বেনাপোল সংবাদদাতা
বেনাপোল বন্দরে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইমপোর্ট এক্সপোর্ট এ্যাসোসিয়েশন।
মঙ্গলবার দুপুরে বেনাপোল বাজারে হোটেল সানরুপে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে ইমপোর্ট এক্সপোর্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, বেনাপোল দেশের সবচাইতে বড় স্থলবন্দর। যেখানে ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান।
বন্দর থেকে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা সরকারের রাজস্ব আহরণ হয়ে থাকে। অতেিত বেনাপোল বন্দরে নানান অনিয়মের কথা শোনা গেলেও বর্তমানে কাস্টমস ও বন্দরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে অনেকটা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরে এসেছে।
তবে বন্দরে বহিরাগত চাঁদাবাজদের অত্যাচারে সরকারি কর্মকর্তা থেকে ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। চাঁদা না দিলে নাম সর্বস্ব পত্রিকা, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাস্টমস, বন্দর ও ব্যবসায়ীদের জড়িয়ে উদ্দেশ্যমূলক মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। এতে বেনাপোল বন্দর ছেড়ে ব্যবসায়ীরা ভোমরা বা অন্য বন্দরে চলে যাচ্ছে।
সরকারও হারাচ্ছে রাজস্ব। এসব চাঁদাবাজদের মধ্যে বেনাপোল পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভবেরবেড় গ্রামের বাসিন্দা সুমন হোসাইন সর্বাধিক আলোচিত।
চাঁদাবাজির ঘটনায় বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) শাহিদা শারমিন বেনাপোল পোর্ট থানায় সুমনকে আসামি করে মামলা করলে তদন্ত শেষে পুলিশ ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল চার্জশিট দাখিল করে।
অথচ চার্জশিট দাখিলের পরও আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। বর্তমানে সুমন বেনাপোল ছাড়লেও বাইরে অবস্থান করে মানব কন্ঠ, সকালের সময়, ওয়ান নিউজ বিডি অনলাইনে নাম ব্যবহার করে ফোনে হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার আহবান জানান ব্যবসায়ীরা। সংবাদ সম্মেলনে ইমপোর্ট এক্সপোর্ট এ্যাসোসিয়েশনের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

