনকাটিতে আট দলীয় ফুটবলে সোনার বাংলা চ্যাম্পিয়ন

    September 11, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.