বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরের ঝিকরগাছায় কপোতাক্ষ নদ থেকে ভ্যানচালক ইখলাসের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার দুই জনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে নিহতের ভ্যান।
পুলিশ বলছে, ভ্যান ছিনিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যেই কোমল পানীয়র সাথে চেতনানাশক খাইয়ে ইখলাসকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।
গত ২২ সেপ্টেম্বর সকালে গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় কপোতাক্ষ নদে ইখলাসের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করলে পরিবারের সদস্যরা সেটি ইখলাসের বলে শনাক্ত করেন।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে ভ্যান নিয়ে ভাড়ায় বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ইখলাস। পরের দিন পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে ২২ সেপ্টেম্বর সকালে গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকার কপোতাক্ষ নদে ইখলাসের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করলে পরিবারের লোকজন সেটি শনাক্ত করেন।
এই ঘটনায় ইখলাসের বাবা বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
পরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঝিকরগাছা উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়ন থেকে মেহেদি হাসানকে গ্রেফতার করেন। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গঙ্গানন্দপুর থেকে অপর আসামিকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে আটক মেহেদী হাসান নিহত এখলাসের সম্পর্কে ভায়রা ভাই।
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় যশোর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান সিনিয়র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন।
তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুইজন হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তারা ইখলাসকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ানোর পরে গলায় ফাস ও পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে।
