প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতিগত সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। তারা বলেন, গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধ, সংঘাত নিরসন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ তৈরিতে তরুণদের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে।
শনিবার যশোরের আরআরএফ ট্রেনিং অ্যান্ড রিসোর্স সেন্টারে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘আঞ্চলিক তরুণ শান্তি সহায়ক সম্মেলন-২০২৬’-এ বক্তারা এসব কথা বলেন।
এফসিডিওর আর্থিক সহযোগিতায় বাস্তবায়িত মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ইনিশিয়েটিভ ফর পিস অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি (এমআইপিএস) প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত সম্মেলনে খুলনা বিভাগের তিন জেলার পাঁচ উপজেলার পিএফজি ও ওয়াইপিএজির ৪০ জন তরুণ অংশ নেন।
কুষ্টিয়া ওয়াইপিএজির সমন্বয়কারী সাদিক হাসান রহিদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার। তিনি বলেন, সম্প্রতি মণিরামপুরে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজবের মতো ঘটনা প্রতিরোধে তরুণদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সম্প্রীতির চর্চা পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে।
বিশেষ অতিথি কেশবপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুপালী রানী বলেন, তরুণদের অভিজ্ঞতা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। বাঘারপাড়া উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম তরফদার তরুণদের প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকারত্ব মোকাবিলার আহ্বান জানান।
সম্মেলনে তরুণরা নিজ নিজ এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠায় অর্জিত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং সংঘাত নিরসন, সহিংসতা প্রতিরোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
এ সময় দি হাঙ্গার প্রজেক্টের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী খোরশেদ আলম, এরিয়া কোঅর্ডিনেটর এস এম রাজু জবেদসহ পিএফজি, ওয়েভ ও আন্তধর্মীয় প্ল্যাটফর্মের সদস্যরা বক্তব্য দেন।
