Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • জাতীয় পার্টির যশোর জেলা ও উপজেলার ২৫ নেতার পদত্যাগ
  • একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই
  • জামাই ষষ্ঠীর বেচাকেনায় বাজার চাঙ্গা : সব্জি ছাড়া সবকিছুর দামই চড়া
  • বেনাপোলে দেড় লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ
  • যশোরে বড় বোনের ছুরিকাঘাতে ছোট বোন আহত
  • মণিরামপুরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী ও সৎবাবা কারাগারে
  • যশোরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গণপিটুনি
  • ডুমুরিয়া প্রশাসন ও পাউবোর তদারকিতে রক্ষা পেল আবাসনের ১৯ পরিবার
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
শনিবার, জুন ২০
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম মার্চ ১৩, ২০২৬

রামপাল ট্রাজেডি : দুই গ্রামে চিরনিদ্রায় নবদম্পতি

banglarbhoreBy banglarbhoreNo Commentsমার্চ ১৩, ২০২৬
Facebook Twitter WhatsApp
রামপাল ট্রাজেডি : দুই গ্রামে চিরনিদ্রায় নবদম্পতি
Share
Facebook Twitter LinkedIn

# শোকে স্তব্ধ নাকশা গ্রাম # পাশাপাশি শায়িত পরিবারের ৯ জন

বাংলার ভোর ডেস্ক

বাগেরহাটের রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ হারানো বর আহাদুর রহমান সাব্বির ও কনে মার্জিয়া আক্তার মিতুকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে। সাব্বিরকে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার শলোবুনিয়া গ্রামে এবং মিতুকে খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামে দাফন করা হয়েছে।

# শোকে স্তব্ধ নাকশা গ্রাম
কয়রা সংবাদদাতা জানান, খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের নাকশা গ্রামে শুক্রবার সকালে ঢুকতেই দেখা যায়, দলে দলে মানুষ এগিয়ে যাচ্ছেন একটি বাড়ির দিকে। রাস্তার দুই পাশে নারী-পুরুষের ভিড়। কারও চোখে পানি, কারও মুখে গভীর স্তব্ধতা। সবাই যাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা আবদুস সালাম মোড়লের বাড়িতে।

মাত্র দুই দিন আগেও এই বাড়িতে ছিল উৎসবের আমেজ। গত বুধবার রাতে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল আবদুস সালাম মোড়লের মেয়ে মার্জিয়া আক্তার মিতুর। বর বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার শ্যালাবুনিয়া গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে আহাদুর রহমান ওরফে সাব্বির। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বরপক্ষের সদস্যরা সেদিন রাতে কনের বাড়িতে ছিলেন।

পরদিন বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নববধূকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে মোংলার উদ্দেশে রওনা দেয় বরপক্ষ। কিন্তু সেই যাত্রা আর গন্তব্যে পৌঁছায়নি। পথে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় মাইক্রোবাসটির সঙ্গে নৌবাহিনীর একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের আরোহী বর-কনেসহ ১৪ জন নিহত হন।

শুক্রবার সকালে আবদুস সালাম মোড়লের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির চারপাশ মানুষে পরিপূর্ণ। কেউ কাঁদছেন, কেউ আবার নীরবে দাঁড়িয়ে আছেন। নিহত কনে মার্জিয়া আক্তারের মা মুন্নি খাতুন কাঁদতে কাঁদতে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন। ঘরের বারান্দায় তাঁকে শুইয়ে দিয়ে কয়েকজন নারী পাশে বসে বিলাপ করছেন। বাড়ির উঠানে তখনো দাঁড়িয়ে আছে বিয়ের প্যান্ডেলের জন্য পুঁতে রাখা বাঁশ।

ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মার্জিয়া আক্তারের ফুফু মঞ্জুয়ারা বেগম চোখ মুছতে মুছতে বলেন, ‘আমি নিজে মেয়েটার হাতে চুড়ি পরাই দিছিলাম। সবাই মিলি একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া করিছি। বিয়ের দিন কত্তো আনন্দ ছিল! অথচ আজকি সেই মেয়ের লাশ দেখতি হচ্ছে। শুধু মার্জিয়া নয়, ওর ছোট বোনটাও চইলে গেল। দাদি-নানি দুজনও একসঙ্গে মারা গেছে।’

স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে ছিল আবদুস সালাম মোড়লের সংসার। স্থানীয় বাজারে মুরগি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। সালাম মোড়লের বোনের জামাই আক্তারুল ইসলাম বলেন, তিন ভাইবোনের মধ্যে এখন শুধু পাঁচ বছর বয়সী ছোট ছেলেটিই বেঁচে আছে। দুর্ঘটনায় মারা গেছেন মার্জিয়া আক্তার, তাঁর ছোট বোন লামিয়া আক্তার, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগম। নানির মরদেহ তাঁদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আর তিনটি মরদেহ আনা হয়েছে নাকশা গ্রামে।

মার্জিয়া আক্তার নাকশা আলিম মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর ছোট বোন লামিয়া মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত। প্রতিবেশী আরাফাত হোসেন বলেন, ‘বুধবার রাতেই ধুমধাম করে বিয়েটা হলো। দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিয়ের কাজ শেষ হয়। আমরা সবাই একসঙ্গে দাওয়াত খেলাম। কে জানত, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটবে!’ তিনি আরও বলেন, ভোর পাঁচটার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মরদেহগুলো গ্রামে এসে পৌঁছায়। এর পর থেকেই বাড়িতে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে।

বাড়ির পেছনের পারিবারিক কবরস্থানে গিয়ে দেখা যায়, পাশাপাশি খোঁড়া হয়েছে তিনটি কবর। কবরস্থানের পাশে বিলের ধারে খাটিয়ায় সাদা কাপড়ে ঢাকা ছিল তিনটি মরদেহ। সেখানে কয়েকজনের কাঁধে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে বিলাপ করছিলেন আবদুস সালাম মোড়ল।

সকাল ১০টার দিকে মার্জিয়া আক্তার মিতু, তাঁর ছোট বোন লামিয়া আক্তার ও দাদি রাশিদা বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজারো মানুষ অংশ নেন।

জানাজায় অংশ নেয়া স্থানীয় বাসিন্দা রাসেল মোড়ল বলেন, ‘এই গ্রামে একই পরিবারের তিনজনের একসঙ্গে মৃত্যু আগে হয়নি। একসঙ্গে তিনজনের জানাজা ও দাফন বিরল ঘটনা। এমন মর্মান্তিক মৃত্যু যেন আর কোনো পরিবারে না আসে।’
আমাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আমাদের এলাকায় এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা আগে দেখিনি। একসঙ্গে দুই মেয়ে, মা আর শাশুড়িকে হারিয়ে সালাম মোড়লের কান্না থামানো যাচ্ছে না। আমরাও তাঁকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা পাচ্ছি না।’

বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাফর আহমেদ বলেন, মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ ১৫ জন ছিলেন। দুর্ঘটনায় ১৪ জন মারা গেছেন। একজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

# পরিবারের ৯ জনই এখন পাশাপাশি শায়িত
রামপাল সংবাদদাতা জানান, বাগেরহাটের রামপালে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বর সাব্বিরসহ তার পরিবারের ৯ সদস্যের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমার নামাজ শেষে মোংলা পৌরসভার সরকারি কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চলছে শোকের মাতম। স্বজন ও প্রতিবেশীদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে শেলাবুনিয়া গ্রামের পরিবেশ।
জানাজা ও দাফনে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাচান চৌধুরীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
দাফন সম্পন্ন হলেও মোংলা পৌরসভার শেলাবুনিয়া গ্রামে শোকের মাতম থামেনি। স্বজন ও প্রতিবেশীদের আহাজারিতে পুরো এলাকার আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে।
শেলাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ফিরোজ শিকদার বলেন, আব্দুর রাজ্জাকের পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে ছিল। বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনায় তার দুই ছেলে, এক মেয়ে, এক পুত্রবধূ ও চার নাতি-নাতনি নিহত হয়েছেন। বর্তমানে জীবিত আছেন তার তিন ছেলে ও তাদের মা।
স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে হারানো আব্দুর রাজ্জাকের বড় ছেলে আশরাফুল আলম জনি বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। স্ত্রী, সন্তান, ভাই-বোন সবাইকে হারালাম। আমি একা হয়ে গেলাম।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ও পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী ঘটনাস্থল ও নিহতদের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন।

নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন । তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের ত্রাণ তহবিল, জেলা পরিষদ এবং সড়ক পরিবহন আইনের ৫৪ ধারার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নিহত প্রত্যেক সদস্যের জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। ইতিমধ্যে নিহত মাইক্রোবাসচালক মো. নাঈম শেখের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার খুলনার কয়রা উপজেলার নকশা গ্রামে মার্জিয়া আক্তারের সঙ্গে মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শেলাবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বিরের বিয়ের পর বরযাত্রীদের নিয়ে মাইক্রোবাসটি বিকেলে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে নৌবাহিনীর একটি স্টাফ বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, তার ছেলে বর আহাদুর রহমান সাব্বির, সাব্বিরের ভাই আব্দুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, ঐশীর ছেলে সামিউল ইসলাম ফাহিম, বড় ভাই আশরাফুল আলম জনির স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল, তাদের ছেলে আলিফ এবং মেয়ে আরফা ও ইরাম। এ ছাড়া নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মাইক্রোবাসচালক মো. নাঈম শেখ। তার বাড়ি রামপাল উপজেলার জিগির মোল্লা এলাকায়।
অন্যদিকে কনের পক্ষের নিহতরা হলেন— নববধূ মার্জিয়া আক্তার (মিতু), তার ছোট বোন লামিয়া আক্তার, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগম। তাদের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার নকশা গ্রামে।

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

জাতীয় পার্টির যশোর জেলা ও উপজেলার ২৫ নেতার পদত্যাগ

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই

জামাই ষষ্ঠীর বেচাকেনায় বাজার চাঙ্গা : সব্জি ছাড়া সবকিছুর দামই চড়া

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.